নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা অনলাইনে চালানো যাবে এবং এতে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হবে না।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, এবার ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। একটি আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষ হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়, তবে ওই সময়ের পরও যদি কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে ভোটার উপস্থিত থাকেন, তাহলে তাদের ভোট গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে নারী প্রার্থী ৮১ জন। সারা দেশে ৪২ হাজার ৬৫৯টি কেন্দ্রে স্বশরীরে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে আনুমানিক ৫০ শতাংশ সাধারণ এবং বাকি ৫০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র। মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৭ লাখ ৩০ হাজার পোস্টাল ব্যালট পৌঁছেছে। নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ৯ লাখ ৫৮ হাজার। দায়িত্বে থাকবেন ২ হাজার ১০০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৯৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
ভোট পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচনে ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। নজরদারি নিশ্চিত করতে ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন পাঁচ লক্ষাধিক পোলিং কর্মকর্তা। ব্যালট পেপার ও নির্বাচনী সামগ্রী বুধবার থেকে বিতরণ শুরু হয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।
তিনি বলেন, বডি-ওর্ন ক্যামেরার ফিড সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকবে। যেখানে কমিশনের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হবে, সেখানে এই ফিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভোটের দিন চার দফা ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটাররা গোপন কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। সংসদীয় আসনের ফলাফল ও গণভোটের ফল একসঙ্গে গণনা করা হবে। অধিকাংশ ফলাফল রাতেই পাওয়া যাবে। গণভোটের ফল পুরো দেশের ভোটের ওপর সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ঘোষণা করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোটার উপস্থিতি ভালো হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, ফল ঘোষণায় তাড়াহুড়ো করা যাবে না। প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে শতাধিক প্রতীক থাকায় গণনায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। কালো টাকা ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) সতর্ক নজর রাখতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা অনলাইনে চালানো যাবে এবং এতে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হবে না।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, এবার ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। একটি আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষ হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়, তবে ওই সময়ের পরও যদি কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে ভোটার উপস্থিত থাকেন, তাহলে তাদের ভোট গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে নারী প্রার্থী ৮১ জন। সারা দেশে ৪২ হাজার ৬৫৯টি কেন্দ্রে স্বশরীরে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে আনুমানিক ৫০ শতাংশ সাধারণ এবং বাকি ৫০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র। মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৭ লাখ ৩০ হাজার পোস্টাল ব্যালট পৌঁছেছে। নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ৯ লাখ ৫৮ হাজার। দায়িত্বে থাকবেন ২ হাজার ১০০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৯৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
ভোট পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচনে ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। নজরদারি নিশ্চিত করতে ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন পাঁচ লক্ষাধিক পোলিং কর্মকর্তা। ব্যালট পেপার ও নির্বাচনী সামগ্রী বুধবার থেকে বিতরণ শুরু হয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।
তিনি বলেন, বডি-ওর্ন ক্যামেরার ফিড সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকবে। যেখানে কমিশনের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হবে, সেখানে এই ফিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভোটের দিন চার দফা ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটাররা গোপন কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। সংসদীয় আসনের ফলাফল ও গণভোটের ফল একসঙ্গে গণনা করা হবে। অধিকাংশ ফলাফল রাতেই পাওয়া যাবে। গণভোটের ফল পুরো দেশের ভোটের ওপর সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ঘোষণা করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোটার উপস্থিতি ভালো হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, ফল ঘোষণায় তাড়াহুড়ো করা যাবে না। প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে শতাধিক প্রতীক থাকায় গণনায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। কালো টাকা ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) সতর্ক নজর রাখতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা অনলাইনে চালানো যাবে এবং এতে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হবে না।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, এবার ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। একটি আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষ হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়, তবে ওই সময়ের পরও যদি কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে ভোটার উপস্থিত থাকেন, তাহলে তাদের ভোট গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে নারী প্রার্থী ৮১ জন। সারা দেশে ৪২ হাজার ৬৫৯টি কেন্দ্রে স্বশরীরে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে আনুমানিক ৫০ শতাংশ সাধারণ এবং বাকি ৫০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র। মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৭ লাখ ৩০ হাজার পোস্টাল ব্যালট পৌঁছেছে। নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ৯ লাখ ৫৮ হাজার। দায়িত্বে থাকবেন ২ হাজার ১০০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৯৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
ভোট পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচনে ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। নজরদারি নিশ্চিত করতে ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন পাঁচ লক্ষাধিক পোলিং কর্মকর্তা। ব্যালট পেপার ও নির্বাচনী সামগ্রী বুধবার থেকে বিতরণ শুরু হয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।
তিনি বলেন, বডি-ওর্ন ক্যামেরার ফিড সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকবে। যেখানে কমিশনের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হবে, সেখানে এই ফিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভোটের দিন চার দফা ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটাররা গোপন কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। সংসদীয় আসনের ফলাফল ও গণভোটের ফল একসঙ্গে গণনা করা হবে। অধিকাংশ ফলাফল রাতেই পাওয়া যাবে। গণভোটের ফল পুরো দেশের ভোটের ওপর সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ঘোষণা করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোটার উপস্থিতি ভালো হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, ফল ঘোষণায় তাড়াহুড়ো করা যাবে না। প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে শতাধিক প্রতীক থাকায় গণনায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। কালো টাকা ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) সতর্ক নজর রাখতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারণা অনলাইনে চালানো যাবে এবং এতে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হবে না।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, এবার ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। একটি আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে। ভোট গ্রহণ শেষ হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়, তবে ওই সময়ের পরও যদি কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে ভোটার উপস্থিত থাকেন, তাহলে তাদের ভোট গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে নারী প্রার্থী ৮১ জন। সারা দেশে ৪২ হাজার ৬৫৯টি কেন্দ্রে স্বশরীরে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে আনুমানিক ৫০ শতাংশ সাধারণ এবং বাকি ৫০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র। মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৭ লাখ ৩০ হাজার পোস্টাল ব্যালট পৌঁছেছে। নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ৯ লাখ ৫৮ হাজার। দায়িত্বে থাকবেন ২ হাজার ১০০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৯৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
ভোট পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচনে ড্রোন ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। নজরদারি নিশ্চিত করতে ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন পাঁচ লক্ষাধিক পোলিং কর্মকর্তা। ব্যালট পেপার ও নির্বাচনী সামগ্রী বুধবার থেকে বিতরণ শুরু হয়ে সন্ধ্যার মধ্যেই কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।
তিনি বলেন, বডি-ওর্ন ক্যামেরার ফিড সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকবে। যেখানে কমিশনের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হবে, সেখানে এই ফিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভোটের দিন চার দফা ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটাররা গোপন কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। সংসদীয় আসনের ফলাফল ও গণভোটের ফল একসঙ্গে গণনা করা হবে। অধিকাংশ ফলাফল রাতেই পাওয়া যাবে। গণভোটের ফল পুরো দেশের ভোটের ওপর সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ঘোষণা করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোটার উপস্থিতি ভালো হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, ফল ঘোষণায় তাড়াহুড়ো করা যাবে না। প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে শতাধিক প্রতীক থাকায় গণনায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে। কালো টাকা ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) সতর্ক নজর রাখতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!