• সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ১০:১০ পূর্বাহ্ন

শেখ হাসিনা : এক বিস্ময়ের নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০২৪

শেখ হাসিনা এখন এক বিস্ময়ের নাম। শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্বেই শেখ হাসিনা এখন অন্য এক মর্যাদায় আসীন। একজন নারী হয়ে বাংলাদেশের মতো একটি দেশে টানা চতুর্থ মেয়াদে ১৫ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা সহজ কথা নয়। প্রথম মেয়াদের ৫ বছর ধরলে ৫৩ বছর বয়সী বাংলাদেশের ২০ বছরই শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

অথচ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর কেউ কি ভেবেছিলেন তার কন্যাই তার অসমাপ্ত স্বপ্ন সফল করার দায়িত্ব নেবেন বা ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা যখন দেশে ফিরে আসেন, তখনো কেউ ভেবেছিলেন, শেখ হাসিনা একদিন বাংলাদেশকে ডিজিটাল থেকে স্মার্ট, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে তুলে আনবেন। বাঙালি জাতির ভাগ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেট বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার নাগাল পায়নি।

রাজনীতি, রাজপথ থেকে নির্বাসিত অনেক আগেই। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিবেচনায়ও আমাদের অবস্থান তলানিতে। উন্নয়নের দোহাই দিয়ে মানবাধিকার-গণতন্ত্রকে আড়াল করা হচ্ছে। যতই উন্নয়নের গল্প শোনানো হোক গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই। গণতান্ত্রিক পন্থায় উন্নয়নই টেকসই উন্নয়ন।

শেখ হাসিনা আমার খুব প্রিয় চরিত্র। তিনি একজন মানবিক মানুষ, ভালো-মন্দ মিলিয়েই তিনি। তাই তাকে যেমন ভালোবাসি, তেমনি অনেক সমালোচনাও আছে। আমি জানি, খোলা মনে সমালোচনা গ্রহণ করার ঔদার্য শেখ হাসিনার আছে। পরিবারের প্রায় সবাইকে হারিয়ে, ২১ বার হত্যার চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়া শেখ হাসিনা আসলে সর্বংসহা। তবে নব্য আওয়ামী লীগাররা শেখ হাসিনার কোনো সমালোচনাকেই গ্রহণ করতে পারেন না। ১৫ বছরে আমরা ভিন্নমতকে পায়ে দলিত করে অদ্ভুত এক ‘সহমত ভাই’য়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলেছি।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর দেশে নেমে আসে ঘোর অমানিশা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপরীতে দেশে শুরু হয় পাকিস্তানিকরণ। স্বাধীনতা বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত হয়ে যান। রাজনীতি ঢুকে পড়ে ক্যান্টনমেন্টে। এই সময় ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তখন তার বয়স মাত্র ৩৪ বছর।

আওয়ামী লীগের মতো বড়, কোন্দল কবলিত এবং বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর সরকারি নিষ্পেষণে ধ্বংস প্রায় একটি দলের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়াটা ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। শেখ হাসিনা সেই দায়িত্ব কতটা পালন করতে পারবেন, তা নিয়ে সংশয় ছিল অনেকেরই। দলের ঐক্যের প্রতীক হিসেবেই শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

যারা তাকে ফিরিয়ে এনেছেন, তাদেরও ধারণা ছিল, শেখ হাসিনাকে সামনে রেখে তারাই দল চালাবেন। কিন্তু শেখ হাসিনা সবাইকে চমকে দিয়েছেন। ১৯৮১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব শুধু পালনই করেননি; আওয়ামী লীগকে তুলে এনেছেন অন্যরকম উচ্চতায়।

১৯৮১ সালে দেশে ফিরে শেখ হাসিনা শুরু করেন দ্বিমুখী সংগ্রাম। প্রথমত, ধ্বংসস্তূপ থেকে আওয়ামী লীগকে দাঁড় করানো। দ্বিতীয়ত, দেশকে সামরিক ও স্বাধীনতা বিরোধীদের কবল থেকে মুক্ত করা। সমান তালে চলে তার কর্মযজ্ঞ। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারের পতনের পর ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে, এমন ধারণাই প্রচলিত ছিল। কিন্তু সব ধারণা পাল্টে দিয়ে জনগণের রায় পায় বিএনপি।

