
আসছে রমজান মাস, মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র। সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাসে দীর্ঘ সময় খাদ্য ও পানি গ্রহণ না করার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। এ মাসে অনেকেরই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ত্বকের স্বাভাবিক কোমলতা ও উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়, ঠোঁট ফেটে যায় এবং চোখের চারপাশে কালচে দাগ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই পবিত্র রমজান মাসে ত্বক সুস্থ, আর্দ্র ও উজ্জ্বল রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রমজান মাসে খাদ্য গ্রহণের সময় ও পরিমাণে পরিবর্তন আসে। এ সময় খাবারের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম হলেও খাদ্যতালিকা হতে হবে সুষম এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। প্রতিদিনের খাবারে শর্করা, আমিষ, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের সঠিক সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে তা শুধু শরীরের জন্য নয়, ত্বকের জন্যও উপকারী হয়।
ইফতারের সময় কিছু নির্দিষ্ট ফলমূল ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খেজুর, স্ট্রবেরি ও ব্লুবেরির মতো ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এসব উপাদান ত্বকের কোষকে ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে, ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং ত্বক ভেতর থেকে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। তাই ইফতারের শুরুতেই এসব ফল অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত উপকারী।
রমজান মাসে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা ত্বকের যত্নের একটি অন্যতম প্রধান শর্ত। প্রতিদিন অন্তত ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে একবারে বেশি পানি পান না করে নির্দিষ্ট সময় পরপর অল্প অল্প করে পানি পান করাই উত্তম। এতে শরীর পানি ভালোভাবে ধরে রাখতে পারে এবং ত্বক দীর্ঘ সময় আর্দ্র থাকে। পানি ছাড়াও শরবত, ডাবের পানি, ফলের রস, দুধ এবং স্যুপ জাতীয় খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।
ইফতারের খাদ্যতালিকায় কাজুবাদাম, কাঠবাদাম ও অন্যান্য নাটজাতীয় খাবার রাখা অত্যন্ত উপকারী। এসব খাবারে পর্যাপ্ত আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফাইবার থাকে, যা শুষ্ক ত্বক রিপেয়ার করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক গ্লো বা উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে এসব খাবার গ্রহণ করলে ত্বক নরম ও মসৃণ থাকে। এছাড়া ইফতারে তরমুজ, পাকা পেঁপে, কমলালেবু, আঙুর, কলা, এভোকাডো, শশা, গাজর, লেবু, মধু, দই ও ছোলার মতো খাবার রাখা উচিত। এসব খাবারে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, সি ও ই, মিনারেল এবং প্রাকৃতিক পানি, যা ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে, ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক রিপেয়ার করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে দই ও মধু ত্বকের জন্য ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ইফতারের পর থেকে সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় যেমন চা ও কফি পরিমিত পরিমাণে বা কম পান করা উচিত। কারণ এসব পানীয় শরীরে অতিরিক্ত মূত্র তৈরি করে। নইলে এর প্রভাব ত্বকের ওপর পড়ে, ত্বক আরও শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ হয়ে ওঠে।
রমজান মাসে রাতের খাবারে আমিষসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। মুরগির মাংস, মাছ অথবা ডিমের সঙ্গে টমেটো, ব্রোকলি, দই ও লেবুর মতো খাবার অন্তর্ভুক্ত করলে শরীর পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ভিটামিন পায়। সেহরির সময়ও হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে সারাদিন ত্বক তুলনামূলক ভালো থাকে।

আসছে রমজান মাস, মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র। সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাসে দীর্ঘ সময় খাদ্য ও পানি গ্রহণ না করার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। এ মাসে অনেকেরই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ত্বকের স্বাভাবিক কোমলতা ও উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়, ঠোঁট ফেটে যায় এবং চোখের চারপাশে কালচে দাগ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই পবিত্র রমজান মাসে ত্বক সুস্থ, আর্দ্র ও উজ্জ্বল রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রমজান মাসে খাদ্য গ্রহণের সময় ও পরিমাণে পরিবর্তন আসে। এ সময় খাবারের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম হলেও খাদ্যতালিকা হতে হবে সুষম এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। প্রতিদিনের খাবারে শর্করা, আমিষ, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের সঠিক সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে তা শুধু শরীরের জন্য নয়, ত্বকের জন্যও উপকারী হয়।
