
সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে কলকাতার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক শেষে দলীয় পরিষদীয় নেতা হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
শনিবার (৯ মে) কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার শপথ নেবে।
টানটান উত্তেজনার মধ্যে শুক্রবার দুপুরে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী পর্যবেক্ষক ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। বৈঠকে মোট আটটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং সব প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর।
দ্বিতীয় প্রস্তাব দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হলেও অন্য কোনো নাম আসেনি। এরপরই বিজয়ী সব বিধায়কের উপস্থিতিতে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করা হয়।
অমিত শাহ বলেন, “পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আটটি প্রস্তাব এসেছে এবং সবগুলোতেই একটি নাম ছিল। দ্বিতীয় নামের জন্যও পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আর কোনো নাম আসেনি। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হবেন শুভেন্দু অধিকারী।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা হলেও দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন শুভেন্দু। তাকে নিয়ে দলের ভেতরে কোনো দ্বিমত ছিল না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরপর দুইবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনী লড়াইয়ে পরাজিত করার বিষয়টি তার পক্ষে বড় ভূমিকা রেখেছে। দ্বিতীয়বার মমতার নিজ আসন ভবানীপুরেও জয় পান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সমর্থনও শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে কাজ করেছে।

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে কলকাতার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক শেষে দলীয় পরিষদীয় নেতা হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
শনিবার (৯ মে) কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার শপথ নেবে।
টানটান উত্তেজনার মধ্যে শুক্রবার দুপুরে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী পর্যবেক্ষক ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। বৈঠকে মোট আটটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং সব প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর।
দ্বিতীয় প্রস্তাব দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হলেও অন্য কোনো নাম আসেনি। এরপরই বিজয়ী সব বিধায়কের উপস্থিতিতে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করা হয়।
অমিত শাহ বলেন, “পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আটটি প্রস্তাব এসেছে এবং সবগুলোতেই একটি নাম ছিল। দ্বিতীয় নামের জন্যও পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আর কোনো নাম আসেনি। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হবেন শুভেন্দু অধিকারী।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা হলেও দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন শুভেন্দু। তাকে নিয়ে দলের ভেতরে কোনো দ্বিমত ছিল না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরপর দুইবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনী লড়াইয়ে পরাজিত করার বিষয়টি তার পক্ষে বড় ভূমিকা রেখেছে। দ্বিতীয়বার মমতার নিজ আসন ভবানীপুরেও জয় পান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সমর্থনও শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে কাজ করেছে।

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে কলকাতার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক শেষে দলীয় পরিষদীয় নেতা হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
শনিবার (৯ মে) কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার শপথ নেবে।
টানটান উত্তেজনার মধ্যে শুক্রবার দুপুরে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী পর্যবেক্ষক ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। বৈঠকে মোট আটটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং সব প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর।
দ্বিতীয় প্রস্তাব দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হলেও অন্য কোনো নাম আসেনি। এরপরই বিজয়ী সব বিধায়কের উপস্থিতিতে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করা হয়।
অমিত শাহ বলেন, “পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আটটি প্রস্তাব এসেছে এবং সবগুলোতেই একটি নাম ছিল। দ্বিতীয় নামের জন্যও পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আর কোনো নাম আসেনি। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হবেন শুভেন্দু অধিকারী।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা হলেও দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন শুভেন্দু। তাকে নিয়ে দলের ভেতরে কোনো দ্বিমত ছিল না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরপর দুইবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনী লড়াইয়ে পরাজিত করার বিষয়টি তার পক্ষে বড় ভূমিকা রেখেছে। দ্বিতীয়বার মমতার নিজ আসন ভবানীপুরেও জয় পান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সমর্থনও শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে কাজ করেছে।

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে কলকাতার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক শেষে দলীয় পরিষদীয় নেতা হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
শনিবার (৯ মে) কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার শপথ নেবে।
টানটান উত্তেজনার মধ্যে শুক্রবার দুপুরে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী পর্যবেক্ষক ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি। বৈঠকে মোট আটটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং সব প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর।
দ্বিতীয় প্রস্তাব দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হলেও অন্য কোনো নাম আসেনি। এরপরই বিজয়ী সব বিধায়কের উপস্থিতিতে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করা হয়।
অমিত শাহ বলেন, “পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আটটি প্রস্তাব এসেছে এবং সবগুলোতেই একটি নাম ছিল। দ্বিতীয় নামের জন্যও পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আর কোনো নাম আসেনি। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হবেন শুভেন্দু অধিকারী।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা হলেও দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন শুভেন্দু। তাকে নিয়ে দলের ভেতরে কোনো দ্বিমত ছিল না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরপর দুইবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনী লড়াইয়ে পরাজিত করার বিষয়টি তার পক্ষে বড় ভূমিকা রেখেছে। দ্বিতীয়বার মমতার নিজ আসন ভবানীপুরেও জয় পান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সমর্থনও শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে কাজ করেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!