-1773510971746-171434058.webp&w=1920&q=75)
মানবদেহে অসংখ্য হাড় রয়েছে এবং কখনও কখনও এসব হাড়ে অতিরিক্ত হাড় গজাতে পারে। পায়ের ক্ষেত্রে এ ধরনের অতিরিক্ত হাড় ক্যালকেনিয়াম বা গোড়ালির হাড়ে দেখা যায়। গোড়ালির নিচে বা পেছনে যে অতিরিক্ত হাড় তৈরি হয়, তাকে ক্যালকেনিয়াম স্পার বা হিল স্পার বলে। ক্যালকেনিয়াম পায়ের সবচেয়ে বড় হাড়। মানুষ দাঁড়ালে বা হাঁটলে এ হাড়ই প্রথম মাটির সংস্পর্শে আসে এবং শরীরের পুরো ওজন বহন করে। ফলে সামান্য চাপেও এ হাড়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
অতিরিক্ত হাড় হওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। শক্ত জুতা পরিধান করলে গোড়ালিতে অস্বাভাবিক চাপ পড়ে এবং স্পার তৈরি হতে পারে। পায়ের পেশি দুর্বল হলে শরীরের ওজনের চাপ সরাসরি পায়ের ওপর পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে প্লান্টার ফাসিয়া ও টেনডনের প্রদাহ থাকলেও গোড়ালিতে অতিরিক্ত হাড় গজাতে পারে। যাদের শরীরে অতিরিক্ত ওজন রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যার ঝুঁকি বেশি। এছাড়া রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা অস্টিওআর্থ্রাইটিসের কারণেও হিল স্পার দেখা যায়।
হিল স্পারের প্রধান উপসর্গ হলো গোড়ালিতে ব্যথা। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা দীর্ঘ সময় বসে থাকার পর প্রথম পা ফেলতে গেলে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করলে ব্যথা ধীরে ধীরে কমে আসে। বিশ্রামের সময় সাধারণত ব্যথা থাকে না। অনেক সময় পায়ে ভর দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত হাড় পেশি, টেনডন, ফাসিয়া, রক্তনালি ও স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে ট্র্যাকশন ইনজুরি ঘটাতে পারে। ফলে ব্যথা ও টিস্যু জমে থাকার মতো সমস্যা দেখা দেয়। কখনও কখনও পায়ের তলা লাল হয়ে যায়, হিলপ্যাড শুকিয়ে যেতে পারে এবং পা ফ্ল্যাট হয়ে যায়। এ সমস্যায় করণীয় হিসেবে প্রথমেই উপযুক্ত মাপের নরম জুতা ব্যবহার করা জরুরি, যাতে গোড়ালিতে চাপ কম পড়ে এবং ব্যথা লাঘব হয়। হিল ও আর্চ সাপোর্টযুক্ত জুতা ব্যবহার করা বিশেষভাবে উপকারী। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পায়ের তলা আড়াআড়িভাবে ম্যাসাজ করলে উপকার পাওয়া যায়। দিনে দুইবার কুসুম গরম পানির সেঁক অথবা ঠান্ডা সেঁক দেওয়াও উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে। পায়ের তলা ও লেগের পেশি নমনীয় ও শক্তিশালী করার জন্য নিয়মিত স্ট্রেচিং ব্যায়াম করা দরকার। প্রয়োজনে অ্যানালজেসিক ওষুধ সেবনে ব্যথা কমে। কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া হলে দ্রুত ব্যথা উপশম হয়, তবে এটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হয়। অন্যথায় হিলপ্যাড শুকিয়ে যেতে পারে এবং সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ফিজিক্যাল থেরাপি যেমন এসডব্লিউডি, ইউএসটি এবং ওয়াক্স বাথ ব্যবহারের মাধ্যমেও উপকার পাওয়া যায়। তবে অনেক সময় এই রোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে, কারণ হাড়ের বৃদ্ধি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও বিদ্যমান স্পার পুরোপুরি অপসারণ করা সম্ভব হয় না। চিকিৎসায় উপকার না হলে, রোগ বারবার ফিরে এলে, হিলপ্যাড শুকিয়ে গেলে, পায়ে ভর দিতে অসুবিধা হলে বা হাড়ের বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গোড়ালির দুপাশে ছোট ছিদ্র করে আর্থ্রোস্কোপ প্রবেশ করিয়ে অতিরিক্ত হাড় শেভ করে অপসারণ করা হয় এবং প্লান্টার ফাসিয়ার আংশিক বিচ্ছেদ করা হয়। এতে সাধারণত রোগীর উপসর্গ দ্রুত কমে যায়। এ ধরনের চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
