
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে নিহত ও আহত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা চরম চাপে পড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসাকর্মীরা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তেহরানের অন্তত তিনটি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীরা জানান, আহতদের ভিড়ে অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। রাজধানীর একটি বিশেষায়িত চোখের হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে অপ্রয়োজনীয় অপারেশন ও নতুন রোগী ভর্তি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
একজন চিকিৎসক বলেন, আহতদের সংখ্যা এত বেশি যে অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। গত দুই সপ্তাহ আগে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে তেহরানে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন ইরানের সব প্রদেশের শতাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। বিবিসি পার্সিয়ান জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন এবং অনেকে আটক হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন।
উত্তর ইরানের রাশত শহরের পোরসিনা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এক রাতে সেখানে ৭০টি মরদেহ আনা হয়। মর্গে জায়গা না থাকায় মরদেহগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়। নিহতদের পরিবার থেকে দাফনের জন্য মরদেহ ছাড়াতে অর্থ দাবি করার অভিযোগও উঠেছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের জন্য ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে বলেছে, এর জবাব দেওয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ইরান ‘স্বাধীনতার দিকে এগোচ্ছে’ এবং যুক্তরাষ্ট্র সহায়তায় প্রস্তুত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন সহিংসতা দমনের নিন্দা জানিয়েছেন। জাতিসংঘ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির নেতারা যৌথ বিবৃতিতে ইরানি কর্তৃপক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সরকারের অবস্থান
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে’ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সরকারি সম্পদ রক্ষায় তারা আরও সক্রিয় থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনের পর এটিই ইরানে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ, যা দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে নিহত ও আহত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা চরম চাপে পড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসাকর্মীরা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তেহরানের অন্তত তিনটি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীরা জানান, আহতদের ভিড়ে অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। রাজধানীর একটি বিশেষায়িত চোখের হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে অপ্রয়োজনীয় অপারেশন ও নতুন রোগী ভর্তি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
একজন চিকিৎসক বলেন, আহতদের সংখ্যা এত বেশি যে অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। গত দুই সপ্তাহ আগে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে তেহরানে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন ইরানের সব প্রদেশের শতাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। বিবিসি পার্সিয়ান জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন এবং অনেকে আটক হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন।
উত্তর ইরানের রাশত শহরের পোরসিনা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এক রাতে সেখানে ৭০টি মরদেহ আনা হয়। মর্গে জায়গা না থাকায় মরদেহগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়। নিহতদের পরিবার থেকে দাফনের জন্য মরদেহ ছাড়াতে অর্থ দাবি করার অভিযোগও উঠেছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের জন্য ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে বলেছে, এর জবাব দেওয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ইরান ‘স্বাধীনতার দিকে এগোচ্ছে’ এবং যুক্তরাষ্ট্র সহায়তায় প্রস্তুত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন সহিংসতা দমনের নিন্দা জানিয়েছেন। জাতিসংঘ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির নেতারা যৌথ বিবৃতিতে ইরানি কর্তৃপক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সরকারের অবস্থান
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে’ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সরকারি সম্পদ রক্ষায় তারা আরও সক্রিয় থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনের পর এটিই ইরানে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ, যা দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে নিহত ও আহত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা চরম চাপে পড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসাকর্মীরা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তেহরানের অন্তত তিনটি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীরা জানান, আহতদের ভিড়ে অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। রাজধানীর একটি বিশেষায়িত চোখের হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে অপ্রয়োজনীয় অপারেশন ও নতুন রোগী ভর্তি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
একজন চিকিৎসক বলেন, আহতদের সংখ্যা এত বেশি যে অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। গত দুই সপ্তাহ আগে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে তেহরানে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন ইরানের সব প্রদেশের শতাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। বিবিসি পার্সিয়ান জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন এবং অনেকে আটক হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন।
উত্তর ইরানের রাশত শহরের পোরসিনা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এক রাতে সেখানে ৭০টি মরদেহ আনা হয়। মর্গে জায়গা না থাকায় মরদেহগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়। নিহতদের পরিবার থেকে দাফনের জন্য মরদেহ ছাড়াতে অর্থ দাবি করার অভিযোগও উঠেছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের জন্য ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে বলেছে, এর জবাব দেওয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ইরান ‘স্বাধীনতার দিকে এগোচ্ছে’ এবং যুক্তরাষ্ট্র সহায়তায় প্রস্তুত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন সহিংসতা দমনের নিন্দা জানিয়েছেন। জাতিসংঘ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির নেতারা যৌথ বিবৃতিতে ইরানি কর্তৃপক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সরকারের অবস্থান
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে’ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সরকারি সম্পদ রক্ষায় তারা আরও সক্রিয় থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনের পর এটিই ইরানে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ, যা দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে নিহত ও আহত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা চরম চাপে পড়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসাকর্মীরা।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তেহরানের অন্তত তিনটি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীরা জানান, আহতদের ভিড়ে অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। রাজধানীর একটি বিশেষায়িত চোখের হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে অপ্রয়োজনীয় অপারেশন ও নতুন রোগী ভর্তি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
একজন চিকিৎসক বলেন, আহতদের সংখ্যা এত বেশি যে অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। গত দুই সপ্তাহ আগে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে তেহরানে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন ইরানের সব প্রদেশের শতাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। বিবিসি পার্সিয়ান জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন এবং অনেকে আটক হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন।
উত্তর ইরানের রাশত শহরের পোরসিনা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এক রাতে সেখানে ৭০টি মরদেহ আনা হয়। মর্গে জায়গা না থাকায় মরদেহগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়। নিহতদের পরিবার থেকে দাফনের জন্য মরদেহ ছাড়াতে অর্থ দাবি করার অভিযোগও উঠেছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে দেশজুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের জন্য ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে বলেছে, এর জবাব দেওয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ইরান ‘স্বাধীনতার দিকে এগোচ্ছে’ এবং যুক্তরাষ্ট্র সহায়তায় প্রস্তুত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন সহিংসতা দমনের নিন্দা জানিয়েছেন। জাতিসংঘ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির নেতারা যৌথ বিবৃতিতে ইরানি কর্তৃপক্ষকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সরকারের অবস্থান
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে’ জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সরকারি সম্পদ রক্ষায় তারা আরও সক্রিয় থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনের পর এটিই ইরানে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ, যা দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!