ফিক্সিং-সংক্রান্ত অভিযোগে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা জাতীয় দলের ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয় জানিয়েছেন, সম্মান ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত তিনি আর ক্রিকেটে ফিরবেন না।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ফাইনালের দিন উপস্থিত ছিলেন বিজয়। সতীর্থদের খেলা দেখলেও নিজের না খেলতে পারার আক্ষেপ লুকাতে পারেননি তিনি। স্টেডিয়াম ছাড়ার আগে স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দোষ ঘোষণা না করা পর্যন্ত মাঠে ফিরবেন না।
২০২৫ সালের বিপিএলে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে খেলেছিলেন বিজয়। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার পাশাপাশি নেতৃত্বও দেন তিনি। তবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে তাকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আসর শেষে কয়েকজন ক্রিকেটার ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের পরামর্শক অ্যালেক্স মার্শালের সুপারিশে ৯ জন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। বিজয়ের পাশাপাশি সেই তালিকায় ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু ও সানজামুল ইসলাম।
যদিও বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি, তবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদ্য সমাপ্ত বিপিএলে অংশ নিতে পারেননি তারা। অন্যদিকে ঘরোয়া কিছু টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ থাকলেও অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে সুযোগ পাননি বিজয়। বিসিএলের স্কোয়াডে থাকলেও খেলেননি তিনি।
এ প্রসঙ্গে বিজয় বলেন, ‘একটা টুর্নামেন্ট খেলতে দেওয়া হবে, আরেকটাতে নয়—এভাবে চলতে পারে না। আমি ১০-১২ বছর জাতীয় দলে খেলেছি, ৫১টি সেঞ্চুরি করেছি। অনূর্ধ্ব-১৯ ও ‘এ’ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছি। আমি তো হঠাৎ করে আসিনি যে যা ইচ্ছা তাই বলা যাবে।’
অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে বিসিবিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন বিজয়। প্রমাণ পাওয়া গেলে আজীবন নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়ার কথাও বলেন। দীর্ঘ সময়েও প্রমাণ উপস্থাপন না করায় বিষয়টিকে ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিজয় বলেন, “কেউ অপরাধ করলে এক-দুই সপ্তাহেই প্রমাণ বের হওয়ার কথা। দুই বছরেও কিছু বের হয়নি মানে আমি কিছু করিনি। প্রমাণ দেখাতে পারলে আমি নিজেই ক্রিকেট ছেড়ে দেব।”
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) আগের মৌসুমে শুরুতে দল না পাওয়া এবং পরে কম পারিশ্রমিকে খেলতে হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ক্রিকেটে ফেরার শর্ত হিসেবে বিজয় বলেন, “বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে আমি অপরাধী নই, আমার পাওনা পরিশোধ করবে এবং সন্দেহের তালিকা থেকে নাম সরাবে—তারপরই ফিরব। আমি টাকার জন্য নয়, সম্মানের জন্য ক্রিকেট খেলি।”
সমস্যা সমাধানে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলেও জানান বিজয়। তবে এখনো সন্তোষজনক সাড়া পাননি বলে দাবি তার।
হতাশ বিজয়ের ভাষায়, ‘বিষয়টি ঝুলে আছে। এখন সব আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি।’
ফিক্সিং-সংক্রান্ত অভিযোগে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা জাতীয় দলের ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয় জানিয়েছেন, সম্মান ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত তিনি আর ক্রিকেটে ফিরবেন না।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ফাইনালের দিন উপস্থিত ছিলেন বিজয়। সতীর্থদের খেলা দেখলেও নিজের না খেলতে পারার আক্ষেপ লুকাতে পারেননি তিনি। স্টেডিয়াম ছাড়ার আগে স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দোষ ঘোষণা না করা পর্যন্ত মাঠে ফিরবেন না।
২০২৫ সালের বিপিএলে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে খেলেছিলেন বিজয়। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার পাশাপাশি নেতৃত্বও দেন তিনি। তবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে তাকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আসর শেষে কয়েকজন ক্রিকেটার ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের পরামর্শক অ্যালেক্স মার্শালের সুপারিশে ৯ জন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। বিজয়ের পাশাপাশি সেই তালিকায় ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু ও সানজামুল ইসলাম।