-1773510971746-171434058.webp&w=1920&q=75)
মানবদেহে অসংখ্য হাড় রয়েছে এবং কখনও কখনও এসব হাড়ে অতিরিক্ত হাড় গজাতে পারে। পায়ের ক্ষেত্রে এ ধরনের অতিরিক্ত হাড় ক্যালকেনিয়াম বা গোড়ালির হাড়ে দেখা যায়। গোড়ালির নিচে বা পেছনে যে অতিরিক্ত হাড় তৈরি হয়, তাকে ক্যালকেনিয়াম স্পার বা হিল স্পার বলে। ক্যালকেনিয়াম পায়ের সবচেয়ে বড় হাড়। মানুষ দাঁড়ালে বা হাঁটলে এ হাড়ই প্রথম মাটির সংস্পর্শে আসে এবং শরীরের পুরো ওজন বহন করে। ফলে সামান্য চাপেও এ হাড়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
অতিরিক্ত হাড় হওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। শক্ত জুতা পরিধান করলে গোড়ালিতে অস্বাভাবিক চাপ পড়ে এবং স্পার তৈরি হতে পারে। পায়ের পেশি দুর্বল হলে শরীরের ওজনের চাপ সরাসরি পায়ের ওপর পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে প্লান্টার ফাসিয়া ও টেনডনের প্রদাহ থাকলেও গোড়ালিতে অতিরিক্ত হাড় গজাতে পারে। যাদের শরীরে অতিরিক্ত ওজন রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যার ঝুঁকি বেশি। এছাড়া রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা অস্টিওআর্থ্রাইটিসের কারণেও হিল স্পার দেখা যায়।
হিল স্পারের প্রধান উপসর্গ হলো গোড়ালিতে ব্যথা। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা দীর্ঘ সময় বসে থাকার পর প্রথম পা ফেলতে গেলে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করলে ব্যথা ধীরে ধীরে কমে আসে। বিশ্রামের সময় সাধারণত ব্যথা থাকে না। অনেক সময় পায়ে ভর দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত হাড় পেশি, টেনডন, ফাসিয়া, রক্তনালি ও স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে ট্র্যাকশন ইনজুরি ঘটাতে পারে। ফলে ব্যথা ও টিস্যু জমে থাকার মতো সমস্যা দেখা দেয়। কখনও কখনও পায়ের তলা লাল হয়ে যায়, হিলপ্যাড শুকিয়ে যেতে পারে এবং পা ফ্ল্যাট হয়ে যায়। এ সমস্যায় করণীয় হিসেবে প্রথমেই উপযুক্ত মাপের নরম জুতা ব্যবহার করা জরুরি, যাতে গোড়ালিতে চাপ কম পড়ে এবং ব্যথা লাঘব হয়। হিল ও আর্চ সাপোর্টযুক্ত জুতা ব্যবহার করা বিশেষভাবে উপকারী। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পায়ের তলা আড়াআড়িভাবে ম্যাসাজ করলে উপকার পাওয়া যায়। দিনে দুইবার কুসুম গরম পানির সেঁক অথবা ঠান্ডা সেঁক দেওয়াও উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে। পায়ের তলা ও লেগের পেশি নমনীয় ও শক্তিশালী করার জন্য নিয়মিত স্ট্রেচিং ব্যায়াম করা দরকার। প্রয়োজনে অ্যানালজেসিক ওষুধ সেবনে ব্যথা কমে। কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া হলে দ্রুত ব্যথা উপশম হয়, তবে এটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হয়। অন্যথায় হিলপ্যাড শুকিয়ে যেতে পারে এবং সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ফিজিক্যাল থেরাপি যেমন এসডব্লিউডি, ইউএসটি এবং ওয়াক্স বাথ ব্যবহারের মাধ্যমেও উপকার পাওয়া যায়। তবে অনেক সময় এই রোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে, কারণ হাড়ের বৃদ্ধি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও বিদ্যমান স্পার পুরোপুরি অপসারণ করা সম্ভব হয় না। চিকিৎসায় উপকার না হলে, রোগ বারবার ফিরে এলে, হিলপ্যাড শুকিয়ে গেলে, পায়ে ভর দিতে অসুবিধা হলে বা হাড়ের বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গোড়ালির দুপাশে ছোট ছিদ্র করে আর্থ্রোস্কোপ প্রবেশ করিয়ে অতিরিক্ত হাড় শেভ করে অপসারণ করা হয় এবং প্লান্টার ফাসিয়ার আংশিক বিচ্ছেদ করা হয়। এতে সাধারণত রোগীর উপসর্গ দ্রুত কমে যায়। এ ধরনের চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
