মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ক্রমেই দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে। হামলা ও পাল্টা হামলার তীব্রতার মধ্যেই এবার বড় ধাক্কা খেল তেহরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) প্রধান আলী লারিজানি এবং উপ-প্রধান আলীরেজা বায়েত একই হামলায় নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে ইসরায়েলের লক্ষ্যভেদী হামলায় তারা নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। দেশটির বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ইসরায়েল দাবি করেছিল, তারা নির্দিষ্ট হামলার মাধ্যমে আলী লারিজানিকে হত্যা করেছে। পরে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই হামলায় লারিজানি, তার ছেলে এবং এক সহকারী নিহত হন। পরবর্তীতে নিশ্চিত করা হয়, নিহত ওই সহকারীই ছিলেন পরিষদের উপ-প্রধান আলীরেজা বায়েত।
লারিজানির মৃত্যুতে শোক জানিয়ে পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, “ইসলামি বিপ্লব ও দেশের উন্নয়নে আজীবন সংগ্রামের পর দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি শাহাদাতের মর্যাদা অর্জন করেছেন।”
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তেহরান। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘চূড়ান্ত জবাব’ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পাল্টা হামলা শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।
আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন এবং তিনি পরিষদে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর প্রতিনিধির দায়িত্বও পালন করছিলেন। এর আগে তিনি ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা ১২ বছর ইরানের সংসদের স্পিকার ছিলেন এবং ২০০৫-২০০৭ সময়ে দেশটির প্রধান পারমাণবিক আলোচক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে আলীরেজা বায়েতকে ইরানি গণমাধ্যমে দক্ষ কিন্তু প্রচারবিমুখ কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদে যোগ দেওয়ার আগে তিনি হজ ও তীর্থযাত্রা সংস্থার প্রধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনব্যাপী আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা হামলা-পাল্টা হামলায় ইতোমধ্যে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
এ পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের শীর্ষ দুই নেতার একসঙ্গে নিহত হওয়া ইরানের জন্য বড় কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ক্রমেই দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে। হামলা ও পাল্টা হামলার তীব্রতার মধ্যেই এবার বড় ধাক্কা খেল তেহরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) প্রধান আলী লারিজানি এবং উপ-প্রধান আলীরেজা বায়েত একই হামলায় নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে ইসরায়েলের লক্ষ্যভেদী হামলায় তারা নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। দেশটির বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ইসরায়েল দাবি করেছিল, তারা নির্দিষ্ট হামলার মাধ্যমে আলী লারিজানিকে হত্যা করেছে। পরে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই হামলায় লারিজানি, তার ছেলে এবং এক সহকারী নিহত হন। পরবর্তীতে নিশ্চিত করা হয়, নিহত ওই সহকারীই ছিলেন পরিষদের উপ-প্রধান আলীরেজা বায়েত।
লারিজানির মৃত্যুতে শোক জানিয়ে পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, “ইসলামি বিপ্লব ও দেশের উন্নয়নে আজীবন সংগ্রামের পর দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি শাহাদাতের মর্যাদা অর্জন করেছেন।”
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তেহরান। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘চূড়ান্ত জবাব’ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পাল্টা হামলা শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।
আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন এবং তিনি পরিষদে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর প্রতিনিধির দায়িত্বও পালন করছিলেন। এর আগে তিনি ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা ১২ বছর ইরানের সংসদের স্পিকার ছিলেন এবং ২০০৫-২০০৭ সময়ে দেশটির প্রধান পারমাণবিক আলোচক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে আলীরেজা বায়েতকে ইরানি গণমাধ্যমে দক্ষ কিন্তু প্রচারবিমুখ কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদে যোগ দেওয়ার আগে তিনি হজ ও তীর্থযাত্রা সংস্থার প্রধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনব্যাপী আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা হামলা-পাল্টা হামলায় ইতোমধ্যে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
