মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘নো কিংস’ নামের এ কর্মসূচিকে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ প্রতিবাদে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন আয়োজকরা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার অনুষ্ঠিতব্য এই বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য।
আয়োজকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে তিন হাজারের বেশি বিক্ষোভের নিবন্ধন হয়েছে এবং এতে ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারেন।
মিনেসোটার সেন্ট পলে অবস্থিত ক্যাপিটল প্রাঙ্গণে প্রধান সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, সেখানে এক লাখের বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে।
এই কর্মসূচিতে সংগীতশিল্পী ব্রুস স্প্রিংস্টিন গান পরিবেশন করবেন। এছাড়া গায়িকা জোয়ান বায়েজ, অভিনেত্রী জেন ফন্ডা এবং সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
আয়োজকদের মতে, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রতিবাদ এবং প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনমত প্রকাশের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউস এ বিক্ষোভকে ‘বামপন্থি অর্থায়নকারী নেটওয়ার্কের’ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এর পেছনে সাধারণ জনগণের প্রকৃত সমর্থন নেই।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘নো কিংস’ নামের এ কর্মসূচিকে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ প্রতিবাদে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন আয়োজকরা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার অনুষ্ঠিতব্য এই বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য।
আয়োজকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে তিন হাজারের বেশি বিক্ষোভের নিবন্ধন হয়েছে এবং এতে ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারেন।
মিনেসোটার সেন্ট পলে অবস্থিত ক্যাপিটল প্রাঙ্গণে প্রধান সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, সেখানে এক লাখের বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে।
এই কর্মসূচিতে সংগীতশিল্পী ব্রুস স্প্রিংস্টিন গান পরিবেশন করবেন। এছাড়া গায়িকা জোয়ান বায়েজ, অভিনেত্রী জেন ফন্ডা এবং সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
আয়োজকদের মতে, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রতিবাদ এবং প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনমত প্রকাশের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউস এ বিক্ষোভকে ‘বামপন্থি অর্থায়নকারী নেটওয়ার্কের’ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এর পেছনে সাধারণ জনগণের প্রকৃত সমর্থন নেই।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘নো কিংস’ নামের এ কর্মসূচিকে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ প্রতিবাদে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন আয়োজকরা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার অনুষ্ঠিতব্য এই বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য।
আয়োজকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে তিন হাজারের বেশি বিক্ষোভের নিবন্ধন হয়েছে এবং এতে ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারেন।
মিনেসোটার সেন্ট পলে অবস্থিত ক্যাপিটল প্রাঙ্গণে প্রধান সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, সেখানে এক লাখের বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে।
এই কর্মসূচিতে সংগীতশিল্পী ব্রুস স্প্রিংস্টিন গান পরিবেশন করবেন। এছাড়া গায়িকা জোয়ান বায়েজ, অভিনেত্রী জেন ফন্ডা এবং সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
আয়োজকদের মতে, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রতিবাদ এবং প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনমত প্রকাশের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউস এ বিক্ষোভকে ‘বামপন্থি অর্থায়নকারী নেটওয়ার্কের’ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এর পেছনে সাধারণ জনগণের প্রকৃত সমর্থন নেই।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘নো কিংস’ নামের এ কর্মসূচিকে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ প্রতিবাদে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন আয়োজকরা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার অনুষ্ঠিতব্য এই বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য।
আয়োজকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে তিন হাজারের বেশি বিক্ষোভের নিবন্ধন হয়েছে এবং এতে ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারেন।
মিনেসোটার সেন্ট পলে অবস্থিত ক্যাপিটল প্রাঙ্গণে প্রধান সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, সেখানে এক লাখের বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে।
এই কর্মসূচিতে সংগীতশিল্পী ব্রুস স্প্রিংস্টিন গান পরিবেশন করবেন। এছাড়া গায়িকা জোয়ান বায়েজ, অভিনেত্রী জেন ফন্ডা এবং সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
আয়োজকদের মতে, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রতিবাদ এবং প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনমত প্রকাশের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউস এ বিক্ষোভকে ‘বামপন্থি অর্থায়নকারী নেটওয়ার্কের’ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছে, এর পেছনে সাধারণ জনগণের প্রকৃত সমর্থন নেই।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!