বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘একটি দল ৫ আগস্টের পর মা-বোনদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে, ঘরে বন্দি করতে চাচ্ছে। তারা এনআইডি ও বিকাশ নম্বর নিচ্ছে। অসৎ প্রস্তাব দিয়ে তারা কীভাবে সৎ শাসন কায়েম করবে?’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। তারেক বলেন, এক দলের প্রধান বিদেশি মিডিয়ায় নারীদের বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, যা মিথ্যা তথ্য দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ‘যারা প্রকাশ্যে মিথ্যা কথা বলতে পারে, তাদের কাছ থেকে জনগণ ভালো কিছু আশা করতে পারে না,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নারীদের শিক্ষার জন্য বিগত সরকারের মতোই বিএনপি সরকার গঠন করলে মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। ভোটাধিকার রক্ষায় জনসাধারণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের মতো ভোটকে বাধাগ্রস্ত করতে কোনো দল উঠেপড়ে লেগেছে, তাদের প্রতিহত করতে হবে।’
উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, যশোরের ফুলকে বিদেশে রপ্তানি, এ অঞ্চলের চিনি শিল্প চালু করা এবং খাল-বিল পুনঃখননসহ জিকে প্রকল্প পুনরায় শুরু করা হবে। এছাড়া মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মের পুরোহিতদের রাষ্ট্র সম্মানী দেওয়া হবে।
জনসভায় সাত জেলার ২২টি আসনের বিএনপি প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেন তারেক রহমান এবং তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
বিএনপি সরকার গঠন করলে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্য ধর্মের পুরোহিতদের রাষ্ট্র সম্মানী দেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়বে।
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম, ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরদার, নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মাগুরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, যশোর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু প্রমুখ।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জনসভা পরিচালনা করেন।
এর আগে দলীয় প্রধানের আগমনকে ঘিরে সমাবেশস্থল মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। সকাল থেকে রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও পতাকা হাতে স্লোগানে স্লোগানে দলীয় নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে প্রবেশ করতে থাকেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরো সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘একটি দল ৫ আগস্টের পর মা-বোনদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে, ঘরে বন্দি করতে চাচ্ছে। তারা এনআইডি ও বিকাশ নম্বর নিচ্ছে। অসৎ প্রস্তাব দিয়ে তারা কীভাবে সৎ শাসন কায়েম করবে?’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। তারেক বলেন, এক দলের প্রধান বিদেশি মিডিয়ায় নারীদের বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, যা মিথ্যা তথ্য দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ‘যারা প্রকাশ্যে মিথ্যা কথা বলতে পারে, তাদের কাছ থেকে জনগণ ভালো কিছু আশা করতে পারে না,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নারীদের শিক্ষার জন্য বিগত সরকারের মতোই বিএনপি সরকার গঠন করলে মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। ভোটাধিকার রক্ষায় জনসাধারণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের মতো ভোটকে বাধাগ্রস্ত করতে কোনো দল উঠেপড়ে লেগেছে, তাদের প্রতিহত করতে হবে।’
উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, যশোরের ফুলকে বিদেশে রপ্তানি, এ অঞ্চলের চিনি শিল্প চালু করা এবং খাল-বিল পুনঃখননসহ জিকে প্রকল্প পুনরায় শুরু করা হবে। এছাড়া মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মের পুরোহিতদের রাষ্ট্র সম্মানী দেওয়া হবে।
জনসভায় সাত জেলার ২২টি আসনের বিএনপি প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেন তারেক রহমান এবং তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
বিএনপি সরকার গঠন করলে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্য ধর্মের পুরোহিতদের রাষ্ট্র সম্মানী দেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়বে।
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম, ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরদার, নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মাগুরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, যশোর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু প্রমুখ।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জনসভা পরিচালনা করেন।
