
রাজধানীর উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকার ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে এ অভিযান শুরু হয়। তবে অদৃশ্য আগাম বার্তায় আগেভাগেই পুরো এলাকায় ফুটপাত থেকে উধাও হয়ে যায় ভাসমান দোকানগুলো। এতে করে উচ্ছেদ অভিযান শুরুর আগেই এলাকাটি অনেকটাই দখলমুক্ত হয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাত ও মার্কেটের বাইরের ভাসমান দোকানীরা সকালে কেউই দোকান খোলেননি। সবাই ফুটপাতজুড়ে থাকা ছোট ছোট দোকান, স্টল কিংবা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসার উপকরণগুলো মাথায় নিয়ে সরাচ্ছেন। হকাররা তাদের পণ্য ও কাঠের চৌকিসহ অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে আশপাশের এলাকায় নিয়ে যান। অনেকে আবার মূল সড়কের পাশে সড়ক বিভাজনে এসব সামগ্রী অস্থায়ীভাবে রেখে দেন। পরে বেলা ১১টা ১৯ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযান শুরু হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানিক দল এলাকাজুড়ে তদারকি চালায়। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন করা হয় এবং যেসব অংশ অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলো থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একজন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, উত্তরা রাজলক্ষ্মী এলাকাসহ রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। আজ আমরা সবাইকে সতর্ক করছি। জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ফুটপাত দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। যারা নির্দেশনা অমান্য করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে গত কয়েকদিন ধরেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ডিএমপি জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রাজধানীর উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকার ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে এ অভিযান শুরু হয়। তবে অদৃশ্য আগাম বার্তায় আগেভাগেই পুরো এলাকায় ফুটপাত থেকে উধাও হয়ে যায় ভাসমান দোকানগুলো। এতে করে উচ্ছেদ অভিযান শুরুর আগেই এলাকাটি অনেকটাই দখলমুক্ত হয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাত ও মার্কেটের বাইরের ভাসমান দোকানীরা সকালে কেউই দোকান খোলেননি। সবাই ফুটপাতজুড়ে থাকা ছোট ছোট দোকান, স্টল কিংবা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসার উপকরণগুলো মাথায় নিয়ে সরাচ্ছেন। হকাররা তাদের পণ্য ও কাঠের চৌকিসহ অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে আশপাশের এলাকায় নিয়ে যান। অনেকে আবার মূল সড়কের পাশে সড়ক বিভাজনে এসব সামগ্রী অস্থায়ীভাবে রেখে দেন। পরে বেলা ১১টা ১৯ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযান শুরু হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানিক দল এলাকাজুড়ে তদারকি চালায়। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন করা হয় এবং যেসব অংশ অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলো থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একজন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, উত্তরা রাজলক্ষ্মী এলাকাসহ রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। আজ আমরা সবাইকে সতর্ক করছি। জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ফুটপাত দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। যারা নির্দেশনা অমান্য করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে গত কয়েকদিন ধরেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ডিএমপি জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রাজধানীর উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকার ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে এ অভিযান শুরু হয়। তবে অদৃশ্য আগাম বার্তায় আগেভাগেই পুরো এলাকায় ফুটপাত থেকে উধাও হয়ে যায় ভাসমান দোকানগুলো। এতে করে উচ্ছেদ অভিযান শুরুর আগেই এলাকাটি অনেকটাই দখলমুক্ত হয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাত ও মার্কেটের বাইরের ভাসমান দোকানীরা সকালে কেউই দোকান খোলেননি। সবাই ফুটপাতজুড়ে থাকা ছোট ছোট দোকান, স্টল কিংবা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসার উপকরণগুলো মাথায় নিয়ে সরাচ্ছেন। হকাররা তাদের পণ্য ও কাঠের চৌকিসহ অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে আশপাশের এলাকায় নিয়ে যান। অনেকে আবার মূল সড়কের পাশে সড়ক বিভাজনে এসব সামগ্রী অস্থায়ীভাবে রেখে দেন। পরে বেলা ১১টা ১৯ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযান শুরু হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানিক দল এলাকাজুড়ে তদারকি চালায়। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন করা হয় এবং যেসব অংশ অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলো থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একজন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, উত্তরা রাজলক্ষ্মী এলাকাসহ রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। আজ আমরা সবাইকে সতর্ক করছি। জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ফুটপাত দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। যারা নির্দেশনা অমান্য করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে গত কয়েকদিন ধরেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ডিএমপি জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রাজধানীর উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকার ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে এ অভিযান শুরু হয়। তবে অদৃশ্য আগাম বার্তায় আগেভাগেই পুরো এলাকায় ফুটপাত থেকে উধাও হয়ে যায় ভাসমান দোকানগুলো। এতে করে উচ্ছেদ অভিযান শুরুর আগেই এলাকাটি অনেকটাই দখলমুক্ত হয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাত ও মার্কেটের বাইরের ভাসমান দোকানীরা সকালে কেউই দোকান খোলেননি। সবাই ফুটপাতজুড়ে থাকা ছোট ছোট দোকান, স্টল কিংবা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসার উপকরণগুলো মাথায় নিয়ে সরাচ্ছেন। হকাররা তাদের পণ্য ও কাঠের চৌকিসহ অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে আশপাশের এলাকায় নিয়ে যান। অনেকে আবার মূল সড়কের পাশে সড়ক বিভাজনে এসব সামগ্রী অস্থায়ীভাবে রেখে দেন। পরে বেলা ১১টা ১৯ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযান শুরু হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানিক দল এলাকাজুড়ে তদারকি চালায়। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন করা হয় এবং যেসব অংশ অননুমোদিতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলো থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একজন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, উত্তরা রাজলক্ষ্মী এলাকাসহ রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। আজ আমরা সবাইকে সতর্ক করছি। জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ফুটপাত দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। যারা নির্দেশনা অমান্য করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে গত কয়েকদিন ধরেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ডিএমপি জানিয়েছে, আগামী দিনগুলোতেও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!