
জ্বালানি সংকটে আয় অর্ধেকে নেমে এসেছে রাজধানীর রাইড শেয়ার চালকদের। তাদের অভিযোগ, পাম্পগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল মিলছে না। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন অনেক রাইড শেয়ার চালক।
সম্প্রতি সময় সংবাদের সঙ্গে কথা হয় রাইড শেয়ার চালক মহিদুলের। সকাল গড়িয়ে দুপুর, তবুও পাম্প থেকে তেল নিতে অপেক্ষা শেষ হয় না তার। করোনা মহামারিতে ব্যবসা হারিয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তানের সংসার চলত মোটরসাইকেল চালিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক জ্বালানি সরবরাহের অচলাবস্থা তার জীবনে নতুন সংকট তৈরি করেছে।
মহিদুল বলেন, খরচ বাদ দিয়ে ঘরে নিয়ে ফেরার মতো তেমন কিছুই থাকে না। সারাদিন তেলে লাইনেই সব সময় শেষ হয়ে যায়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর ক্লান্ত হয়ে আসে। রোদে পুড়ে শরীর কালো হয়ে যাচ্ছে।
জ্বালানি সংকটে অন্যান্য রাইড শেয়ার চালকদের অবস্থাও মহিদুলের মতোই। তাদের আয় কমে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। বাড়তি আয়ের আশায় অনেকেই অ্যাপস ছেড়ে অফলাইনে ভাড়া চালাচ্ছেন, কেউ কেউ পেশা বদলের কথাও ভাবছেন।
রাইড শেয়ার চালকরা বলেন, ৫০০ টাকার তেল নিতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় চলে যায়; যার কারণে সারাদিনে আয় হয় না। সারাদিনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা আয় হলেও তা দিয়ে সংসার চলে না। রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, তখন আর গাড়ি চালাতে মন চায় না।
তবে পাম্প মালিকরা বলছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিয়ে কিছু চালক সেই তেল বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাম্প ম্যানেজাররা বলেন, যে বাইক কাস্টমার আগে দিনে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার তেল নিত, এখন তাকে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকার তেল দিতে হচ্ছে। তারা এই তেল বোতলজাত করে বিক্রি করছে। এছাড়া আগে প্রাইভেট কারে যেখানে ১৪-১৫ লিটার লাগত, এখন সেটা বাড়িয়ে ৩০ লিটার নিচ্ছে। একবার তেল নেয়ার পর আবারও অনেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন তেল নেয়ার জন্য।
পাম্প মালিক আর রাইড শেয়ার চালকদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া মেটাতে দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, উবার-পাঠাওসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চালকরা অনেকেই ডাবল পরিমাণ তেল নিচ্ছেন এবং সেই তেল বাইরে বিক্রি করছেন। এর প্রভাব পড়ছে ভাড়াতেও। আগে যে ভাড়া ২০০ টাকা ছিল, এখন তা ২৫০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে।
মূলত কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের তিনটি দেশের যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জ্বালানি খাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে জ্বালানি সংকটের প্রভাব আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি সংকটে আয় অর্ধেকে নেমে এসেছে রাজধানীর রাইড শেয়ার চালকদের। তাদের অভিযোগ, পাম্পগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল মিলছে না। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন অনেক রাইড শেয়ার চালক।
সম্প্রতি সময় সংবাদের সঙ্গে কথা হয় রাইড শেয়ার চালক মহিদুলের। সকাল গড়িয়ে দুপুর, তবুও পাম্প থেকে তেল নিতে অপেক্ষা শেষ হয় না তার। করোনা মহামারিতে ব্যবসা হারিয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তানের সংসার চলত মোটরসাইকেল চালিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক জ্বালানি সরবরাহের অচলাবস্থা তার জীবনে নতুন সংকট তৈরি করেছে।
মহিদুল বলেন, খরচ বাদ দিয়ে ঘরে নিয়ে ফেরার মতো তেমন কিছুই থাকে না। সারাদিন তেলে লাইনেই সব সময় শেষ হয়ে যায়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর ক্লান্ত হয়ে আসে। রোদে পুড়ে শরীর কালো হয়ে যাচ্ছে।