পরাজয়ের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা। কিন্তু দলীয় নেতাকর্মীদের ভালোবাসার তোড়ে ভেসে যায় সব অভিমান। আওয়ামী লীগের জন্য অনেক করেছেন, তাই আওয়ামী লীগের সামান্য বিচ্যুতিও তাকে কষ্ট দেয়। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়ে একবার তিনি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রীর পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। বারবার নিজের অবসরের আকাঙ্ক্ষার কথা বলেছেন। কিন্তু যতই বলুন, এখনো আওয়ামী লীগ তো বটেই, দেশের জন্যও তার বিকল্প নেই।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরের শাসনামল বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অন্ধকার অধ্যায়। নির্বাচন নিয়ে দুই দলের অনড় অবস্থান এবং অস্থিতিশীলতার ফাঁক গলে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল বিশেষ এই সরকার ব্যবস্থার, যার শেষ হয়েছিল ২০০৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের মাধ্যমে।

সহিংস রাজনীতিতে অতিষ্ঠ মানুষ শুরুতে ১/১১-এর সরকারকে স্বাগতই জানিয়েছিল। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বেশকিছু ব্যবস্থা নিয়ে তারা শুরুতে জনগণের প্রশংসাও পেয়েছিল। কিন্তু রাজনীতি ঠিক করতে আসা এই সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল রাজনীতিকেই নির্বাসনে পাঠানোর। তাদের লক্ষ্য ছিল রাজনীতি থেকে দুই নেত্রীকে মাইনাস করার।

সেই লক্ষ্যেই ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়। অথচ ১/১১ সরকারের আগে ক্ষমতায় ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। পরে খালেদা জিয়াকেও গ্রেপ্তার করা হয়। দুই নেত্রীকে এক পাল্লায় তুলে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে রাজনীতি থেকে বিদায় করার প্রক্রিয়ার অংশ ছিল তা।

১১ মাস সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে থাকার পর ১১ জুন মুক্তি পান শেখ হাসিনা। রাজনীতি করলে জেল-জুলুমের ভয় করলে চলে না। বঙ্গবন্ধু তার ৫৪ বছরের জীবনের ১৪ বছরই কারাগারে ছিলেন। শেখ হাসিনা কখনো মৃত্যুকে ভয় করেননি। কারাগারকেও তোয়াক্কা করেননি।

বরং তার ১১ মাসের কারাজীবন বাংলাদেশের জন্য এক ধরনের শাপেবর হয়েছে। এই ১১ মাস কারাগারে বসে তিনি দেশের কথা ভেবেছেন। কীভাবে দেশকে এগিয়ে নেবেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবেন; তার পরিকল্পনা করেছেন। মুক্তির ৭ মাসের মাথায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক রায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। তারপর থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে তার নেতৃত্বেই।

এখন চলছে তার চতুর্থ মেয়াদ। শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলের অনেক সমালোচনা আছে। আবার এই ১৫ বছরই বাংলাদেশের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়ও বটে। উন্নয়নকে মাপকাঠি ধরলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বিস্ময়। তার প্রতিটি কাজে পরিকল্পনা ছাপ। বোঝাই যায় ৭ মাসের কারাগারে থাকার সুফল এটি।

বঙ্গবন্ধু হত্যার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। এসেই কাঁধে তুলে নেন ২১ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কারের দায়িত্ব। প্রথম কাজ, জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার বিচারের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং বিচার শুরু। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনতে করেন শান্তিচুক্তি। ভারতের সঙ্গে করেন গঙ্গার পানিবন্টন চুক্তি।

২০০৯ সালে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে শুরু শেখ হাসিনার নেতৃত্বের উৎকর্ষের চরম প্রকাশ। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর করেন। এরপর শুরু হয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। এই দুটি বিচার করে তিনি গোটা জাতিকে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করেছেন। বিচারহীনতার সংস্কৃতির গ্লানি থেকে মুক্তি দিয়েছেন আমাদের। এই দফায় ভারতের সঙ্গে ৬৮ বছরের সীমান্ত সমস্যা সমাধান করে ছিটমহলবাসীকে স্বাধীনতার স্বাদ দিয়েছেন তিনি। এই দফায় শেখ হাসিনার মূল লক্ষ্য উন্নয়ন। মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা উন্নত ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যেই অবিরাম ছুটে চলা তার এবং এই ছুটে চলা গোয়ারের মতো।

পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে টানাপোড়েনের পর শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত দেন, নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু বানাবেন। পদ্মা সেতু এখন বাংলাদেশের গর্বের প্রতীক। শুধু পদ্মা সেতু নয়; শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে অনেক প্রথমের সাক্ষী করেছেন। মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেট এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, সাবমেরিন, স্যাটেলাইট, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—একের পর এক বিস্ময় উপহার দিয়েছেন তিনি। শেখ হাসিনার বক্তৃতায়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার অবয়ব থেকে যে আত্মবিশ্বাস ঠিকরে পড়ে তাই এখন বাংলাদেশের চিত্র। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।

