দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ঢাকার পাশাপাশি ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকাতেও একই দিন থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি ভিত্তিতে এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। এছাড়া আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে দেশের অবশিষ্ট সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে হামের টিকা প্রদান করা হবে।
টিকা সংগ্রহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার সরাসরি কোনো কোম্পানি থেকে নয়, বরং ইউনিসেফের মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও গ্যাভির সহায়তায় টিকা সংগ্রহ করছে। করোনাকালে সাশ্রয় হওয়া ৬০৪ কোটি টাকা দিয়ে অতিরিক্ত টিকা কেনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ঘাটতি না থাকে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত কয়েক বছরে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় কিছু ত্রুটির কারণে দেশে হামের প্রকোপ বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠপর্যায়ের সব স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং কার্যক্রমে নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ঢাকার পাশাপাশি ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকাতেও একই দিন থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি ভিত্তিতে এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। এছাড়া আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে দেশের অবশিষ্ট সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে হামের টিকা প্রদান করা হবে।
টিকা সংগ্রহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার সরাসরি কোনো কোম্পানি থেকে নয়, বরং ইউনিসেফের মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও গ্যাভির সহায়তায় টিকা সংগ্রহ করছে। করোনাকালে সাশ্রয় হওয়া ৬০৪ কোটি টাকা দিয়ে অতিরিক্ত টিকা কেনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ঘাটতি না থাকে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত কয়েক বছরে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় কিছু ত্রুটির কারণে দেশে হামের প্রকোপ বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠপর্যায়ের সব স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং কার্যক্রমে নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ঢাকার পাশাপাশি ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকাতেও একই দিন থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি ভিত্তিতে এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। এছাড়া আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে দেশের অবশিষ্ট সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে হামের টিকা প্রদান করা হবে।
টিকা সংগ্রহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার সরাসরি কোনো কোম্পানি থেকে নয়, বরং ইউনিসেফের মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও গ্যাভির সহায়তায় টিকা সংগ্রহ করছে। করোনাকালে সাশ্রয় হওয়া ৬০৪ কোটি টাকা দিয়ে অতিরিক্ত টিকা কেনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ঘাটতি না থাকে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত কয়েক বছরে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় কিছু ত্রুটির কারণে দেশে হামের প্রকোপ বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠপর্যায়ের সব স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং কার্যক্রমে নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ঢাকার পাশাপাশি ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকাতেও একই দিন থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি ভিত্তিতে এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। এছাড়া আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে দেশের অবশিষ্ট সব জেলা ও উপজেলায় একযোগে হামের টিকা প্রদান করা হবে।
টিকা সংগ্রহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার সরাসরি কোনো কোম্পানি থেকে নয়, বরং ইউনিসেফের মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও গ্যাভির সহায়তায় টিকা সংগ্রহ করছে। করোনাকালে সাশ্রয় হওয়া ৬০৪ কোটি টাকা দিয়ে অতিরিক্ত টিকা কেনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ঘাটতি না থাকে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত কয়েক বছরে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় কিছু ত্রুটির কারণে দেশে হামের প্রকোপ বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠপর্যায়ের সব স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং কার্যক্রমে নিবিড় তদারকি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!