জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
শনিবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পর্যাপ্ত বাস না থাকায় অনেকেই গন্তব্যে যেতে না পেরে বিপাকে পড়ছেন। বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ভাড়া বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ে যানবাহন না পাওয়ায় সময় ও অর্থ—দুইই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ঢাকাগামী যাত্রী আরিফুর রেজা বলেন, সকাল ৯টার বাসের টিকিট কাটলেও তেলের অভাবে বাসটি দুই ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে। একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান চট্টগ্রামগামী আরেক যাত্রী আতিকুর রহমান স্বজন।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বেশিরভাগ পরিবহন ট্রিপ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে প্রতিদিনের তুলনায় অর্ধেকেরও কম বাস চলাচল করছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজান রাজন জানান, জ্বালানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যাতে কোনো কৃত্রিম সংকট বা অবৈধ মজুদ সৃষ্টি না হয় এবং সাধারণ মানুষ সহজে জ্বালানি পেতে পারে।
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
শনিবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পর্যাপ্ত বাস না থাকায় অনেকেই গন্তব্যে যেতে না পেরে বিপাকে পড়ছেন। বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ভাড়া বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ে যানবাহন না পাওয়ায় সময় ও অর্থ—দুইই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ঢাকাগামী যাত্রী আরিফুর রেজা বলেন, সকাল ৯টার বাসের টিকিট কাটলেও তেলের অভাবে বাসটি দুই ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে। একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান চট্টগ্রামগামী আরেক যাত্রী আতিকুর রহমান স্বজন।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বেশিরভাগ পরিবহন ট্রিপ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে প্রতিদিনের তুলনায় অর্ধেকেরও কম বাস চলাচল করছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজান রাজন জানান, জ্বালানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যাতে কোনো কৃত্রিম সংকট বা অবৈধ মজুদ সৃষ্টি না হয় এবং সাধারণ মানুষ সহজে জ্বালানি পেতে পারে।
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
শনিবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পর্যাপ্ত বাস না থাকায় অনেকেই গন্তব্যে যেতে না পেরে বিপাকে পড়ছেন। বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ভাড়া বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ে যানবাহন না পাওয়ায় সময় ও অর্থ—দুইই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ঢাকাগামী যাত্রী আরিফুর রেজা বলেন, সকাল ৯টার বাসের টিকিট কাটলেও তেলের অভাবে বাসটি দুই ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে। একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান চট্টগ্রামগামী আরেক যাত্রী আতিকুর রহমান স্বজন।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বেশিরভাগ পরিবহন ট্রিপ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে প্রতিদিনের তুলনায় অর্ধেকেরও কম বাস চলাচল করছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজান রাজন জানান, জ্বালানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যাতে কোনো কৃত্রিম সংকট বা অবৈধ মজুদ সৃষ্টি না হয় এবং সাধারণ মানুষ সহজে জ্বালানি পেতে পারে।
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
শনিবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পর্যাপ্ত বাস না থাকায় অনেকেই গন্তব্যে যেতে না পেরে বিপাকে পড়ছেন। বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ভাড়া বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ে যানবাহন না পাওয়ায় সময় ও অর্থ—দুইই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ঢাকাগামী যাত্রী আরিফুর রেজা বলেন, সকাল ৯টার বাসের টিকিট কাটলেও তেলের অভাবে বাসটি দুই ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে। একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান চট্টগ্রামগামী আরেক যাত্রী আতিকুর রহমান স্বজন।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বেশিরভাগ পরিবহন ট্রিপ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে প্রতিদিনের তুলনায় অর্ধেকেরও কম বাস চলাচল করছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজান রাজন জানান, জ্বালানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যাতে কোনো কৃত্রিম সংকট বা অবৈধ মজুদ সৃষ্টি না হয় এবং সাধারণ মানুষ সহজে জ্বালানি পেতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!