জ্বালানি সংকটে অন্যান্য রাইড শেয়ার চালকদের অবস্থাও মহিদুলের মতোই। তাদের আয় কমে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। বাড়তি আয়ের আশায় অনেকেই অ্যাপস ছেড়ে অফলাইনে ভাড়া চালাচ্ছেন, কেউ কেউ পেশা বদলের কথাও ভাবছেন।
রাইড শেয়ার চালকরা বলেন, ৫০০ টাকার তেল নিতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় চলে যায়; যার কারণে সারাদিনে আয় হয় না। সারাদিনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা আয় হলেও তা দিয়ে সংসার চলে না। রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, তখন আর গাড়ি চালাতে মন চায় না।
তবে পাম্প মালিকরা বলছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিয়ে কিছু চালক সেই তেল বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাম্প ম্যানেজাররা বলেন, যে বাইক কাস্টমার আগে দিনে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার তেল নিত, এখন তাকে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকার তেল দিতে হচ্ছে। তারা এই তেল বোতলজাত করে বিক্রি করছে। এছাড়া আগে প্রাইভেট কারে যেখানে ১৪-১৫ লিটার লাগত, এখন সেটা বাড়িয়ে ৩০ লিটার নিচ্ছে। একবার তেল নেয়ার পর আবারও অনেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন তেল নেয়ার জন্য।
পাম্প মালিক আর রাইড শেয়ার চালকদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া মেটাতে দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, উবার-পাঠাওসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চালকরা অনেকেই ডাবল পরিমাণ তেল নিচ্ছেন এবং সেই তেল বাইরে বিক্রি করছেন। এর প্রভাব পড়ছে ভাড়াতেও। আগে যে ভাড়া ২০০ টাকা ছিল, এখন তা ২৫০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে।
মূলত কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের তিনটি দেশের যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জ্বালানি খাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে জ্বালানি সংকটের প্রভাব আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি সংকটে আয় অর্ধেকে নেমে এসেছে রাজধানীর রাইড শেয়ার চালকদের। তাদের অভিযোগ, পাম্পগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল মিলছে না। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন অনেক রাইড শেয়ার চালক।
সম্প্রতি সময় সংবাদের সঙ্গে কথা হয় রাইড শেয়ার চালক মহিদুলের। সকাল গড়িয়ে দুপুর, তবুও পাম্প থেকে তেল নিতে অপেক্ষা শেষ হয় না তার। করোনা মহামারিতে ব্যবসা হারিয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তানের সংসার চলত মোটরসাইকেল চালিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক জ্বালানি সরবরাহের অচলাবস্থা তার জীবনে নতুন সংকট তৈরি করেছে।
মহিদুল বলেন, খরচ বাদ দিয়ে ঘরে নিয়ে ফেরার মতো তেমন কিছুই থাকে না। সারাদিন তেলে লাইনেই সব সময় শেষ হয়ে যায়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর ক্লান্ত হয়ে আসে। রোদে পুড়ে শরীর কালো হয়ে যাচ্ছে।
জ্বালানি সংকটে অন্যান্য রাইড শেয়ার চালকদের অবস্থাও মহিদুলের মতোই। তাদের আয় কমে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। বাড়তি আয়ের আশায় অনেকেই অ্যাপস ছেড়ে অফলাইনে ভাড়া চালাচ্ছেন, কেউ কেউ পেশা বদলের কথাও ভাবছেন।
রাইড শেয়ার চালকরা বলেন, ৫০০ টাকার তেল নিতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় চলে যায়; যার কারণে সারাদিনে আয় হয় না। সারাদিনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা আয় হলেও তা দিয়ে সংসার চলে না। রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, তখন আর গাড়ি চালাতে মন চায় না।
তবে পাম্প মালিকরা বলছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিয়ে কিছু চালক সেই তেল বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাম্প ম্যানেজাররা বলেন, যে বাইক কাস্টমার আগে দিনে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার তেল নিত, এখন তাকে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকার তেল দিতে হচ্ছে। তারা এই তেল বোতলজাত করে বিক্রি করছে। এছাড়া আগে প্রাইভেট কারে যেখানে ১৪-১৫ লিটার লাগত, এখন সেটা বাড়িয়ে ৩০ লিটার নিচ্ছে। একবার তেল নেয়ার পর আবারও অনেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন তেল নেয়ার জন্য।
