মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যতে আর অটোপাসের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা থেকেও বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়ন নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।
মঙ্গলবার আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে। পরীক্ষা চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্ন-সংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দেন তিনি। নকল প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে দেহ তল্লাশি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদারেরও নির্দেশ দেন তিনি। এমনকি কেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হবে বলে সতর্ক করেন।
এ ছাড়া নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় উদ্বুদ্ধকরণ সভা আয়োজনের কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, যেসব জেলায় সরকারি জিলা স্কুল নেই, সেখানে নতুন জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব স্কুল প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যতে আর অটোপাসের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা থেকেও বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়ন নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।
মঙ্গলবার আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে। পরীক্ষা চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্ন-সংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দেন তিনি। নকল প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে দেহ তল্লাশি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদারেরও নির্দেশ দেন তিনি। এমনকি কেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হবে বলে সতর্ক করেন।
এ ছাড়া নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় উদ্বুদ্ধকরণ সভা আয়োজনের কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, যেসব জেলায় সরকারি জিলা স্কুল নেই, সেখানে নতুন জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব স্কুল প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যতে আর অটোপাসের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা থেকেও বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়ন নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।
মঙ্গলবার আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে। পরীক্ষা চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্ন-সংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দেন তিনি। নকল প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে দেহ তল্লাশি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদারেরও নির্দেশ দেন তিনি। এমনকি কেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হবে বলে সতর্ক করেন।
এ ছাড়া নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় উদ্বুদ্ধকরণ সভা আয়োজনের কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, যেসব জেলায় সরকারি জিলা স্কুল নেই, সেখানে নতুন জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব স্কুল প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার পদ্ধতিতে পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যতে আর অটোপাসের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা থেকেও বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়ন নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।
মঙ্গলবার আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে। পরীক্ষা চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্ন-সংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দেন তিনি। নকল প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে দেহ তল্লাশি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদারেরও নির্দেশ দেন তিনি। এমনকি কেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হবে বলে সতর্ক করেন।
এ ছাড়া নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় উদ্বুদ্ধকরণ সভা আয়োজনের কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, যেসব জেলায় সরকারি জিলা স্কুল নেই, সেখানে নতুন জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব স্কুল প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!