
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে মো. মোরছালিন (২২) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের খামারহাটি সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোরছালিন ধজনগর বাতানবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রি কলেজ-এর একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
নিহতের স্বজনদের দাবি, রাতে স্থানীয় কয়েকজন মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে সীমান্তে নিয়ে যায়। পরে সীমান্তের ভারতীয় অংশে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোরছালিন নিহত হন।
স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার পর বিএসএফ সদস্যরা তার মরদেহ ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী মোরছালিন সীমান্তে মালামাল আনতে গিয়েছিলেন। তবে কী ধরনের মালামাল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, মরদেহ বর্তমানে বিএসএফের কাছে রয়েছে। মরদেহ ফেরত আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে মো. মোরছালিন (২২) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের খামারহাটি সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোরছালিন ধজনগর বাতানবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রি কলেজ-এর একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
নিহতের স্বজনদের দাবি, রাতে স্থানীয় কয়েকজন মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে সীমান্তে নিয়ে যায়। পরে সীমান্তের ভারতীয় অংশে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোরছালিন নিহত হন।
স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার পর বিএসএফ সদস্যরা তার মরদেহ ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী মোরছালিন সীমান্তে মালামাল আনতে গিয়েছিলেন। তবে কী ধরনের মালামাল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, মরদেহ বর্তমানে বিএসএফের কাছে রয়েছে। মরদেহ ফেরত আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে মো. মোরছালিন (২২) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের খামারহাটি সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোরছালিন ধজনগর বাতানবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রি কলেজ-এর একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
নিহতের স্বজনদের দাবি, রাতে স্থানীয় কয়েকজন মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে সীমান্তে নিয়ে যায়। পরে সীমান্তের ভারতীয় অংশে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোরছালিন নিহত হন।
স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার পর বিএসএফ সদস্যরা তার মরদেহ ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী মোরছালিন সীমান্তে মালামাল আনতে গিয়েছিলেন। তবে কী ধরনের মালামাল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, মরদেহ বর্তমানে বিএসএফের কাছে রয়েছে। মরদেহ ফেরত আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে মো. মোরছালিন (২২) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের খামারহাটি সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোরছালিন ধজনগর বাতানবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রি কলেজ-এর একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
নিহতের স্বজনদের দাবি, রাতে স্থানীয় কয়েকজন মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে সীমান্তে নিয়ে যায়। পরে সীমান্তের ভারতীয় অংশে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোরছালিন নিহত হন।
স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার পর বিএসএফ সদস্যরা তার মরদেহ ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী মোরছালিন সীমান্তে মালামাল আনতে গিয়েছিলেন। তবে কী ধরনের মালামাল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, মরদেহ বর্তমানে বিএসএফের কাছে রয়েছে। মরদেহ ফেরত আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!