
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাময়িক যুদ্ধবিরতি চললেও এখনই সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সেনাসদস্যরা ইরানকে ঘিরে অবস্থান করবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি কোনোভাবে চুক্তি লঙ্ঘন করে, তাহলে বড় ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। তার ভাষায়, সে ক্ষেত্রে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী ও বিধ্বংসী হামলা চালানো হবে।
ট্রাম্পের দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির মূল শর্ত হলো-ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য সবসময় উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে।
মার্কিন বাহিনীর প্রস্তুতির বিষয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং তারা পরবর্তী বিজয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে, আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল, যাতে তারা আলোচনায় আরও নমনীয় অবস্থান নেয়।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাময়িক যুদ্ধবিরতি চললেও এখনই সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সেনাসদস্যরা ইরানকে ঘিরে অবস্থান করবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি কোনোভাবে চুক্তি লঙ্ঘন করে, তাহলে বড় ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। তার ভাষায়, সে ক্ষেত্রে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী ও বিধ্বংসী হামলা চালানো হবে।
ট্রাম্পের দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির মূল শর্ত হলো-ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য সবসময় উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে।
মার্কিন বাহিনীর প্রস্তুতির বিষয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং তারা পরবর্তী বিজয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে, আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল, যাতে তারা আলোচনায় আরও নমনীয় অবস্থান নেয়।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাময়িক যুদ্ধবিরতি চললেও এখনই সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সেনাসদস্যরা ইরানকে ঘিরে অবস্থান করবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি কোনোভাবে চুক্তি লঙ্ঘন করে, তাহলে বড় ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। তার ভাষায়, সে ক্ষেত্রে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী ও বিধ্বংসী হামলা চালানো হবে।
ট্রাম্পের দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির মূল শর্ত হলো-ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য সবসময় উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে।
মার্কিন বাহিনীর প্রস্তুতির বিষয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং তারা পরবর্তী বিজয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে, আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল, যাতে তারা আলোচনায় আরও নমনীয় অবস্থান নেয়।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাময়িক যুদ্ধবিরতি চললেও এখনই সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সেনাসদস্যরা ইরানকে ঘিরে অবস্থান করবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি কোনোভাবে চুক্তি লঙ্ঘন করে, তাহলে বড় ধরনের সামরিক প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। তার ভাষায়, সে ক্ষেত্রে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী ও বিধ্বংসী হামলা চালানো হবে।
ট্রাম্পের দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির মূল শর্ত হলো-ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য সবসময় উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে।
মার্কিন বাহিনীর প্রস্তুতির বিষয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং তারা পরবর্তী বিজয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে, আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল, যাতে তারা আলোচনায় আরও নমনীয় অবস্থান নেয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!