
দীর্ঘ পাঁচ বছর নয় মাস ১৮ দিন পর বহুল আলোচিত সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)। দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত ১৪ জুলাই রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।
মামলার আসামিরা হলেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক), অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল এবং মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই টিলাগড়কেন্দ্রিক ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ ও তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং এমসি কলেজের এক অধ্যাপক ছিলেন।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ভয়াবহ এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, শাহপরান মাজার থেকে ফেরার পথে এক দম্পতিকে কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় তাদের মারধর, টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং প্রাইভেটকার আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে।
ঘটনার রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় ছয় আসামির সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়।
২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১০ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে।

দীর্ঘ পাঁচ বছর নয় মাস ১৮ দিন পর বহুল আলোচিত সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)। দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত ১৪ জুলাই রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।
মামলার আসামিরা হলেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক), অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল এবং মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই টিলাগড়কেন্দ্রিক ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ ও তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং এমসি কলেজের এক অধ্যাপক ছিলেন।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ভয়াবহ এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, শাহপরান মাজার থেকে ফেরার পথে এক দম্পতিকে কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় তাদের মারধর, টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং প্রাইভেটকার আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে।
ঘটনার রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় ছয় আসামির সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়।
২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১০ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে।

দীর্ঘ পাঁচ বছর নয় মাস ১৮ দিন পর বহুল আলোচিত সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)। দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত ১৪ জুলাই রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।
মামলার আসামিরা হলেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক), অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল এবং মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই টিলাগড়কেন্দ্রিক ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ ও তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং এমসি কলেজের এক অধ্যাপক ছিলেন।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ভয়াবহ এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, শাহপরান মাজার থেকে ফেরার পথে এক দম্পতিকে কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় তাদের মারধর, টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং প্রাইভেটকার আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে।
ঘটনার রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় ছয় আসামির সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়।
২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১০ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে।

দীর্ঘ পাঁচ বছর নয় মাস ১৮ দিন পর বহুল আলোচিত সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)। দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত ১৪ জুলাই রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।
মামলার আসামিরা হলেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক), অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল এবং মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই টিলাগড়কেন্দ্রিক ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের মধ্যে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ ও তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং এমসি কলেজের এক অধ্যাপক ছিলেন।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ভয়াবহ এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, শাহপরান মাজার থেকে ফেরার পথে এক দম্পতিকে কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় তাদের মারধর, টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং প্রাইভেটকার আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে।
ঘটনার রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় ছয় আসামির সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়।
২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১০ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!