ইফতারের সময় কিছু নির্দিষ্ট ফলমূল ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খেজুর, স্ট্রবেরি ও ব্লুবেরির মতো ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এসব উপাদান ত্বকের কোষকে ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে, ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং ত্বক ভেতর থেকে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। তাই ইফতারের শুরুতেই এসব ফল অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত উপকারী।
রমজান মাসে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা ত্বকের যত্নের একটি অন্যতম প্রধান শর্ত। প্রতিদিন অন্তত ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে একবারে বেশি পানি পান না করে নির্দিষ্ট সময় পরপর অল্প অল্প করে পানি পান করাই উত্তম। এতে শরীর পানি ভালোভাবে ধরে রাখতে পারে এবং ত্বক দীর্ঘ সময় আর্দ্র থাকে। পানি ছাড়াও শরবত, ডাবের পানি, ফলের রস, দুধ এবং স্যুপ জাতীয় খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।
ইফতারের খাদ্যতালিকায় কাজুবাদাম, কাঠবাদাম ও অন্যান্য নাটজাতীয় খাবার রাখা অত্যন্ত উপকারী। এসব খাবারে পর্যাপ্ত আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফাইবার থাকে, যা শুষ্ক ত্বক রিপেয়ার করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক গ্লো বা উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে এসব খাবার গ্রহণ করলে ত্বক নরম ও মসৃণ থাকে। এছাড়া ইফতারে তরমুজ, পাকা পেঁপে, কমলালেবু, আঙুর, কলা, এভোকাডো, শশা, গাজর, লেবু, মধু, দই ও ছোলার মতো খাবার রাখা উচিত। এসব খাবারে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, সি ও ই, মিনারেল এবং প্রাকৃতিক পানি, যা ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে, ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক রিপেয়ার করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে দই ও মধু ত্বকের জন্য ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ইফতারের পর থেকে সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় যেমন চা ও কফি পরিমিত পরিমাণে বা কম পান করা উচিত। কারণ এসব পানীয় শরীরে অতিরিক্ত মূত্র তৈরি করে। নইলে এর প্রভাব ত্বকের ওপর পড়ে, ত্বক আরও শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ হয়ে ওঠে।
রমজান মাসে রাতের খাবারে আমিষসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। মুরগির মাংস, মাছ অথবা ডিমের সঙ্গে টমেটো, ব্রোকলি, দই ও লেবুর মতো খাবার অন্তর্ভুক্ত করলে শরীর পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ভিটামিন পায়। সেহরির সময়ও হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে সারাদিন ত্বক তুলনামূলক ভালো থাকে।

আসছে রমজান মাস, মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র। সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাসে দীর্ঘ সময় খাদ্য ও পানি গ্রহণ না করার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। এ মাসে অনেকেরই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ত্বকের স্বাভাবিক কোমলতা ও উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়, ঠোঁট ফেটে যায় এবং চোখের চারপাশে কালচে দাগ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই পবিত্র রমজান মাসে ত্বক সুস্থ, আর্দ্র ও উজ্জ্বল রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রমজান মাসে খাদ্য গ্রহণের সময় ও পরিমাণে পরিবর্তন আসে। এ সময় খাবারের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম হলেও খাদ্যতালিকা হতে হবে সুষম এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। প্রতিদিনের খাবারে শর্করা, আমিষ, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের সঠিক সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে তা শুধু শরীরের জন্য নয়, ত্বকের জন্যও উপকারী হয়।
ইফতারের সময় কিছু নির্দিষ্ট ফলমূল ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খেজুর, স্ট্রবেরি ও ব্লুবেরির মতো ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এসব উপাদান ত্বকের কোষকে ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে, ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং ত্বক ভেতর থেকে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। তাই ইফতারের শুরুতেই এসব ফল অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত উপকারী।
রমজান মাসে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা ত্বকের যত্নের একটি অন্যতম প্রধান শর্ত। প্রতিদিন অন্তত ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে একবারে বেশি পানি পান না করে নির্দিষ্ট সময় পরপর অল্প অল্প করে পানি পান করাই উত্তম। এতে শরীর পানি ভালোভাবে ধরে রাখতে পারে এবং ত্বক দীর্ঘ সময় আর্দ্র থাকে। পানি ছাড়াও শরবত, ডাবের পানি, ফলের রস, দুধ এবং স্যুপ জাতীয় খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।
