
ভারতের কেরালার থিরুভাল্লায় একটি আয়ুর্বেদিক স্পায় হামলা, চাঁদা দাবি ও এক নারী কর্মীর ওপর সংঘটিত গুরুতর অপরাধের ঘটনায় বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করেছে পুলিশ। ছয় সদস্যের একটি চক্রের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তারের একদিন পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর দ্য হিন্দুর।
পুলিশের তথ্যমতে, অভিযুক্তরা স্পাটিতে জোরপূর্বক ঢুকে চাঁদা দাবি করে এবং ভয় দেখিয়ে ওই নারী কর্মীর ওপর নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে তারা ওই নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর গত শনিবার মামলায় নতুন মোড় আসে। স্পার মালিক দাবি করেন, এটি প্রতিদ্বন্দ্বী এক ব্যবসায়ীর ইন্ধনে ঘটেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক উভয়ের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি স্পাটিতে কোনো অবৈধ কার্যক্রম চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পাঠানামথিট্টা জেলার পুলিশ সুপার আর আনন্দ জানান, জেলা লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে সব ধরনের আইনি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মামলার প্রধান আসামি সুবিন আলেকজান্ডারের বিরুদ্ধে কেরালা অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করে প্রতিরোধমূলক আটকাদেশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি স্পা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ে পুলিশের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই মামলায় এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে এ ধরনের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুরুতে ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক অভিযোগ জানাতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। পরে এক স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়।
ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর এক সহকর্মীর আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগীর জবানবন্দি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা স্পা মালিকের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেয় এবং এরই মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। দাবি পূরণ না হলে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে মামলার বাকি চার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ভারতের কেরালার থিরুভাল্লায় একটি আয়ুর্বেদিক স্পায় হামলা, চাঁদা দাবি ও এক নারী কর্মীর ওপর সংঘটিত গুরুতর অপরাধের ঘটনায় বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করেছে পুলিশ। ছয় সদস্যের একটি চক্রের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তারের একদিন পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর দ্য হিন্দুর।
পুলিশের তথ্যমতে, অভিযুক্তরা স্পাটিতে জোরপূর্বক ঢুকে চাঁদা দাবি করে এবং ভয় দেখিয়ে ওই নারী কর্মীর ওপর নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে তারা ওই নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর গত শনিবার মামলায় নতুন মোড় আসে। স্পার মালিক দাবি করেন, এটি প্রতিদ্বন্দ্বী এক ব্যবসায়ীর ইন্ধনে ঘটেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক উভয়ের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি স্পাটিতে কোনো অবৈধ কার্যক্রম চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পাঠানামথিট্টা জেলার পুলিশ সুপার আর আনন্দ জানান, জেলা লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে সব ধরনের আইনি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মামলার প্রধান আসামি সুবিন আলেকজান্ডারের বিরুদ্ধে কেরালা অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করে প্রতিরোধমূলক আটকাদেশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি স্পা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ে পুলিশের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই মামলায় এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে এ ধরনের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুরুতে ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক অভিযোগ জানাতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। পরে এক স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়।
ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর এক সহকর্মীর আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগীর জবানবন্দি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা স্পা মালিকের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেয় এবং এরই মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। দাবি পূরণ না হলে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে মামলার বাকি চার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ভারতের কেরালার থিরুভাল্লায় একটি আয়ুর্বেদিক স্পায় হামলা, চাঁদা দাবি ও এক নারী কর্মীর ওপর সংঘটিত গুরুতর অপরাধের ঘটনায় বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করেছে পুলিশ। ছয় সদস্যের একটি চক্রের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তারের একদিন পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর দ্য হিন্দুর।
পুলিশের তথ্যমতে, অভিযুক্তরা স্পাটিতে জোরপূর্বক ঢুকে চাঁদা দাবি করে এবং ভয় দেখিয়ে ওই নারী কর্মীর ওপর নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে তারা ওই নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর গত শনিবার মামলায় নতুন মোড় আসে। স্পার মালিক দাবি করেন, এটি প্রতিদ্বন্দ্বী এক ব্যবসায়ীর ইন্ধনে ঘটেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক উভয়ের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি স্পাটিতে কোনো অবৈধ কার্যক্রম চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পাঠানামথিট্টা জেলার পুলিশ সুপার আর আনন্দ জানান, জেলা লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে সব ধরনের আইনি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মামলার প্রধান আসামি সুবিন আলেকজান্ডারের বিরুদ্ধে কেরালা অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করে প্রতিরোধমূলক আটকাদেশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি স্পা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ে পুলিশের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই মামলায় এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে এ ধরনের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুরুতে ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক অভিযোগ জানাতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। পরে এক স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়।
ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর এক সহকর্মীর আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগীর জবানবন্দি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা স্পা মালিকের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেয় এবং এরই মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। দাবি পূরণ না হলে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে মামলার বাকি চার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ভারতের কেরালার থিরুভাল্লায় একটি আয়ুর্বেদিক স্পায় হামলা, চাঁদা দাবি ও এক নারী কর্মীর ওপর সংঘটিত গুরুতর অপরাধের ঘটনায় বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করেছে পুলিশ। ছয় সদস্যের একটি চক্রের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তারের একদিন পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খবর দ্য হিন্দুর।
পুলিশের তথ্যমতে, অভিযুক্তরা স্পাটিতে জোরপূর্বক ঢুকে চাঁদা দাবি করে এবং ভয় দেখিয়ে ওই নারী কর্মীর ওপর নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে তারা ওই নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর গত শনিবার মামলায় নতুন মোড় আসে। স্পার মালিক দাবি করেন, এটি প্রতিদ্বন্দ্বী এক ব্যবসায়ীর ইন্ধনে ঘটেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক উভয়ের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি স্পাটিতে কোনো অবৈধ কার্যক্রম চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পাঠানামথিট্টা জেলার পুলিশ সুপার আর আনন্দ জানান, জেলা লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটির মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে সব ধরনের আইনি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মামলার প্রধান আসামি সুবিন আলেকজান্ডারের বিরুদ্ধে কেরালা অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করে প্রতিরোধমূলক আটকাদেশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি স্পা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ে পুলিশের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই মামলায় এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অতীতে এ ধরনের অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুরুতে ভুক্তভোগী ও স্পা মালিক অভিযোগ জানাতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। পরে এক স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়।
ঘটনার সময় ভুক্তভোগীর এক সহকর্মীর আচরণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগীর জবানবন্দি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা স্পা মালিকের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা আদায়ের জন্য চাপ দেয় এবং এরই মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। দাবি পূরণ না হলে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে মামলার বাকি চার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!