
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতির পথে না যেতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
স্থানীয় সময় সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রকাশিত অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (৫ এপ্রিল) এক ফোনালাপে নেতানিয়াহু সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতিতে গেলে তা কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরান যদি ওয়াশিংটনের নির্ধারিত শর্ত মেনে নেয়, তাহলে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের শর্তের মধ্যে রয়েছে— ইরানকে তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে এবং ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করতে হবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নেতানিয়াহু জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিমানকর্মী উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানের প্রশংসা করেছেন তিনি। ট্রাম্পও ইসরায়েলের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ট্রাম্প ইসরায়েলকে ‘অটল ও দৃঢ় মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুই দেশ একসঙ্গে ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসনকে দুর্বল করে দিচ্ছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে অঞ্চলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সংঘাতে ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১,৩৪০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে, যার মধ্যে দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-ও রয়েছেন।
অন্যদিকে ইরান পাল্টা হিসেবে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতির পথে না যেতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
স্থানীয় সময় সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রকাশিত অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (৫ এপ্রিল) এক ফোনালাপে নেতানিয়াহু সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতিতে গেলে তা কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরান যদি ওয়াশিংটনের নির্ধারিত শর্ত মেনে নেয়, তাহলে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের শর্তের মধ্যে রয়েছে— ইরানকে তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে এবং ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করতে হবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নেতানিয়াহু জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিমানকর্মী উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানের প্রশংসা করেছেন তিনি। ট্রাম্পও ইসরায়েলের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ট্রাম্প ইসরায়েলকে ‘অটল ও দৃঢ় মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুই দেশ একসঙ্গে ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসনকে দুর্বল করে দিচ্ছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে অঞ্চলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সংঘাতে ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১,৩৪০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে, যার মধ্যে দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-ও রয়েছেন।
অন্যদিকে ইরান পাল্টা হিসেবে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতির পথে না যেতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
স্থানীয় সময় সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রকাশিত অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (৫ এপ্রিল) এক ফোনালাপে নেতানিয়াহু সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতিতে গেলে তা কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরান যদি ওয়াশিংটনের নির্ধারিত শর্ত মেনে নেয়, তাহলে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের শর্তের মধ্যে রয়েছে— ইরানকে তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে এবং ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করতে হবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নেতানিয়াহু জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিমানকর্মী উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানের প্রশংসা করেছেন তিনি। ট্রাম্পও ইসরায়েলের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ট্রাম্প ইসরায়েলকে ‘অটল ও দৃঢ় মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুই দেশ একসঙ্গে ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসনকে দুর্বল করে দিচ্ছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে অঞ্চলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সংঘাতে ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১,৩৪০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে, যার মধ্যে দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-ও রয়েছেন।
অন্যদিকে ইরান পাল্টা হিসেবে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতির পথে না যেতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
স্থানীয় সময় সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রকাশিত অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (৫ এপ্রিল) এক ফোনালাপে নেতানিয়াহু সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতিতে গেলে তা কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরান যদি ওয়াশিংটনের নির্ধারিত শর্ত মেনে নেয়, তাহলে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের শর্তের মধ্যে রয়েছে— ইরানকে তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে এবং ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করতে হবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নেতানিয়াহু জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিমানকর্মী উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানের প্রশংসা করেছেন তিনি। ট্রাম্পও ইসরায়েলের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ট্রাম্প ইসরায়েলকে ‘অটল ও দৃঢ় মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দুই দেশ একসঙ্গে ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসনকে দুর্বল করে দিচ্ছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে অঞ্চলে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সংঘাতে ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১,৩৪০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে, যার মধ্যে দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-ও রয়েছেন।
অন্যদিকে ইরান পাল্টা হিসেবে ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!