দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে এবং আরও দুটি জাহাজ তেল নিয়ে আসছে। তাই জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্রে অযথা ভিড় না করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। অযথা লাইনে দাঁড়িয়ে ভিড় না করার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ জানান।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দিনে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। এ ধরনের আতঙ্ক দূর করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। কেউ যাতে অযথা তেল মজুত করতে না পারেন, সে বিষয়ে নজরদারি জোরদার করা হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা স্বাভাবিকভাবেই চাপ তৈরি করছে। তবে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভব হলে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করবে।
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে এবং আরও দুটি জাহাজ তেল নিয়ে আসছে। তাই জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্রে অযথা ভিড় না করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। অযথা লাইনে দাঁড়িয়ে ভিড় না করার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ জানান।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দিনে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। এ ধরনের আতঙ্ক দূর করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। কেউ যাতে অযথা তেল মজুত করতে না পারেন, সে বিষয়ে নজরদারি জোরদার করা হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা স্বাভাবিকভাবেই চাপ তৈরি করছে। তবে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভব হলে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করবে।
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে এবং আরও দুটি জাহাজ তেল নিয়ে আসছে। তাই জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্রে অযথা ভিড় না করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। অযথা লাইনে দাঁড়িয়ে ভিড় না করার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ জানান।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দিনে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। এ ধরনের আতঙ্ক দূর করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। কেউ যাতে অযথা তেল মজুত করতে না পারেন, সে বিষয়ে নজরদারি জোরদার করা হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা স্বাভাবিকভাবেই চাপ তৈরি করছে। তবে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভব হলে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করবে।
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত তেলের মজুত রয়েছে এবং আরও দুটি জাহাজ তেল নিয়ে আসছে। তাই জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্রে অযথা ভিড় না করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। অযথা লাইনে দাঁড়িয়ে ভিড় না করার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ জানান।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দিনে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। এ ধরনের আতঙ্ক দূর করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। কেউ যাতে অযথা তেল মজুত করতে না পারেন, সে বিষয়ে নজরদারি জোরদার করা হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা স্বাভাবিকভাবেই চাপ তৈরি করছে। তবে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভব হলে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!