এর আগে দলীয় প্রধানের আগমনকে ঘিরে সমাবেশস্থল মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। সকাল থেকে রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও পতাকা হাতে স্লোগানে স্লোগানে দলীয় নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে প্রবেশ করতে থাকেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরো সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘একটি দল ৫ আগস্টের পর মা-বোনদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে, ঘরে বন্দি করতে চাচ্ছে। তারা এনআইডি ও বিকাশ নম্বর নিচ্ছে। অসৎ প্রস্তাব দিয়ে তারা কীভাবে সৎ শাসন কায়েম করবে?’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। তারেক বলেন, এক দলের প্রধান বিদেশি মিডিয়ায় নারীদের বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, যা মিথ্যা তথ্য দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ‘যারা প্রকাশ্যে মিথ্যা কথা বলতে পারে, তাদের কাছ থেকে জনগণ ভালো কিছু আশা করতে পারে না,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নারীদের শিক্ষার জন্য বিগত সরকারের মতোই বিএনপি সরকার গঠন করলে মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। ভোটাধিকার রক্ষায় জনসাধারণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের মতো ভোটকে বাধাগ্রস্ত করতে কোনো দল উঠেপড়ে লেগেছে, তাদের প্রতিহত করতে হবে।’
উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, যশোরের ফুলকে বিদেশে রপ্তানি, এ অঞ্চলের চিনি শিল্প চালু করা এবং খাল-বিল পুনঃখননসহ জিকে প্রকল্প পুনরায় শুরু করা হবে। এছাড়া মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মের পুরোহিতদের রাষ্ট্র সম্মানী দেওয়া হবে।
জনসভায় সাত জেলার ২২টি আসনের বিএনপি প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেন তারেক রহমান এবং তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
বিএনপি সরকার গঠন করলে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্য ধর্মের পুরোহিতদের রাষ্ট্র সম্মানী দেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়বে।
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম, ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরদার, নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মাগুরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, যশোর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু প্রমুখ।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জনসভা পরিচালনা করেন।
এর আগে দলীয় প্রধানের আগমনকে ঘিরে সমাবেশস্থল মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। সকাল থেকে রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও পতাকা হাতে স্লোগানে স্লোগানে দলীয় নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে প্রবেশ করতে থাকেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরো সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘একটি দল ৫ আগস্টের পর মা-বোনদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে, ঘরে বন্দি করতে চাচ্ছে। তারা এনআইডি ও বিকাশ নম্বর নিচ্ছে। অসৎ প্রস্তাব দিয়ে তারা কীভাবে সৎ শাসন কায়েম করবে?’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। তারেক বলেন, এক দলের প্রধান বিদেশি মিডিয়ায় নারীদের বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, যা মিথ্যা তথ্য দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ‘যারা প্রকাশ্যে মিথ্যা কথা বলতে পারে, তাদের কাছ থেকে জনগণ ভালো কিছু আশা করতে পারে না,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নারীদের শিক্ষার জন্য বিগত সরকারের মতোই বিএনপি সরকার গঠন করলে মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। ভোটাধিকার রক্ষায় জনসাধারণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের মতো ভোটকে বাধাগ্রস্ত করতে কোনো দল উঠেপড়ে লেগেছে, তাদের প্রতিহত করতে হবে।’
উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, যশোরের ফুলকে বিদেশে রপ্তানি, এ অঞ্চলের চিনি শিল্প চালু করা এবং খাল-বিল পুনঃখননসহ জিকে প্রকল্প পুনরায় শুরু করা হবে। এছাড়া মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মের পুরোহিতদের রাষ্ট্র সম্মানী দেওয়া হবে।
জনসভায় সাত জেলার ২২টি আসনের বিএনপি প্রার্থীদের হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেন তারেক রহমান এবং তাদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
বিএনপি সরকার গঠন করলে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্য ধর্মের পুরোহিতদের রাষ্ট্র সম্মানী দেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়বে।
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম, ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরদার, নড়াইল জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মাগুরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদ, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, যশোর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু প্রমুখ।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জনসভা পরিচালনা করেন।
এর আগে দলীয় প্রধানের আগমনকে ঘিরে সমাবেশস্থল মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়। সকাল থেকে রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও পতাকা হাতে স্লোগানে স্লোগানে দলীয় নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে প্রবেশ করতে থাকেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরো সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!