-1770631623320-698562468.webp&w=1920&q=75)
চকলেটপ্রেমিদের চলকেট খাওয়া জন্য বিশেষ দিন খুঁজে খুঁজে আবার চকলেট খেতে হবে নাকি? চকলেট খেতে ইচ্ছে করলেই টুপ করে মুখে দিতে পারেন প্রিয় স্বাদের একটি চকলেট বার।
তবে আজ আবার চকলেট নিয়ে এত আলোচনা কেন? কারণ ফেব্রুয়ারি মাসের ‘ভ্যালেন্টাইনস উইক’-এর সঙ্গে এখন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে চকলেট ডে। হ্যাঁ, আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চকলেট ডে। প্রিয়জনকে চকলেট দেওয়ার দিন আজ। ভালোবাসা দিবসের সাত দিনজুড়ে যেসব বিশেষ দিন রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম চকলেট ডে।
প্রতি বছর ৭ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘বিশ্ব চকলেট দিবস’। চকলেটের জনপ্রিয় হয়ে ওঠার ইতিহাস নিয়ে নানা মত রয়েছে। তবে অনেকের মতে, ইউরোপে পৌঁছানোর পরই এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়। ইতিহাস অনুযায়ী, ১৫৫০ সালে প্রথমবারের মতো চকলেট ইউরোপে প্রবেশ করে। সেই ঘটনাকে স্মরণ করতেই ২০০৯ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব চকলেট দিবস উদযাপন শুরু হয়।
চকলেটের উত্থান!
চকলেটের ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো। শুরুতে কোকোবীজ থেকে তৈরি হতো তেতো স্বাদের এক ধরনের পানীয়, যা তখন বেশ জনপ্রিয় ছিল। অনেক জায়গায় কোকোবীজ মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। মায়ান ও আজটেক সভ্যতায় কোকোবীজের ছিল ধর্মীয় গুরুত্বও। তারা বিশ্বাস করত, এতে এক ধরনের রহস্যময় শক্তি রয়েছে।
পরবর্তীতে স্প্যানিশদের হাত ধরে চকলেট মিষ্টি খাবার হিসেবে পরিচিতি পায়। তারাই প্রথম কোকোতে মধু ও চিনি মিশিয়ে তা সুস্বাদু করে খেতে শুরু করে। এরপর চকলেট ইউরোপে পৌঁছায় এবং ধীরে ধীরে অভিজাতদের বিলাসী খাবারে পরিণত হয়। সে সময় এটি ছিল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার প্রতীক, সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
এরপর চকলেট ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাণিজ্যিকভাবে কোকো চাষ শুরু হয়। কোকোবীজ উৎপাদনের জন্য ইউরোপীয়রা আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করে।
১৮২০ সালের দিকে কোকো প্রেস যন্ত্রের মাধ্যমে কোকোবীজ থেকে পাউডার তৈরি শুরু হয়, ফলে চকলেট আরও সহজলভ্য হয়ে ওঠে। ১৮৪৮ সালে প্রথম শক্ত চকলেট বার বাজারে আসে। তারপর থেকে নানা স্বাদ ও আকারে চকলেট মানুষের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
আজ বিশ্ব চকলেট দিবস। দিনটি উপলক্ষে প্রিয় মানুষকে চকলেট উপহার দিয়ে আনন্দটা আরও মধুর করে তুলতেই পারেন। তাহলে প্রিয়জনকে চকলেট দিচ্ছেন তো?
-1770631623320-698562468.webp&w=1920&q=75)
চকলেটপ্রেমিদের চলকেট খাওয়া জন্য বিশেষ দিন খুঁজে খুঁজে আবার চকলেট খেতে হবে নাকি? চকলেট খেতে ইচ্ছে করলেই টুপ করে মুখে দিতে পারেন প্রিয় স্বাদের একটি চকলেট বার।
তবে আজ আবার চকলেট নিয়ে এত আলোচনা কেন? কারণ ফেব্রুয়ারি মাসের ‘ভ্যালেন্টাইনস উইক’-এর সঙ্গে এখন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে চকলেট ডে। হ্যাঁ, আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চকলেট ডে। প্রিয়জনকে চকলেট দেওয়ার দিন আজ। ভালোবাসা দিবসের সাত দিনজুড়ে যেসব বিশেষ দিন রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম চকলেট ডে।
প্রতি বছর ৭ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘বিশ্ব চকলেট দিবস’। চকলেটের জনপ্রিয় হয়ে ওঠার ইতিহাস নিয়ে নানা মত রয়েছে। তবে অনেকের মতে, ইউরোপে পৌঁছানোর পরই এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়। ইতিহাস অনুযায়ী, ১৫৫০ সালে প্রথমবারের মতো চকলেট ইউরোপে প্রবেশ করে। সেই ঘটনাকে স্মরণ করতেই ২০০৯ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব চকলেট দিবস উদযাপন শুরু হয়।
চকলেটের উত্থান!