-1773510971746-171434058.webp&w=1920&q=75)
মানবদেহে অসংখ্য হাড় রয়েছে এবং কখনও কখনও এসব হাড়ে অতিরিক্ত হাড় গজাতে পারে। পায়ের ক্ষেত্রে এ ধরনের অতিরিক্ত হাড় ক্যালকেনিয়াম বা গোড়ালির হাড়ে দেখা যায়। গোড়ালির নিচে বা পেছনে যে অতিরিক্ত হাড় তৈরি হয়, তাকে ক্যালকেনিয়াম স্পার বা হিল স্পার বলে। ক্যালকেনিয়াম পায়ের সবচেয়ে বড় হাড়। মানুষ দাঁড়ালে বা হাঁটলে এ হাড়ই প্রথম মাটির সংস্পর্শে আসে এবং শরীরের পুরো ওজন বহন করে। ফলে সামান্য চাপেও এ হাড়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
অতিরিক্ত হাড় হওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। শক্ত জুতা পরিধান করলে গোড়ালিতে অস্বাভাবিক চাপ পড়ে এবং স্পার তৈরি হতে পারে। পায়ের পেশি দুর্বল হলে শরীরের ওজনের চাপ সরাসরি পায়ের ওপর পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে প্লান্টার ফাসিয়া ও টেনডনের প্রদাহ থাকলেও গোড়ালিতে অতিরিক্ত হাড় গজাতে পারে। যাদের শরীরে অতিরিক্ত ওজন রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যার ঝুঁকি বেশি। এছাড়া রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা অস্টিওআর্থ্রাইটিসের কারণেও হিল স্পার দেখা যায়।
হিল স্পারের প্রধান উপসর্গ হলো গোড়ালিতে ব্যথা। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা দীর্ঘ সময় বসে থাকার পর প্রথম পা ফেলতে গেলে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করলে ব্যথা ধীরে ধীরে কমে আসে। বিশ্রামের সময় সাধারণত ব্যথা থাকে না। অনেক সময় পায়ে ভর দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত হাড় পেশি, টেনডন, ফাসিয়া, রক্তনালি ও স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে ট্র্যাকশন ইনজুরি ঘটাতে পারে। ফলে ব্যথা ও টিস্যু জমে থাকার মতো সমস্যা দেখা দেয়। কখনও কখনও পায়ের তলা লাল হয়ে যায়, হিলপ্যাড শুকিয়ে যেতে পারে এবং পা ফ্ল্যাট হয়ে যায়। এ সমস্যায় করণীয় হিসেবে প্রথমেই উপযুক্ত মাপের নরম জুতা ব্যবহার করা জরুরি, যাতে গোড়ালিতে চাপ কম পড়ে এবং ব্যথা লাঘব হয়। হিল ও আর্চ সাপোর্টযুক্ত জুতা ব্যবহার করা বিশেষভাবে উপকারী। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পায়ের তলা আড়াআড়িভাবে ম্যাসাজ করলে উপকার পাওয়া যায়। দিনে দুইবার কুসুম গরম পানির সেঁক অথবা ঠান্ডা সেঁক দেওয়াও উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে। পায়ের তলা ও লেগের পেশি নমনীয় ও শক্তিশালী করার জন্য নিয়মিত স্ট্রেচিং ব্যায়াম করা দরকার। প্রয়োজনে অ্যানালজেসিক ওষুধ সেবনে ব্যথা কমে। কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া হলে দ্রুত ব্যথা উপশম হয়, তবে এটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হয়। অন্যথায় হিলপ্যাড শুকিয়ে যেতে পারে এবং সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ফিজিক্যাল থেরাপি যেমন এসডব্লিউডি, ইউএসটি এবং ওয়াক্স বাথ ব্যবহারের মাধ্যমেও উপকার পাওয়া যায়। তবে অনেক সময় এই রোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে, কারণ হাড়ের বৃদ্ধি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও বিদ্যমান স্পার পুরোপুরি অপসারণ করা সম্ভব হয় না। চিকিৎসায় উপকার না হলে, রোগ বারবার ফিরে এলে, হিলপ্যাড শুকিয়ে গেলে, পায়ে ভর দিতে অসুবিধা হলে বা হাড়ের বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গোড়ালির দুপাশে ছোট ছিদ্র করে আর্থ্রোস্কোপ প্রবেশ করিয়ে অতিরিক্ত হাড় শেভ করে অপসারণ করা হয় এবং প্লান্টার ফাসিয়ার আংশিক বিচ্ছেদ করা হয়। এতে সাধারণত রোগীর উপসর্গ দ্রুত কমে যায়। এ ধরনের চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
