
ইরানের পাল্টা হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাত-এ এক বাংলাদেশিসহ তিনজন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। নিহত বাংলাদেশির নাম সালেহ আহমেদ। তিনি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা এলাকার ছবর আলীর ছেলে।
রোববার (১ মার্চ) রাতে তার চাচাতো ভাই, আমিরাতপ্রবাসী মাহবুব আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে আমিরাতে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইফতারের পর কাজে বের হওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে মাহবুব আলম চৌধুরী বলেন, ইফতার শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সালেহ আহমেদ জরুরি খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের কাজে বের হন। তার সঙ্গে আরও একজন সহকর্মী ছিলেন। হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায় এবং মুহূর্তেই বিকট শব্দে আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে। পরে দেখা যায়, সালেহ আহমেদ গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠায়। রোববার সকালে সালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। তবে এ বিষয়ে এখনো আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
নিহত সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কর্মরত ছিলেন। দেশে তার মা, স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।
মাহবুব আলম চৌধুরী জানান, ইফতারের পর তার সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরই হামলার খবর পান। তিনি দ্রুত মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান খান নিহত সালেহ আহমেদের পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইরানের পাল্টা হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাত-এ এক বাংলাদেশিসহ তিনজন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। নিহত বাংলাদেশির নাম সালেহ আহমেদ। তিনি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা এলাকার ছবর আলীর ছেলে।
রোববার (১ মার্চ) রাতে তার চাচাতো ভাই, আমিরাতপ্রবাসী মাহবুব আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে আমিরাতে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইফতারের পর কাজে বের হওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে মাহবুব আলম চৌধুরী বলেন, ইফতার শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সালেহ আহমেদ জরুরি খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের কাজে বের হন। তার সঙ্গে আরও একজন সহকর্মী ছিলেন। হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায় এবং মুহূর্তেই বিকট শব্দে আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে। পরে দেখা যায়, সালেহ আহমেদ গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠায়। রোববার সকালে সালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। তবে এ বিষয়ে এখনো আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
নিহত সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কর্মরত ছিলেন। দেশে তার মা, স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।
মাহবুব আলম চৌধুরী জানান, ইফতারের পর তার সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরই হামলার খবর পান। তিনি দ্রুত মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান খান নিহত সালেহ আহমেদের পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইরানের পাল্টা হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাত-এ এক বাংলাদেশিসহ তিনজন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। নিহত বাংলাদেশির নাম সালেহ আহমেদ। তিনি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা এলাকার ছবর আলীর ছেলে।
রোববার (১ মার্চ) রাতে তার চাচাতো ভাই, আমিরাতপ্রবাসী মাহবুব আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে আমিরাতে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইফতারের পর কাজে বের হওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে মাহবুব আলম চৌধুরী বলেন, ইফতার শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সালেহ আহমেদ জরুরি খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের কাজে বের হন। তার সঙ্গে আরও একজন সহকর্মী ছিলেন। হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায় এবং মুহূর্তেই বিকট শব্দে আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে। পরে দেখা যায়, সালেহ আহমেদ গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠায়। রোববার সকালে সালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। তবে এ বিষয়ে এখনো আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
নিহত সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কর্মরত ছিলেন। দেশে তার মা, স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।
মাহবুব আলম চৌধুরী জানান, ইফতারের পর তার সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরই হামলার খবর পান। তিনি দ্রুত মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান খান নিহত সালেহ আহমেদের পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইরানের পাল্টা হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাত-এ এক বাংলাদেশিসহ তিনজন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। নিহত বাংলাদেশির নাম সালেহ আহমেদ। তিনি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা এলাকার ছবর আলীর ছেলে।
রোববার (১ মার্চ) রাতে তার চাচাতো ভাই, আমিরাতপ্রবাসী মাহবুব আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে আমিরাতে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইফতারের পর কাজে বের হওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে মাহবুব আলম চৌধুরী বলেন, ইফতার শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সালেহ আহমেদ জরুরি খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের কাজে বের হন। তার সঙ্গে আরও একজন সহকর্মী ছিলেন। হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায় এবং মুহূর্তেই বিকট শব্দে আশপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে। পরে দেখা যায়, সালেহ আহমেদ গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠায়। রোববার সকালে সালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। তবে এ বিষয়ে এখনো আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
নিহত সালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে কর্মরত ছিলেন। দেশে তার মা, স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।
মাহবুব আলম চৌধুরী জানান, ইফতারের পর তার সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়েছিল। কিছুক্ষণ পরই হামলার খবর পান। তিনি দ্রুত মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান খান নিহত সালেহ আহমেদের পরিচয় ও পারিবারিক তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!