এ পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের শীর্ষ দুই নেতার একসঙ্গে নিহত হওয়া ইরানের জন্য বড় কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ক্রমেই দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে। হামলা ও পাল্টা হামলার তীব্রতার মধ্যেই এবার বড় ধাক্কা খেল তেহরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) প্রধান আলী লারিজানি এবং উপ-প্রধান আলীরেজা বায়েত একই হামলায় নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে ইসরায়েলের লক্ষ্যভেদী হামলায় তারা নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। দেশটির বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ইসরায়েল দাবি করেছিল, তারা নির্দিষ্ট হামলার মাধ্যমে আলী লারিজানিকে হত্যা করেছে। পরে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই হামলায় লারিজানি, তার ছেলে এবং এক সহকারী নিহত হন। পরবর্তীতে নিশ্চিত করা হয়, নিহত ওই সহকারীই ছিলেন পরিষদের উপ-প্রধান আলীরেজা বায়েত।
লারিজানির মৃত্যুতে শোক জানিয়ে পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, “ইসলামি বিপ্লব ও দেশের উন্নয়নে আজীবন সংগ্রামের পর দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি শাহাদাতের মর্যাদা অর্জন করেছেন।”
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তেহরান। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘চূড়ান্ত জবাব’ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পাল্টা হামলা শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।
আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন এবং তিনি পরিষদে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর প্রতিনিধির দায়িত্বও পালন করছিলেন। এর আগে তিনি ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা ১২ বছর ইরানের সংসদের স্পিকার ছিলেন এবং ২০০৫-২০০৭ সময়ে দেশটির প্রধান পারমাণবিক আলোচক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে আলীরেজা বায়েতকে ইরানি গণমাধ্যমে দক্ষ কিন্তু প্রচারবিমুখ কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদে যোগ দেওয়ার আগে তিনি হজ ও তীর্থযাত্রা সংস্থার প্রধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনব্যাপী আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা হামলা-পাল্টা হামলায় ইতোমধ্যে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
এ পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের শীর্ষ দুই নেতার একসঙ্গে নিহত হওয়া ইরানের জন্য বড় কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ক্রমেই দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নিচ্ছে। হামলা ও পাল্টা হামলার তীব্রতার মধ্যেই এবার বড় ধাক্কা খেল তেহরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) প্রধান আলী লারিজানি এবং উপ-প্রধান আলীরেজা বায়েত একই হামলায় নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে ইসরায়েলের লক্ষ্যভেদী হামলায় তারা নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। দেশটির বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ইসরায়েল দাবি করেছিল, তারা নির্দিষ্ট হামলার মাধ্যমে আলী লারিজানিকে হত্যা করেছে। পরে ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই হামলায় লারিজানি, তার ছেলে এবং এক সহকারী নিহত হন। পরবর্তীতে নিশ্চিত করা হয়, নিহত ওই সহকারীই ছিলেন পরিষদের উপ-প্রধান আলীরেজা বায়েত।
লারিজানির মৃত্যুতে শোক জানিয়ে পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, “ইসলামি বিপ্লব ও দেশের উন্নয়নে আজীবন সংগ্রামের পর দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি শাহাদাতের মর্যাদা অর্জন করেছেন।”
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তেহরান। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘চূড়ান্ত জবাব’ দেওয়া হবে। একইসঙ্গে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পাল্টা হামলা শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।
আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক। ২০২৫ সালের আগস্টে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন এবং তিনি পরিষদে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর প্রতিনিধির দায়িত্বও পালন করছিলেন। এর আগে তিনি ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা ১২ বছর ইরানের সংসদের স্পিকার ছিলেন এবং ২০০৫-২০০৭ সময়ে দেশটির প্রধান পারমাণবিক আলোচক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে আলীরেজা বায়েতকে ইরানি গণমাধ্যমে দক্ষ কিন্তু প্রচারবিমুখ কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদে যোগ দেওয়ার আগে তিনি হজ ও তীর্থযাত্রা সংস্থার প্রধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনব্যাপী আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা হামলা-পাল্টা হামলায় ইতোমধ্যে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।
এ পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের শীর্ষ দুই নেতার একসঙ্গে নিহত হওয়া ইরানের জন্য বড় কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!