যদিও বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি, তবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদ্য সমাপ্ত বিপিএলে অংশ নিতে পারেননি তারা। অন্যদিকে ঘরোয়া কিছু টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ থাকলেও অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে সুযোগ পাননি বিজয়। বিসিএলের স্কোয়াডে থাকলেও খেলেননি তিনি।
এ প্রসঙ্গে বিজয় বলেন, ‘একটা টুর্নামেন্ট খেলতে দেওয়া হবে, আরেকটাতে নয়—এভাবে চলতে পারে না। আমি ১০-১২ বছর জাতীয় দলে খেলেছি, ৫১টি সেঞ্চুরি করেছি। অনূর্ধ্ব-১৯ ও ‘এ’ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছি। আমি তো হঠাৎ করে আসিনি যে যা ইচ্ছা তাই বলা যাবে।’
অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে বিসিবিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন বিজয়। প্রমাণ পাওয়া গেলে আজীবন নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়ার কথাও বলেন। দীর্ঘ সময়েও প্রমাণ উপস্থাপন না করায় বিষয়টিকে ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিজয় বলেন, “কেউ অপরাধ করলে এক-দুই সপ্তাহেই প্রমাণ বের হওয়ার কথা। দুই বছরেও কিছু বের হয়নি মানে আমি কিছু করিনি। প্রমাণ দেখাতে পারলে আমি নিজেই ক্রিকেট ছেড়ে দেব।”
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) আগের মৌসুমে শুরুতে দল না পাওয়া এবং পরে কম পারিশ্রমিকে খেলতে হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ক্রিকেটে ফেরার শর্ত হিসেবে বিজয় বলেন, “বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে আমি অপরাধী নই, আমার পাওনা পরিশোধ করবে এবং সন্দেহের তালিকা থেকে নাম সরাবে—তারপরই ফিরব। আমি টাকার জন্য নয়, সম্মানের জন্য ক্রিকেট খেলি।”
সমস্যা সমাধানে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলেও জানান বিজয়। তবে এখনো সন্তোষজনক সাড়া পাননি বলে দাবি তার।
হতাশ বিজয়ের ভাষায়, ‘বিষয়টি ঝুলে আছে। এখন সব আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি।’
ফিক্সিং-সংক্রান্ত অভিযোগে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা জাতীয় দলের ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয় জানিয়েছেন, সম্মান ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত তিনি আর ক্রিকেটে ফিরবেন না।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ফাইনালের দিন উপস্থিত ছিলেন বিজয়। সতীর্থদের খেলা দেখলেও নিজের না খেলতে পারার আক্ষেপ লুকাতে পারেননি তিনি। স্টেডিয়াম ছাড়ার আগে স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দোষ ঘোষণা না করা পর্যন্ত মাঠে ফিরবেন না।
২০২৫ সালের বিপিএলে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে খেলেছিলেন বিজয়। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার পাশাপাশি নেতৃত্বও দেন তিনি। তবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে তাকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আসর শেষে কয়েকজন ক্রিকেটার ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের পরামর্শক অ্যালেক্স মার্শালের সুপারিশে ৯ জন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। বিজয়ের পাশাপাশি সেই তালিকায় ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু ও সানজামুল ইসলাম।
যদিও বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি, তবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদ্য সমাপ্ত বিপিএলে অংশ নিতে পারেননি তারা। অন্যদিকে ঘরোয়া কিছু টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ থাকলেও অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে সুযোগ পাননি বিজয়। বিসিএলের স্কোয়াডে থাকলেও খেলেননি তিনি।
এ প্রসঙ্গে বিজয় বলেন, ‘একটা টুর্নামেন্ট খেলতে দেওয়া হবে, আরেকটাতে নয়—এভাবে চলতে পারে না। আমি ১০-১২ বছর জাতীয় দলে খেলেছি, ৫১টি সেঞ্চুরি করেছি। অনূর্ধ্ব-১৯ ও ‘এ’ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছি। আমি তো হঠাৎ করে আসিনি যে যা ইচ্ছা তাই বলা যাবে।’
অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে বিসিবিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন বিজয়। প্রমাণ পাওয়া গেলে আজীবন নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়ার কথাও বলেন। দীর্ঘ সময়েও প্রমাণ উপস্থাপন না করায় বিষয়টিকে ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিজয় বলেন, “কেউ অপরাধ করলে এক-দুই সপ্তাহেই প্রমাণ বের হওয়ার কথা। দুই বছরেও কিছু বের হয়নি মানে আমি কিছু করিনি। প্রমাণ দেখাতে পারলে আমি নিজেই ক্রিকেট ছেড়ে দেব।”
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) আগের মৌসুমে শুরুতে দল না পাওয়া এবং পরে কম পারিশ্রমিকে খেলতে হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ক্রিকেটে ফেরার শর্ত হিসেবে বিজয় বলেন, “বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে আমি অপরাধী নই, আমার পাওনা পরিশোধ করবে এবং সন্দেহের তালিকা থেকে নাম সরাবে—তারপরই ফিরব। আমি টাকার জন্য নয়, সম্মানের জন্য ক্রিকেট খেলি।”
সমস্যা সমাধানে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলেও জানান বিজয়। তবে এখনো সন্তোষজনক সাড়া পাননি বলে দাবি তার।
হতাশ বিজয়ের ভাষায়, ‘বিষয়টি ঝুলে আছে। এখন সব আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি।’
ফিক্সিং-সংক্রান্ত অভিযোগে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা জাতীয় দলের ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয় জানিয়েছেন, সম্মান ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত তিনি আর ক্রিকেটে ফিরবেন না।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ফাইনালের দিন উপস্থিত ছিলেন বিজয়। সতীর্থদের খেলা দেখলেও নিজের না খেলতে পারার আক্ষেপ লুকাতে পারেননি তিনি। স্টেডিয়াম ছাড়ার আগে স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দোষ ঘোষণা না করা পর্যন্ত মাঠে ফিরবেন না।
২০২৫ সালের বিপিএলে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে খেলেছিলেন বিজয়। দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার পাশাপাশি নেতৃত্বও দেন তিনি। তবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে তাকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আসর শেষে কয়েকজন ক্রিকেটার ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের পরামর্শক অ্যালেক্স মার্শালের সুপারিশে ৯ জন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। বিজয়ের পাশাপাশি সেই তালিকায় ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন, আলাউদ্দিন বাবু ও সানজামুল ইসলাম।
যদিও বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি, তবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সদ্য সমাপ্ত বিপিএলে অংশ নিতে পারেননি তারা। অন্যদিকে ঘরোয়া কিছু টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ থাকলেও অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে সুযোগ পাননি বিজয়। বিসিএলের স্কোয়াডে থাকলেও খেলেননি তিনি।
এ প্রসঙ্গে বিজয় বলেন, ‘একটা টুর্নামেন্ট খেলতে দেওয়া হবে, আরেকটাতে নয়—এভাবে চলতে পারে না। আমি ১০-১২ বছর জাতীয় দলে খেলেছি, ৫১টি সেঞ্চুরি করেছি। অনূর্ধ্ব-১৯ ও ‘এ’ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছি। আমি তো হঠাৎ করে আসিনি যে যা ইচ্ছা তাই বলা যাবে।’
অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে বিসিবিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন বিজয়। প্রমাণ পাওয়া গেলে আজীবন নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়ার কথাও বলেন। দীর্ঘ সময়েও প্রমাণ উপস্থাপন না করায় বিষয়টিকে ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিজয় বলেন, “কেউ অপরাধ করলে এক-দুই সপ্তাহেই প্রমাণ বের হওয়ার কথা। দুই বছরেও কিছু বের হয়নি মানে আমি কিছু করিনি। প্রমাণ দেখাতে পারলে আমি নিজেই ক্রিকেট ছেড়ে দেব।”
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) আগের মৌসুমে শুরুতে দল না পাওয়া এবং পরে কম পারিশ্রমিকে খেলতে হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ক্রিকেটে ফেরার শর্ত হিসেবে বিজয় বলেন, “বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে আমি অপরাধী নই, আমার পাওনা পরিশোধ করবে এবং সন্দেহের তালিকা থেকে নাম সরাবে—তারপরই ফিরব। আমি টাকার জন্য নয়, সম্মানের জন্য ক্রিকেট খেলি।”
সমস্যা সমাধানে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলেও জানান বিজয়। তবে এখনো সন্তোষজনক সাড়া পাননি বলে দাবি তার।
হতাশ বিজয়ের ভাষায়, ‘বিষয়টি ঝুলে আছে। এখন সব আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!