-1770206725664-786196720.png&w=1920&q=75)
আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগণকে আইনগত সহায়তা দিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর গঠন করেছে সরকার।
সম্প্রতি আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০’-এর ধারা ৩ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর নামে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে।
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, এই আইনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকার সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করবে—সেই বিধান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আইনে অধিদপ্তরের কার্যাবলির বিষয়ে বলা হয়েছে, দরিদ্র ও সহায়-সম্বলহীন মানুষের জন্য আইনগত সহায়তা প্রদান, জরুরি আইনি সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া, মধ্যস্থতা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সেবা সম্প্রসারণ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আইনি সহায়তা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মধ্যস্থতাকারীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করবে এই অধিদপ্তর।
এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আইনগত সেবা সহজলভ্য করা, গবেষণা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন, রেফারেল সিস্টেম চালু এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বও অধিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি অধিদপ্তর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশসহ আইনটির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অধিদপ্তর গঠনের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ আরও সহজ ও কার্যকর হবে।
-1770206725664-786196720.png&w=1920&q=75)
আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগণকে আইনগত সহায়তা দিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর গঠন করেছে সরকার।
সম্প্রতি আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০’-এর ধারা ৩ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর নামে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে।
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, এই আইনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকার সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করবে—সেই বিধান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আইনে অধিদপ্তরের কার্যাবলির বিষয়ে বলা হয়েছে, দরিদ্র ও সহায়-সম্বলহীন মানুষের জন্য আইনগত সহায়তা প্রদান, জরুরি আইনি সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া, মধ্যস্থতা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সেবা সম্প্রসারণ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আইনি সহায়তা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মধ্যস্থতাকারীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করবে এই অধিদপ্তর।
এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আইনগত সেবা সহজলভ্য করা, গবেষণা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন, রেফারেল সিস্টেম চালু এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বও অধিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি অধিদপ্তর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশসহ আইনটির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অধিদপ্তর গঠনের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ আরও সহজ ও কার্যকর হবে।
-1770206725664-786196720.png&w=1920&q=75)
আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগণকে আইনগত সহায়তা দিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর গঠন করেছে সরকার।
সম্প্রতি আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০’-এর ধারা ৩ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর নামে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে।
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, এই আইনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকার সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করবে—সেই বিধান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আইনে অধিদপ্তরের কার্যাবলির বিষয়ে বলা হয়েছে, দরিদ্র ও সহায়-সম্বলহীন মানুষের জন্য আইনগত সহায়তা প্রদান, জরুরি আইনি সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া, মধ্যস্থতা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সেবা সম্প্রসারণ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আইনি সহায়তা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মধ্যস্থতাকারীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করবে এই অধিদপ্তর।
এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আইনগত সেবা সহজলভ্য করা, গবেষণা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন, রেফারেল সিস্টেম চালু এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বও অধিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি অধিদপ্তর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশসহ আইনটির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অধিদপ্তর গঠনের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ আরও সহজ ও কার্যকর হবে।
-1770206725664-786196720.png&w=1920&q=75)
আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন ও নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগণকে আইনগত সহায়তা দিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর গঠন করেছে সরকার।
সম্প্রতি আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০’-এর ধারা ৩ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর নামে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে।
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ৩ অনুযায়ী, এই আইনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকার সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করবে—সেই বিধান বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আইনে অধিদপ্তরের কার্যাবলির বিষয়ে বলা হয়েছে, দরিদ্র ও সহায়-সম্বলহীন মানুষের জন্য আইনগত সহায়তা প্রদান, জরুরি আইনি সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া, মধ্যস্থতা ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) সেবা সম্প্রসারণ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আইনি সহায়তা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মধ্যস্থতাকারীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করবে এই অধিদপ্তর।
এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আইনগত সেবা সহজলভ্য করা, গবেষণা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন, রেফারেল সিস্টেম চালু এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বও অধিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি অধিদপ্তর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশসহ আইনটির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অধিদপ্তর গঠনের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ আরও সহজ ও কার্যকর হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!