চকলেটের ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো। শুরুতে কোকোবীজ থেকে তৈরি হতো তেতো স্বাদের এক ধরনের পানীয়, যা তখন বেশ জনপ্রিয় ছিল। অনেক জায়গায় কোকোবীজ মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। মায়ান ও আজটেক সভ্যতায় কোকোবীজের ছিল ধর্মীয় গুরুত্বও। তারা বিশ্বাস করত, এতে এক ধরনের রহস্যময় শক্তি রয়েছে।
পরবর্তীতে স্প্যানিশদের হাত ধরে চকলেট মিষ্টি খাবার হিসেবে পরিচিতি পায়। তারাই প্রথম কোকোতে মধু ও চিনি মিশিয়ে তা সুস্বাদু করে খেতে শুরু করে। এরপর চকলেট ইউরোপে পৌঁছায় এবং ধীরে ধীরে অভিজাতদের বিলাসী খাবারে পরিণত হয়। সে সময় এটি ছিল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার প্রতীক, সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
এরপর চকলেট ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাণিজ্যিকভাবে কোকো চাষ শুরু হয়। কোকোবীজ উৎপাদনের জন্য ইউরোপীয়রা আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করে।
১৮২০ সালের দিকে কোকো প্রেস যন্ত্রের মাধ্যমে কোকোবীজ থেকে পাউডার তৈরি শুরু হয়, ফলে চকলেট আরও সহজলভ্য হয়ে ওঠে। ১৮৪৮ সালে প্রথম শক্ত চকলেট বার বাজারে আসে। তারপর থেকে নানা স্বাদ ও আকারে চকলেট মানুষের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
আজ বিশ্ব চকলেট দিবস। দিনটি উপলক্ষে প্রিয় মানুষকে চকলেট উপহার দিয়ে আনন্দটা আরও মধুর করে তুলতেই পারেন। তাহলে প্রিয়জনকে চকলেট দিচ্ছেন তো?
-1770631623320-698562468.webp&w=1920&q=75)
চকলেটপ্রেমিদের চলকেট খাওয়া জন্য বিশেষ দিন খুঁজে খুঁজে আবার চকলেট খেতে হবে নাকি? চকলেট খেতে ইচ্ছে করলেই টুপ করে মুখে দিতে পারেন প্রিয় স্বাদের একটি চকলেট বার।
তবে আজ আবার চকলেট নিয়ে এত আলোচনা কেন? কারণ ফেব্রুয়ারি মাসের ‘ভ্যালেন্টাইনস উইক’-এর সঙ্গে এখন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে চকলেট ডে। হ্যাঁ, আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চকলেট ডে। প্রিয়জনকে চকলেট দেওয়ার দিন আজ। ভালোবাসা দিবসের সাত দিনজুড়ে যেসব বিশেষ দিন রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম চকলেট ডে।
প্রতি বছর ৭ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘বিশ্ব চকলেট দিবস’। চকলেটের জনপ্রিয় হয়ে ওঠার ইতিহাস নিয়ে নানা মত রয়েছে। তবে অনেকের মতে, ইউরোপে পৌঁছানোর পরই এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়। ইতিহাস অনুযায়ী, ১৫৫০ সালে প্রথমবারের মতো চকলেট ইউরোপে প্রবেশ করে। সেই ঘটনাকে স্মরণ করতেই ২০০৯ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব চকলেট দিবস উদযাপন শুরু হয়।
চকলেটের উত্থান!
