বাংলাদেশ সময় আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোর ৬টায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। এরপর আর যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের হাতে বেশি সময় নেই’। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে মার্কিন সেনারা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
ট্রাম্পের ভাষায়, যুদ্ধবিরতির সময় সেনারা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং নির্দেশ পেলেই ইরানে হামলা চালাতে সক্ষম। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে।
এদিকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা) জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে দ্বিতীয় দফা আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ সফরে যাচ্ছেন।
তবে আলোচনায় ইরানের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত। ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘হুমকির মুখে ইরান কোনো আলোচনায় বসবে না।’
অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে অঞ্চলটি নতুন করে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বাংলাদেশ সময় আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোর ৬টায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। এরপর আর যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের হাতে বেশি সময় নেই’। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে মার্কিন সেনারা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
ট্রাম্পের ভাষায়, যুদ্ধবিরতির সময় সেনারা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং নির্দেশ পেলেই ইরানে হামলা চালাতে সক্ষম। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে।
এদিকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা) জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে দ্বিতীয় দফা আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ সফরে যাচ্ছেন।
তবে আলোচনায় ইরানের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত। ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘হুমকির মুখে ইরান কোনো আলোচনায় বসবে না।’
অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে অঞ্চলটি নতুন করে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বাংলাদেশ সময় আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোর ৬টায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। এরপর আর যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের হাতে বেশি সময় নেই’। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে মার্কিন সেনারা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
ট্রাম্পের ভাষায়, যুদ্ধবিরতির সময় সেনারা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং নির্দেশ পেলেই ইরানে হামলা চালাতে সক্ষম। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে।
এদিকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা) জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে দ্বিতীয় দফা আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ সফরে যাচ্ছেন।
তবে আলোচনায় ইরানের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত। ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘হুমকির মুখে ইরান কোনো আলোচনায় বসবে না।’
অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে অঞ্চলটি নতুন করে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বাংলাদেশ সময় আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোর ৬টায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। এরপর আর যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের হাতে বেশি সময় নেই’। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চুক্তি না হলে মার্কিন সেনারা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
ট্রাম্পের ভাষায়, যুদ্ধবিরতির সময় সেনারা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং নির্দেশ পেলেই ইরানে হামলা চালাতে সক্ষম। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে।
এদিকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা) জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে দ্বিতীয় দফা আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ সফরে যাচ্ছেন।
তবে আলোচনায় ইরানের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত। ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘হুমকির মুখে ইরান কোনো আলোচনায় বসবে না।’
অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চুক্তি না হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে অঞ্চলটি নতুন করে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!