
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খালের খনন কার্যক্রমে তিনি সরাসরি অংশ নেন।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে পৌঁছান। পরে সড়ক পথে কর্মসূচি স্থলে যান এবং নিজে কোদাল হাতে খাল খননে অংশ নেন।
স্থানীয়রা বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানির সমস্যার সমাধান হবে এবং কৃষি কাজে সহায়তা মিলবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি কার্যকর হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পূর্ববর্তী সফল উদ্যোগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আধুনিক ও টেকসইভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে দেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খালের খনন কার্যক্রমে তিনি সরাসরি অংশ নেন।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে পৌঁছান। পরে সড়ক পথে কর্মসূচি স্থলে যান এবং নিজে কোদাল হাতে খাল খননে অংশ নেন।
স্থানীয়রা বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানির সমস্যার সমাধান হবে এবং কৃষি কাজে সহায়তা মিলবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি কার্যকর হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পূর্ববর্তী সফল উদ্যোগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আধুনিক ও টেকসইভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে দেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খালের খনন কার্যক্রমে তিনি সরাসরি অংশ নেন।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে পৌঁছান। পরে সড়ক পথে কর্মসূচি স্থলে যান এবং নিজে কোদাল হাতে খাল খননে অংশ নেন।
স্থানীয়রা বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানির সমস্যার সমাধান হবে এবং কৃষি কাজে সহায়তা মিলবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি কার্যকর হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পূর্ববর্তী সফল উদ্যোগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আধুনিক ও টেকসইভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে দেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খালের খনন কার্যক্রমে তিনি সরাসরি অংশ নেন।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে পৌঁছান। পরে সড়ক পথে কর্মসূচি স্থলে যান এবং নিজে কোদাল হাতে খাল খননে অংশ নেন।
স্থানীয়রা বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানির সমস্যার সমাধান হবে এবং কৃষি কাজে সহায়তা মিলবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় এই কর্মসূচি কার্যকর হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পূর্ববর্তী সফল উদ্যোগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আধুনিক ও টেকসইভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে দেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!