রাজধানী ঢাকা-র গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চান প্রধানমন্ত্রী। এ তথ্য জানিয়েছেন শামসুল হক, যিনি সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণপরিবহনকে জনবান্ধব ও সুশৃঙ্খল করার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বর্তমান গণপরিবহন ব্যবস্থায় নারীদের নিরাপত্তা ও সেবার সুযোগ সীমিত, যা সমাধান করা প্রয়োজন।
অধ্যাপক শামসুল হক জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ রয়েছে মেট্রো রেলের পাশাপাশি লাইট রেল, মনোরেল, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ইলেকট্রিক বাস চালুর মাধ্যমে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে নারীদের জন্য ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক পাইলট প্রকল্প চালুর সম্ভাবনাও আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকার পূর্বাঞ্চলসহ অনেক এলাকায় পর্যাপ্ত বাস সেবা নেই, ফলে নাগরিকরা গণপরিবহন থেকে বঞ্চিত হন। মেট্রোর পাশাপাশি বিকল্প ও সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তুললে পরিবহন সেবা আরও বিস্তৃত হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-এর বিশেষজ্ঞরাও। তাদের মতে, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল করতে নিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন, যাতে নগরবাসী নিরাপদ ও সহজে যাতায়াত করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শহরের বিকেন্দ্রীকরণ হলে ঢাকার ওপর জনচাপ কমবে এবং নাগরিক সেবা বাড়বে।
রাজধানী ঢাকা-র গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চান প্রধানমন্ত্রী। এ তথ্য জানিয়েছেন শামসুল হক, যিনি সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণপরিবহনকে জনবান্ধব ও সুশৃঙ্খল করার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বর্তমান গণপরিবহন ব্যবস্থায় নারীদের নিরাপত্তা ও সেবার সুযোগ সীমিত, যা সমাধান করা প্রয়োজন।
অধ্যাপক শামসুল হক জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ রয়েছে মেট্রো রেলের পাশাপাশি লাইট রেল, মনোরেল, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ইলেকট্রিক বাস চালুর মাধ্যমে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে নারীদের জন্য ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক পাইলট প্রকল্প চালুর সম্ভাবনাও আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকার পূর্বাঞ্চলসহ অনেক এলাকায় পর্যাপ্ত বাস সেবা নেই, ফলে নাগরিকরা গণপরিবহন থেকে বঞ্চিত হন। মেট্রোর পাশাপাশি বিকল্প ও সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তুললে পরিবহন সেবা আরও বিস্তৃত হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-এর বিশেষজ্ঞরাও। তাদের মতে, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল করতে নিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন, যাতে নগরবাসী নিরাপদ ও সহজে যাতায়াত করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শহরের বিকেন্দ্রীকরণ হলে ঢাকার ওপর জনচাপ কমবে এবং নাগরিক সেবা বাড়বে।
রাজধানী ঢাকা-র গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চান প্রধানমন্ত্রী। এ তথ্য জানিয়েছেন শামসুল হক, যিনি সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণপরিবহনকে জনবান্ধব ও সুশৃঙ্খল করার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বর্তমান গণপরিবহন ব্যবস্থায় নারীদের নিরাপত্তা ও সেবার সুযোগ সীমিত, যা সমাধান করা প্রয়োজন।
অধ্যাপক শামসুল হক জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ রয়েছে মেট্রো রেলের পাশাপাশি লাইট রেল, মনোরেল, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ইলেকট্রিক বাস চালুর মাধ্যমে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে নারীদের জন্য ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক পাইলট প্রকল্প চালুর সম্ভাবনাও আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকার পূর্বাঞ্চলসহ অনেক এলাকায় পর্যাপ্ত বাস সেবা নেই, ফলে নাগরিকরা গণপরিবহন থেকে বঞ্চিত হন। মেট্রোর পাশাপাশি বিকল্প ও সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তুললে পরিবহন সেবা আরও বিস্তৃত হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-এর বিশেষজ্ঞরাও। তাদের মতে, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল করতে নিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন, যাতে নগরবাসী নিরাপদ ও সহজে যাতায়াত করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শহরের বিকেন্দ্রীকরণ হলে ঢাকার ওপর জনচাপ কমবে এবং নাগরিক সেবা বাড়বে।
রাজধানী ঢাকা-র গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চান প্রধানমন্ত্রী। এ তথ্য জানিয়েছেন শামসুল হক, যিনি সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণপরিবহনকে জনবান্ধব ও সুশৃঙ্খল করার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বর্তমান গণপরিবহন ব্যবস্থায় নারীদের নিরাপত্তা ও সেবার সুযোগ সীমিত, যা সমাধান করা প্রয়োজন।
অধ্যাপক শামসুল হক জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ রয়েছে মেট্রো রেলের পাশাপাশি লাইট রেল, মনোরেল, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি ও ইলেকট্রিক বাস চালুর মাধ্যমে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে নারীদের জন্য ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক পাইলট প্রকল্প চালুর সম্ভাবনাও আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকার পূর্বাঞ্চলসহ অনেক এলাকায় পর্যাপ্ত বাস সেবা নেই, ফলে নাগরিকরা গণপরিবহন থেকে বঞ্চিত হন। মেট্রোর পাশাপাশি বিকল্প ও সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তুললে পরিবহন সেবা আরও বিস্তৃত হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-এর বিশেষজ্ঞরাও। তাদের মতে, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল করতে নিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন, যাতে নগরবাসী নিরাপদ ও সহজে যাতায়াত করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও শহরের বিকেন্দ্রীকরণ হলে ঢাকার ওপর জনচাপ কমবে এবং নাগরিক সেবা বাড়বে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!