গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
শনিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন-সন্দেহভাজন ঘাতক ও পলাতক প্রাইভেটকারচালক ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), তাদের বড় মেয়ে মীম (১৫), মেজো মেয়ে মারিয়া (৮), ছোট মেয়ে ফারিহা (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া (১৮)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তিন শিশুর গলা কাটা মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। রসুলের মরদেহ পাওয়া যায় বিছানার ওপর। আর শারমিনের হাত ও মুখ বাঁধা মরদেহ জানালার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে প্রায় এক বছর ধরে ভাড়া থাকতেন ফোরকান মিয়া ও তার পরিবার। প্রতিবেশীদের ভাষ্য, ফোরকান ও তার স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। শুক্রবার রাতেও পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে ফোরকান মিয়াই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাক উজ্জামান জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক দুজন ফোরকানের গাড়ি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
শনিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন-সন্দেহভাজন ঘাতক ও পলাতক প্রাইভেটকারচালক ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), তাদের বড় মেয়ে মীম (১৫), মেজো মেয়ে মারিয়া (৮), ছোট মেয়ে ফারিহা (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া (১৮)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তিন শিশুর গলা কাটা মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। রসুলের মরদেহ পাওয়া যায় বিছানার ওপর। আর শারমিনের হাত ও মুখ বাঁধা মরদেহ জানালার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে প্রায় এক বছর ধরে ভাড়া থাকতেন ফোরকান মিয়া ও তার পরিবার। প্রতিবেশীদের ভাষ্য, ফোরকান ও তার স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। শুক্রবার রাতেও পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে ফোরকান মিয়াই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাক উজ্জামান জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক দুজন ফোরকানের গাড়ি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
শনিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন-সন্দেহভাজন ঘাতক ও পলাতক প্রাইভেটকারচালক ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), তাদের বড় মেয়ে মীম (১৫), মেজো মেয়ে মারিয়া (৮), ছোট মেয়ে ফারিহা (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া (১৮)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তিন শিশুর গলা কাটা মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। রসুলের মরদেহ পাওয়া যায় বিছানার ওপর। আর শারমিনের হাত ও মুখ বাঁধা মরদেহ জানালার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে প্রায় এক বছর ধরে ভাড়া থাকতেন ফোরকান মিয়া ও তার পরিবার। প্রতিবেশীদের ভাষ্য, ফোরকান ও তার স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। শুক্রবার রাতেও পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে ফোরকান মিয়াই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাক উজ্জামান জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক দুজন ফোরকানের গাড়ি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
শনিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন-সন্দেহভাজন ঘাতক ও পলাতক প্রাইভেটকারচালক ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), তাদের বড় মেয়ে মীম (১৫), মেজো মেয়ে মারিয়া (৮), ছোট মেয়ে ফারিহা (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া (১৮)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তিন শিশুর গলা কাটা মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। রসুলের মরদেহ পাওয়া যায় বিছানার ওপর। আর শারমিনের হাত ও মুখ বাঁধা মরদেহ জানালার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে প্রায় এক বছর ধরে ভাড়া থাকতেন ফোরকান মিয়া ও তার পরিবার। প্রতিবেশীদের ভাষ্য, ফোরকান ও তার স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। শুক্রবার রাতেও পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে ফোরকান মিয়াই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাক উজ্জামান জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক দুজন ফোরকানের গাড়ি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!