ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার সদ্য পদায়ন পাওয়া দুই পুলিশ সুপার (এসপি)কে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। তারা হলেন—ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমান।
সোমবার (১১ মে) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে গত শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে তাদের প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদেশ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার হিসেবে কর্মরত মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ১০ মে’র মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়। একইভাবে পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকেও দায়িত্ব হস্তান্তর করে সদর দপ্তরে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ৫ মে সারাদেশে ১২ জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল করা হয়। এরপর ফেনী ও পঞ্চগড়ে নতুন এসপি পদায়ন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়।
বিশেষ করে ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরে তার নিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়, যেখানে নিয়োগ বাতিল ও তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে আলোচিত দুই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করায় পুলিশ প্রশাসনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার সদ্য পদায়ন পাওয়া দুই পুলিশ সুপার (এসপি)কে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। তারা হলেন—ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমান।
সোমবার (১১ মে) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে গত শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে তাদের প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদেশ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার হিসেবে কর্মরত মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ১০ মে’র মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়। একইভাবে পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকেও দায়িত্ব হস্তান্তর করে সদর দপ্তরে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ৫ মে সারাদেশে ১২ জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল করা হয়। এরপর ফেনী ও পঞ্চগড়ে নতুন এসপি পদায়ন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়।
বিশেষ করে ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরে তার নিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়, যেখানে নিয়োগ বাতিল ও তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে আলোচিত দুই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করায় পুলিশ প্রশাসনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার সদ্য পদায়ন পাওয়া দুই পুলিশ সুপার (এসপি)কে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। তারা হলেন—ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমান।
সোমবার (১১ মে) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে গত শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে তাদের প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদেশ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার হিসেবে কর্মরত মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ১০ মে’র মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়। একইভাবে পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকেও দায়িত্ব হস্তান্তর করে সদর দপ্তরে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ৫ মে সারাদেশে ১২ জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল করা হয়। এরপর ফেনী ও পঞ্চগড়ে নতুন এসপি পদায়ন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়।
বিশেষ করে ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরে তার নিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়, যেখানে নিয়োগ বাতিল ও তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে আলোচিত দুই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করায় পুলিশ প্রশাসনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ফেনী ও পঞ্চগড় জেলার সদ্য পদায়ন পাওয়া দুই পুলিশ সুপার (এসপি)কে প্রত্যাহার করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। তারা হলেন—ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমান।
সোমবার (১১ মে) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এর আগে গত শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে তাদের প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদেশ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার হিসেবে কর্মরত মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে ১০ মে’র মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করতে বলা হয়। একইভাবে পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকেও দায়িত্ব হস্তান্তর করে সদর দপ্তরে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ৫ মে সারাদেশে ১২ জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল করা হয়। এরপর ফেনী ও পঞ্চগড়ে নতুন এসপি পদায়ন নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়।
বিশেষ করে ফেনীর এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরে তার নিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়, যেখানে নিয়োগ বাতিল ও তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে আলোচিত দুই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করায় পুলিশ প্রশাসনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!