নিয়ম মানতে নির্ধারিত সময়ে নানা নির্বাচন হয় বটে। কিন্তু ভোটাররা আর কেন্দ্রে যান না। ভোট দিতে না পারলে, পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে না পারলে, মানুষের অনেক চাওয়াই অপূর্ণ থেকে যায়।
শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর তার বক্তৃতায় বারবার বলতেন, আমি এই দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই করছি। জনগণের ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আগেই। করোনা ও যুদ্ধের কারণে এখন বাংলাদেশের অর্থনীতি কিছুটা চাপের মুখে পড়লেও সাধারণ মানুষের জীবনমান অন্যরকম উচ্চতায় উঠে এসেছে। বাংলাদেশের মানুষকে এখন ‘দুবেলা দুমুঠো’ ভাতের জন্য আন্দোলন করতে হয় না। মানুষ এখন মাংস খাওয়ার স্বাধীনতা চায়।

তবে নেতৃত্বের, ব্যক্তিত্বের এই চরম উৎকর্ষের সময়েই শেখ হাসিনার ইমেজ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, শুধু নির্বাচন প্রসঙ্গে। ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলেও ভোটের অধিকার এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করা আওয়ামী লীগের সময়ে গণতন্ত্রই এখন প্রশ্নবিদ্ধ। যেটা অনাকাঙ্ক্ষিত।

‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’র সময়েই দেশে গণতান্ত্রিক স্পেসের সবচেয়ে বড় সঙ্কটের অভিযোগ। রাজনীতি, রাজপথ থেকে নির্বাসিত অনেক আগেই। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিবেচনায়ও আমাদের অবস্থান তলানিতে। উন্নয়নের দোহাই দিয়ে মানবাধিকার-গণতন্ত্রকে আড়াল করা হচ্ছে। যতই উন্নয়নের গল্প শোনানো হোক গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই। গণতান্ত্রিক পন্থায় উন্নয়নই টেকসই উন্নয়ন।

২০১৪, ২০১৮, ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ। আওয়ামী লীগের মূল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে। ফলে জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনই এখন উত্তাপহীন, প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন একতরফা। তাই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা নেই বললেই চলে। নিয়ম মানতে নির্ধারিত সময়ে নানা নির্বাচন হয় বটে। কিন্তু ভোটাররা আর কেন্দ্রে যান না। ভোট দিতে না পারলে, পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে না পারলে, মানুষের অনেক চাওয়াই অপূর্ণ থেকে যায়।

দেশ অনেক এগিয়েছে, এগোচ্ছে। উন্নয়ন কাজ হচ্ছে অনেক। তবে উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা দুর্নীতি আর সুশাসনের অভাব। এখন শেখ হাসিনাকে নিশ্চিত করতে হবে দুর্নীতিমুক্ত টেকসই উন্নয়ন। নিশ্চিত করতে হবে সুশাসন। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপি-নেতাদের অনেকেই জনবিচ্ছিন্ন, কর্মী বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।

অনেক এমপি নিজ নিজ এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছেন। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ। আওয়ামী লীগের অনেকেই বঙ্গবন্ধু বা শেখ হাসিনার সত্যিকারের চেতনা ধারণ করে না। দলের দরজা খুলে দেওয়ায় বিভিন্ন দল থেকে ক্ষমতালোভী ধান্দাবাজ হাইব্রিডদের ভিড় এখন আওয়ামী লীগে।

আনেয়ারুল আজিম আনারের মতো চিহ্নিত অপরাধীরা আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি বনে যান। কলকাতায় এমপি আনারের অপমৃত্যু বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকেই সঙ্কটে ফেলেছে। আনারের মতো আরও অনেক এমপি আছে এই সংসদেই। সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদ বা সাবেক সেনা প্রধান আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ দেশের ভাবমূর্তিকে লজ্জায় ফেলেছে।

শেখ হাসিনার হাতে বাংলাদেশ ভালো আছে। তার কোনো বিকল্প নেই। ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর ভোটের অধিকারের যে আন্দোলন তিনি শুরু করেছেন, তার একটা যৌক্তিক পৌঁছানোর অপেক্ষায় সবাই।

শেখ হাসিনাকেই শক্ত হাতে দল এবং দেশকে সঠিক রাস্তায় রাখতে হবে। হাইব্রিডের কচুরিপানা যেন আওয়ামী লীগের স্রোত আটকে না দেয়। দুর্নীতি, অনিয়ম, টাকা পাচার, খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি যেন আমাদের অর্থনীতির অগ্রগতিকে স্থবির করে না দেয়; তা নিশ্চিত করাও শেখ হাসিনারই দায়িত্ব।

প্রভাষ আমিন ।। বার্তা প্রধান, এটিএন নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :
এ জাতীয় আরও খবর