ইফতারের খাদ্যতালিকায় কাজুবাদাম, কাঠবাদাম ও অন্যান্য নাটজাতীয় খাবার রাখা অত্যন্ত উপকারী। এসব খাবারে পর্যাপ্ত আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফাইবার থাকে, যা শুষ্ক ত্বক রিপেয়ার করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক গ্লো বা উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে এসব খাবার গ্রহণ করলে ত্বক নরম ও মসৃণ থাকে। এছাড়া ইফতারে তরমুজ, পাকা পেঁপে, কমলালেবু, আঙুর, কলা, এভোকাডো, শশা, গাজর, লেবু, মধু, দই ও ছোলার মতো খাবার রাখা উচিত। এসব খাবারে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, সি ও ই, মিনারেল এবং প্রাকৃতিক পানি, যা ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে, ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক রিপেয়ার করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে দই ও মধু ত্বকের জন্য ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ইফতারের পর থেকে সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় যেমন চা ও কফি পরিমিত পরিমাণে বা কম পান করা উচিত। কারণ এসব পানীয় শরীরে অতিরিক্ত মূত্র তৈরি করে। নইলে এর প্রভাব ত্বকের ওপর পড়ে, ত্বক আরও শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ হয়ে ওঠে।
রমজান মাসে রাতের খাবারে আমিষসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। মুরগির মাংস, মাছ অথবা ডিমের সঙ্গে টমেটো, ব্রোকলি, দই ও লেবুর মতো খাবার অন্তর্ভুক্ত করলে শরীর পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ভিটামিন পায়। সেহরির সময়ও হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে সারাদিন ত্বক তুলনামূলক ভালো থাকে।

আসছে রমজান মাস, মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র। সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। এ মাসে দীর্ঘ সময় খাদ্য ও পানি গ্রহণ না করার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। এ মাসে অনেকেরই ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ত্বকের স্বাভাবিক কোমলতা ও উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়, ঠোঁট ফেটে যায় এবং চোখের চারপাশে কালচে দাগ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই পবিত্র রমজান মাসে ত্বক সুস্থ, আর্দ্র ও উজ্জ্বল রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রমজান মাসে খাদ্য গ্রহণের সময় ও পরিমাণে পরিবর্তন আসে। এ সময় খাবারের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম হলেও খাদ্যতালিকা হতে হবে সুষম এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। প্রতিদিনের খাবারে শর্করা, আমিষ, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের সঠিক সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে তা শুধু শরীরের জন্য নয়, ত্বকের জন্যও উপকারী হয়।
ইফতারের সময় কিছু নির্দিষ্ট ফলমূল ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খেজুর, স্ট্রবেরি ও ব্লুবেরির মতো ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এসব উপাদান ত্বকের কোষকে ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে, ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং ত্বক ভেতর থেকে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। তাই ইফতারের শুরুতেই এসব ফল অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত উপকারী।
রমজান মাসে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা ত্বকের যত্নের একটি অন্যতম প্রধান শর্ত। প্রতিদিন অন্তত ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে একবারে বেশি পানি পান না করে নির্দিষ্ট সময় পরপর অল্প অল্প করে পানি পান করাই উত্তম। এতে শরীর পানি ভালোভাবে ধরে রাখতে পারে এবং ত্বক দীর্ঘ সময় আর্দ্র থাকে। পানি ছাড়াও শরবত, ডাবের পানি, ফলের রস, দুধ এবং স্যুপ জাতীয় খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।
ইফতারের খাদ্যতালিকায় কাজুবাদাম, কাঠবাদাম ও অন্যান্য নাটজাতীয় খাবার রাখা অত্যন্ত উপকারী। এসব খাবারে পর্যাপ্ত আমিষ, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফাইবার থাকে, যা শুষ্ক ত্বক রিপেয়ার করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক গ্লো বা উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে এসব খাবার গ্রহণ করলে ত্বক নরম ও মসৃণ থাকে। এছাড়া ইফতারে তরমুজ, পাকা পেঁপে, কমলালেবু, আঙুর, কলা, এভোকাডো, শশা, গাজর, লেবু, মধু, দই ও ছোলার মতো খাবার রাখা উচিত। এসব খাবারে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, সি ও ই, মিনারেল এবং প্রাকৃতিক পানি, যা ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে, ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক রিপেয়ার করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে দই ও মধু ত্বকের জন্য ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায় এবং ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ইফতারের পর থেকে সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় যেমন চা ও কফি পরিমিত পরিমাণে বা কম পান করা উচিত। কারণ এসব পানীয় শরীরে অতিরিক্ত মূত্র তৈরি করে। নইলে এর প্রভাব ত্বকের ওপর পড়ে, ত্বক আরও শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ হয়ে ওঠে।
রমজান মাসে রাতের খাবারে আমিষসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। মুরগির মাংস, মাছ অথবা ডিমের সঙ্গে টমেটো, ব্রোকলি, দই ও লেবুর মতো খাবার অন্তর্ভুক্ত করলে শরীর পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ভিটামিন পায়। সেহরির সময়ও হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে সারাদিন ত্বক তুলনামূলক ভালো থাকে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!