জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন ৩টি প্রকল্প, সংশোধিত ৫টি প্রকল্প এবং মেয়াদ বৃদ্ধি করা ১টি প্রকল্প। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অনুমোদন পাওয়া ৯টি প্রকল্প হলো সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন (২য় সংশোধন) প্রকল্প (২) গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, জেলা শহরে বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ/পুনর্নির্মাণ (প্রথম ফেইজ) প্রকল্প। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, হাই-টেক সিটি-২-এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি নিবাস নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে ৪ x এসএম ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা হতে সাগরিকা) (৫ম সংশোধিত) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, (১) পদ্মা ব্যারেজ (১ম পর্যায়) প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সংবলিত ২টি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। সেগুলো হলো ১. ময়মনসিংহ জিলা স্কুল, ময়মনসিংহ এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ২. বিমানবাহিনী ঘাঁটি কুর্মিটোলায় বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।
সভায় অংশগ্রহণ করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন ৩টি প্রকল্প, সংশোধিত ৫টি প্রকল্প এবং মেয়াদ বৃদ্ধি করা ১টি প্রকল্প। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অনুমোদন পাওয়া ৯টি প্রকল্প হলো সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন (২য় সংশোধন) প্রকল্প (২) গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, জেলা শহরে বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ/পুনর্নির্মাণ (প্রথম ফেইজ) প্রকল্প। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, হাই-টেক সিটি-২-এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি নিবাস নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে ৪ x এসএম ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা হতে সাগরিকা) (৫ম সংশোধিত) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, (১) পদ্মা ব্যারেজ (১ম পর্যায়) প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সংবলিত ২টি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। সেগুলো হলো ১. ময়মনসিংহ জিলা স্কুল, ময়মনসিংহ এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ২. বিমানবাহিনী ঘাঁটি কুর্মিটোলায় বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।
সভায় অংশগ্রহণ করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন ৩টি প্রকল্প, সংশোধিত ৫টি প্রকল্প এবং মেয়াদ বৃদ্ধি করা ১টি প্রকল্প। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অনুমোদন পাওয়া ৯টি প্রকল্প হলো সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন (২য় সংশোধন) প্রকল্প (২) গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, জেলা শহরে বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ/পুনর্নির্মাণ (প্রথম ফেইজ) প্রকল্প। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, হাই-টেক সিটি-২-এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি নিবাস নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে ৪ x এসএম ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা হতে সাগরিকা) (৫ম সংশোধিত) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, (১) পদ্মা ব্যারেজ (১ম পর্যায়) প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সংবলিত ২টি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। সেগুলো হলো ১. ময়মনসিংহ জিলা স্কুল, ময়মনসিংহ এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ২. বিমানবাহিনী ঘাঁটি কুর্মিটোলায় বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।
সভায় অংশগ্রহণ করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন ৩টি প্রকল্প, সংশোধিত ৫টি প্রকল্প এবং মেয়াদ বৃদ্ধি করা ১টি প্রকল্প। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অনুমোদন পাওয়া ৯টি প্রকল্প হলো সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন (২য় সংশোধন) প্রকল্প (২) গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, জেলা শহরে বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ/পুনর্নির্মাণ (প্রথম ফেইজ) প্রকল্প। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, হাই-টেক সিটি-২-এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি নিবাস নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে ৪ x এসএম ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা হতে সাগরিকা) (৫ম সংশোধিত) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, (১) পদ্মা ব্যারেজ (১ম পর্যায়) প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সংবলিত ২টি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। সেগুলো হলো ১. ময়মনসিংহ জিলা স্কুল, ময়মনসিংহ এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ২. বিমানবাহিনী ঘাঁটি কুর্মিটোলায় বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।
সভায় অংশগ্রহণ করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!