• সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

স্থায়ী ঠিকানা পেল আরও ১৮ হাজারের বেশি পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ঘর পেল আরও ১৮ হাজার ৫৬৬টি পরিবার। মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর পঞ্চম পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে এসব ঘর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের আরও ২৬টি জেলার সব উপজেলাসহ মোট ৭০ উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হলো। এদের মধ্যে দিয়ে কক্সবাজারের ৫৮টি জেলা ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত হলো।

আজ মঙ্গলবার (১১জুন) বেলা ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা, কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা এবং ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে সুবিধাভোগীদের জমির মালিকানা দলিলসহ বাড়ি হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমালে যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ভেঙে গেছে তাঁদের নতুন করে ঘর করে দেওয়া হবে। এসময় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতাকে হত্যা করার পর অবৈধভাবে ক্ষমতার দখলকারীরা এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে ব্যস্ত ছিল। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জনগণের সেবক হিসেবে যাত্রা শুরু করে। তখন থেকেই ভূমিহীন মানুষদের জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের অধিকার আদায়ে সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর নীতি ও আদর্শের ধারাবাহিকতায় ভূমিহীনদের আবাসনের ব্যবস্থা করছে সরকার। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের মাধ্যমে সবার ভাগ্য বদলে গেছে। ছিন্নমূল মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদা ফিরে এসেছে।

প্রসঙ্গত-আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ সরকার আবারও ক্ষমতায় আসার পর ২০২০ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ‘মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহ ও ভূমিহীন থাকবে না’– প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েই শুরু হয়েছিল প্রকল্পটির যাত্রা। এ জন্য সারাদেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবারের তালিকা করে তাদের জমিসহ ঘর উপহার দিচ্ছেন তিনি।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে এই পাঁচ পর্যায়ে মোট হস্তান্তরিত একক গৃহের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে দুই লাখ ৬৬ হাজার ১২টি। যার মধ্যে চতুর্থ পর্যায়ে চরাঞ্চলে বরাদ্দকৃত বিশেষ ডিজাইনের গৃহের সংখ্যা ১ হাজার ৩৭৩টি এবং পার্বত্যাঞ্চলের বিশেষ ডিজাইনের মাচাং ঘর ৬৩৪টি।


আপনার মতামত লিখুন :
এ জাতীয় আরও খবর