• রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ১১:০৬ অপরাহ্ন
Notice
We are Updating Our Website

অস্ট্রেলিয়ায় রাতভর ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলপন্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : শনিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মেলবোর্নে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলপন্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১০ নভেম্বর) রাতে শুরু হয়ে এ সংঘর্ষ চলে ভোর পর্যন্ত।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পেপার স্প্রে ছুড়েছে পুলিশ।স্থানীয় গণমাধ্যম এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি বার্গারের দোকানে আগুন লাগাকে কেন্দ্র করে মেলবোর্নের দক্ষিণ-পূর্বে ফিলিস্তিনপন্থী এবং ইসরায়েলপন্থী বিক্ষোভকারীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। প্রথমে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলেও পরে বিষয়টি সহিংস সংঘর্ষে রূপ নেয়। শহরটির কাউফিল্ড সাউথ এলাকায় একটি ইহুদি উপাসনালয়ের (সিনাগগ) পাশে সংঘর্ষে জড়ান তারা।

অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পাওয়া ভিডিও ফুটেজ ও ছবিতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা পরস্পরকে গালিগালাজ করছেন। একে অন্যকে প্লাস্টিকের বোতল ও পানি ছুড়ে মারছেন। একে অপরকে ঘুষি মারছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কয়েকজন লোক ইসরায়েলি পতাকা হাতে বোর্ডড-আপ বার্গার স্টোরের কাছে জড়ো হয়েছিল। সে সময় ফিলিস্তিনপন্থী একটি দলও প্রিন্সেস পার্কে সেন্ট্রাল শুলে শাবাদ সিনাগগের কাছে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছিল।

কিন্তু রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে কাছাকাছি হাথর্ন রোডে দুই দলের লোকজন বাড়তে থাকে। সবমিলিয়ে প্রায় ৪০০ জন হয়ে যায়। এ সময় দুই দলের লোকেরা ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের পক্ষে স্লোগান দিতে থাকে এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে।

মেলবোর্নের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ক্যালফিল্ডের গ্লেনহান্টলি রোডে আগুন লাগা বার্গারের দোকানটি ফিলিস্তিনপন্থী এক ব্যক্তির মালিকানাধীন।

তবে বার্গারের দোকানটিতে কিভাবে আগুন লাগল তা এখনো বের করতে পারেনি পুলিশ। এছাড়া প্রাথমিকভাবে এতে ধর্মীয় কিংবা বর্ণবাদী নাশকতার কোনো ইঙ্গিত পায়নি মেলবোর্ন পুলিশ।

দোকানে আগুনের ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ।
You sent
You sent
আন্তর্জাতিক-ক্রোল-বিশেষ প্রতিবেদন
You sent
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বিষয়ক কর্মশালা

লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এলএমএস) প্রণয়নের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এ লক্ষ্যে বিষয়–বিশেষজ্ঞদের নিয়ে প্রকল্প পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার জন্য কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার গাজীপুরে একটি সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান।

কর্মশালায় কলেজ নেটওয়ার্ক এবং এলএমএস কীভাবে পরিকল্পিতভাবে প্রণয়ন করা যায় সেটি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। যাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৫৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৫ লক্ষ শিক্ষার্থী সমভাবে এর সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য ড. মশিউর রহমান বলেন, ‘এলএমএস পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে কলেজ শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। শিক্ষার্থীরা একাডেমিক বিষয়ের বিভিন্ন রিসোর্স সহজভাবে অনলাইনে পাবে। বিভিন্ন বিষয়–বিশেষজ্ঞদের লেকচারও অনলাইনে সহজলভ্য হবে। এ লক্ষ্যে ই–কনটেন্ট তৈরি করা হবে।’

কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুস সালাম হাওলাদার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপ–উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল আলম জোয়ার্দার, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সুব্রত কুমার আদিত্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের (সিইসি) অধ্যাপক ড. উপমা কবির, ঢাবির সিইসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসাদ্দেক হোসেন কামাল, ঢাবির সিইসি বিভাগের অধ্যাপক ড. সুরাইয়া পারভীন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তাবাচ্ছুম, আইসিটি কনসালট্যান্ট সরোয়ার মোর্শেদ পরাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তি (আইসিটি) দপ্তরের পরিচালক মো. মুমিনুল ইসলাম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক সুমন চক্রবর্তী প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :
এ জাতীয় আরও খবর