
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আবারও কমেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) লেনদেনের শুরুতেই ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)—উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি এক ডলারের বেশি কমেছে। খবর রয়টার্সের।
লেনদেনের শুরুতে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডর দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৪৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে ৮৬ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে আসে, যা ২০ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৪৫ ডলার বা ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগের লেনদেনেও দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় ৮ শতাংশ কমেছিল। সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা স্থগিত করার পর থেকেই বাজারে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে ‘ইতিবাচক আলোচনা’ চলছে এবং সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগ রয়েছে। এই বক্তব্যের পর বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
বাজার বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইজির বিশ্লেষক টনি সিকামোর বলেন, সামরিক উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত পাওয়ায় বাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর অঞ্চলে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি আপাতত কমেছে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত এবং দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।
এদিকে রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসোলিনের মজুত গত সপ্তাহে আরও কমতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা কমে যাওয়াও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হ্রাসের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আবারও কমেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) লেনদেনের শুরুতেই ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)—উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি এক ডলারের বেশি কমেছে। খবর রয়টার্সের।
লেনদেনের শুরুতে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডর দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৪৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে ৮৬ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে আসে, যা ২০ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৪৫ ডলার বা ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগের লেনদেনেও দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় ৮ শতাংশ কমেছিল। সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা স্থগিত করার পর থেকেই বাজারে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে ‘ইতিবাচক আলোচনা’ চলছে এবং সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগ রয়েছে। এই বক্তব্যের পর বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
বাজার বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইজির বিশ্লেষক টনি সিকামোর বলেন, সামরিক উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত পাওয়ায় বাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর অঞ্চলে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি আপাতত কমেছে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত এবং দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।
এদিকে রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসোলিনের মজুত গত সপ্তাহে আরও কমতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা কমে যাওয়াও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হ্রাসের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আবারও কমেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) লেনদেনের শুরুতেই ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)—উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি এক ডলারের বেশি কমেছে। খবর রয়টার্সের।
লেনদেনের শুরুতে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডর দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৪৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে ৮৬ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে আসে, যা ২০ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৪৫ ডলার বা ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগের লেনদেনেও দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় ৮ শতাংশ কমেছিল। সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা স্থগিত করার পর থেকেই বাজারে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে ‘ইতিবাচক আলোচনা’ চলছে এবং সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগ রয়েছে। এই বক্তব্যের পর বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
বাজার বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইজির বিশ্লেষক টনি সিকামোর বলেন, সামরিক উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত পাওয়ায় বাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর অঞ্চলে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি আপাতত কমেছে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত এবং দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।
এদিকে রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসোলিনের মজুত গত সপ্তাহে আরও কমতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা কমে যাওয়াও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হ্রাসের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আবারও কমেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) লেনদেনের শুরুতেই ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)—উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি এক ডলারের বেশি কমেছে। খবর রয়টার্সের।
লেনদেনের শুরুতে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডর দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৪৭ ডলার বা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে ৮৬ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে আসে, যা ২০ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৪৫ ডলার বা ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগের লেনদেনেও দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় ৮ শতাংশ কমেছিল। সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা স্থগিত করার পর থেকেই বাজারে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়।
সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে ‘ইতিবাচক আলোচনা’ চলছে এবং সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগ রয়েছে। এই বক্তব্যের পর বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
বাজার বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইজির বিশ্লেষক টনি সিকামোর বলেন, সামরিক উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত পাওয়ায় বাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর অঞ্চলে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি আপাতত কমেছে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত এবং দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।
এদিকে রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসোলিনের মজুত গত সপ্তাহে আরও কমতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা কমে যাওয়াও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হ্রাসের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!