-1773510971746-171434058.webp&w=1920&q=75)
মানবদেহে অসংখ্য হাড় রয়েছে এবং কখনও কখনও এসব হাড়ে অতিরিক্ত হাড় গজাতে পারে। পায়ের ক্ষেত্রে এ ধরনের অতিরিক্ত হাড় ক্যালকেনিয়াম বা গোড়ালির হাড়ে দেখা যায়। গোড়ালির নিচে বা পেছনে যে অতিরিক্ত হাড় তৈরি হয়, তাকে ক্যালকেনিয়াম স্পার বা হিল স্পার বলে। ক্যালকেনিয়াম পায়ের সবচেয়ে বড় হাড়। মানুষ দাঁড়ালে বা হাঁটলে এ হাড়ই প্রথম মাটির সংস্পর্শে আসে এবং শরীরের পুরো ওজন বহন করে। ফলে সামান্য চাপেও এ হাড়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
অতিরিক্ত হাড় হওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। শক্ত জুতা পরিধান করলে গোড়ালিতে অস্বাভাবিক চাপ পড়ে এবং স্পার তৈরি হতে পারে। পায়ের পেশি দুর্বল হলে শরীরের ওজনের চাপ সরাসরি পায়ের ওপর পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে প্লান্টার ফাসিয়া ও টেনডনের প্রদাহ থাকলেও গোড়ালিতে অতিরিক্ত হাড় গজাতে পারে। যাদের শরীরে অতিরিক্ত ওজন রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যার ঝুঁকি বেশি। এছাড়া রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা অস্টিওআর্থ্রাইটিসের কারণেও হিল স্পার দেখা যায়।
হিল স্পারের প্রধান উপসর্গ হলো গোড়ালিতে ব্যথা। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা দীর্ঘ সময় বসে থাকার পর প্রথম পা ফেলতে গেলে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করলে ব্যথা ধীরে ধীরে কমে আসে। বিশ্রামের সময় সাধারণত ব্যথা থাকে না। অনেক সময় পায়ে ভর দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত হাড় পেশি, টেনডন, ফাসিয়া, রক্তনালি ও স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে ট্র্যাকশন ইনজুরি ঘটাতে পারে। ফলে ব্যথা ও টিস্যু জমে থাকার মতো সমস্যা দেখা দেয়। কখনও কখনও পায়ের তলা লাল হয়ে যায়, হিলপ্যাড শুকিয়ে যেতে পারে এবং পা ফ্ল্যাট হয়ে যায়। এ সমস্যায় করণীয় হিসেবে প্রথমেই উপযুক্ত মাপের নরম জুতা ব্যবহার করা জরুরি, যাতে গোড়ালিতে চাপ কম পড়ে এবং ব্যথা লাঘব হয়। হিল ও আর্চ সাপোর্টযুক্ত জুতা ব্যবহার করা বিশেষভাবে উপকারী। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পায়ের তলা আড়াআড়িভাবে ম্যাসাজ করলে উপকার পাওয়া যায়। দিনে দুইবার কুসুম গরম পানির সেঁক অথবা ঠান্ডা সেঁক দেওয়াও উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে। পায়ের তলা ও লেগের পেশি নমনীয় ও শক্তিশালী করার জন্য নিয়মিত স্ট্রেচিং ব্যায়াম করা দরকার। প্রয়োজনে অ্যানালজেসিক ওষুধ সেবনে ব্যথা কমে। কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া হলে দ্রুত ব্যথা উপশম হয়, তবে এটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হয়। অন্যথায় হিলপ্যাড শুকিয়ে যেতে পারে এবং সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ফিজিক্যাল থেরাপি যেমন এসডব্লিউডি, ইউএসটি এবং ওয়াক্স বাথ ব্যবহারের মাধ্যমেও উপকার পাওয়া যায়। তবে অনেক সময় এই রোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে, কারণ হাড়ের বৃদ্ধি কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও বিদ্যমান স্পার পুরোপুরি অপসারণ করা সম্ভব হয় না। চিকিৎসায় উপকার না হলে, রোগ বারবার ফিরে এলে, হিলপ্যাড শুকিয়ে গেলে, পায়ে ভর দিতে অসুবিধা হলে বা হাড়ের বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গোড়ালির দুপাশে ছোট ছিদ্র করে আর্থ্রোস্কোপ প্রবেশ করিয়ে অতিরিক্ত হাড় শেভ করে অপসারণ করা হয় এবং প্লান্টার ফাসিয়ার আংশিক বিচ্ছেদ করা হয়। এতে সাধারণত রোগীর উপসর্গ দ্রুত কমে যায়। এ ধরনের চিকিৎসায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!