পাম্প মালিক আর রাইড শেয়ার চালকদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া মেটাতে দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, উবার-পাঠাওসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চালকরা অনেকেই ডাবল পরিমাণ তেল নিচ্ছেন এবং সেই তেল বাইরে বিক্রি করছেন। এর প্রভাব পড়ছে ভাড়াতেও। আগে যে ভাড়া ২০০ টাকা ছিল, এখন তা ২৫০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে।
মূলত কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের তিনটি দেশের যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জ্বালানি খাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে জ্বালানি সংকটের প্রভাব আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি সংকটে আয় অর্ধেকে নেমে এসেছে রাজধানীর রাইড শেয়ার চালকদের। তাদের অভিযোগ, পাম্পগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল মিলছে না। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন অনেক রাইড শেয়ার চালক।
সম্প্রতি সময় সংবাদের সঙ্গে কথা হয় রাইড শেয়ার চালক মহিদুলের। সকাল গড়িয়ে দুপুর, তবুও পাম্প থেকে তেল নিতে অপেক্ষা শেষ হয় না তার। করোনা মহামারিতে ব্যবসা হারিয়ে স্ত্রী ও তিন সন্তানের সংসার চলত মোটরসাইকেল চালিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক জ্বালানি সরবরাহের অচলাবস্থা তার জীবনে নতুন সংকট তৈরি করেছে।
মহিদুল বলেন, খরচ বাদ দিয়ে ঘরে নিয়ে ফেরার মতো তেমন কিছুই থাকে না। সারাদিন তেলে লাইনেই সব সময় শেষ হয়ে যায়। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর ক্লান্ত হয়ে আসে। রোদে পুড়ে শরীর কালো হয়ে যাচ্ছে।
জ্বালানি সংকটে অন্যান্য রাইড শেয়ার চালকদের অবস্থাও মহিদুলের মতোই। তাদের আয় কমে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। বাড়তি আয়ের আশায় অনেকেই অ্যাপস ছেড়ে অফলাইনে ভাড়া চালাচ্ছেন, কেউ কেউ পেশা বদলের কথাও ভাবছেন।
রাইড শেয়ার চালকরা বলেন, ৫০০ টাকার তেল নিতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় চলে যায়; যার কারণে সারাদিনে আয় হয় না। সারাদিনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা আয় হলেও তা দিয়ে সংসার চলে না। রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, তখন আর গাড়ি চালাতে মন চায় না।
তবে পাম্প মালিকরা বলছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিয়ে কিছু চালক সেই তেল বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাম্প ম্যানেজাররা বলেন, যে বাইক কাস্টমার আগে দিনে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার তেল নিত, এখন তাকে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকার তেল দিতে হচ্ছে। তারা এই তেল বোতলজাত করে বিক্রি করছে। এছাড়া আগে প্রাইভেট কারে যেখানে ১৪-১৫ লিটার লাগত, এখন সেটা বাড়িয়ে ৩০ লিটার নিচ্ছে। একবার তেল নেয়ার পর আবারও অনেকে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন তেল নেয়ার জন্য।
পাম্প মালিক আর রাইড শেয়ার চালকদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া মেটাতে দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, উবার-পাঠাওসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চালকরা অনেকেই ডাবল পরিমাণ তেল নিচ্ছেন এবং সেই তেল বাইরে বিক্রি করছেন। এর প্রভাব পড়ছে ভাড়াতেও। আগে যে ভাড়া ২০০ টাকা ছিল, এখন তা ২৫০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে।
মূলত কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের তিনটি দেশের যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জ্বালানি খাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে জ্বালানি সংকটের প্রভাব আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!