চকলেটের ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো। শুরুতে কোকোবীজ থেকে তৈরি হতো তেতো স্বাদের এক ধরনের পানীয়, যা তখন বেশ জনপ্রিয় ছিল। অনেক জায়গায় কোকোবীজ মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। মায়ান ও আজটেক সভ্যতায় কোকোবীজের ছিল ধর্মীয় গুরুত্বও। তারা বিশ্বাস করত, এতে এক ধরনের রহস্যময় শক্তি রয়েছে।
পরবর্তীতে স্প্যানিশদের হাত ধরে চকলেট মিষ্টি খাবার হিসেবে পরিচিতি পায়। তারাই প্রথম কোকোতে মধু ও চিনি মিশিয়ে তা সুস্বাদু করে খেতে শুরু করে। এরপর চকলেট ইউরোপে পৌঁছায় এবং ধীরে ধীরে অভিজাতদের বিলাসী খাবারে পরিণত হয়। সে সময় এটি ছিল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার প্রতীক, সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
এরপর চকলেট ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাণিজ্যিকভাবে কোকো চাষ শুরু হয়। কোকোবীজ উৎপাদনের জন্য ইউরোপীয়রা আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করে।
১৮২০ সালের দিকে কোকো প্রেস যন্ত্রের মাধ্যমে কোকোবীজ থেকে পাউডার তৈরি শুরু হয়, ফলে চকলেট আরও সহজলভ্য হয়ে ওঠে। ১৮৪৮ সালে প্রথম শক্ত চকলেট বার বাজারে আসে। তারপর থেকে নানা স্বাদ ও আকারে চকলেট মানুষের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
আজ বিশ্ব চকলেট দিবস। দিনটি উপলক্ষে প্রিয় মানুষকে চকলেট উপহার দিয়ে আনন্দটা আরও মধুর করে তুলতেই পারেন। তাহলে প্রিয়জনকে চকলেট দিচ্ছেন তো?
-1770631623320-698562468.webp&w=1920&q=75)
চকলেটপ্রেমিদের চলকেট খাওয়া জন্য বিশেষ দিন খুঁজে খুঁজে আবার চকলেট খেতে হবে নাকি? চকলেট খেতে ইচ্ছে করলেই টুপ করে মুখে দিতে পারেন প্রিয় স্বাদের একটি চকলেট বার।
তবে আজ আবার চকলেট নিয়ে এত আলোচনা কেন? কারণ ফেব্রুয়ারি মাসের ‘ভ্যালেন্টাইনস উইক’-এর সঙ্গে এখন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে চকলেট ডে। হ্যাঁ, আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চকলেট ডে। প্রিয়জনকে চকলেট দেওয়ার দিন আজ। ভালোবাসা দিবসের সাত দিনজুড়ে যেসব বিশেষ দিন রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম চকলেট ডে।
প্রতি বছর ৭ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘বিশ্ব চকলেট দিবস’। চকলেটের জনপ্রিয় হয়ে ওঠার ইতিহাস নিয়ে নানা মত রয়েছে। তবে অনেকের মতে, ইউরোপে পৌঁছানোর পরই এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়। ইতিহাস অনুযায়ী, ১৫৫০ সালে প্রথমবারের মতো চকলেট ইউরোপে প্রবেশ করে। সেই ঘটনাকে স্মরণ করতেই ২০০৯ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব চকলেট দিবস উদযাপন শুরু হয়।
চকলেটের উত্থান!
চকলেটের ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো। শুরুতে কোকোবীজ থেকে তৈরি হতো তেতো স্বাদের এক ধরনের পানীয়, যা তখন বেশ জনপ্রিয় ছিল। অনেক জায়গায় কোকোবীজ মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। মায়ান ও আজটেক সভ্যতায় কোকোবীজের ছিল ধর্মীয় গুরুত্বও। তারা বিশ্বাস করত, এতে এক ধরনের রহস্যময় শক্তি রয়েছে।
পরবর্তীতে স্প্যানিশদের হাত ধরে চকলেট মিষ্টি খাবার হিসেবে পরিচিতি পায়। তারাই প্রথম কোকোতে মধু ও চিনি মিশিয়ে তা সুস্বাদু করে খেতে শুরু করে। এরপর চকলেট ইউরোপে পৌঁছায় এবং ধীরে ধীরে অভিজাতদের বিলাসী খাবারে পরিণত হয়। সে সময় এটি ছিল ধন-সম্পদ ও ক্ষমতার প্রতীক, সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
এরপর চকলেট ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাণিজ্যিকভাবে কোকো চাষ শুরু হয়। কোকোবীজ উৎপাদনের জন্য ইউরোপীয়রা আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করে।
১৮২০ সালের দিকে কোকো প্রেস যন্ত্রের মাধ্যমে কোকোবীজ থেকে পাউডার তৈরি শুরু হয়, ফলে চকলেট আরও সহজলভ্য হয়ে ওঠে। ১৮৪৮ সালে প্রথম শক্ত চকলেট বার বাজারে আসে। তারপর থেকে নানা স্বাদ ও আকারে চকলেট মানুষের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
আজ বিশ্ব চকলেট দিবস। দিনটি উপলক্ষে প্রিয় মানুষকে চকলেট উপহার দিয়ে আনন্দটা আরও মধুর করে তুলতেই পারেন। তাহলে প্রিয়জনকে চকলেট দিচ্ছেন তো?
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!