• মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন

উগান্ডায় সমকামিতার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ মে, ২০২৩
উগান্ডায় সমকামিতার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
উগান্ডায় সমকামিতার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

পূর্ব আফ্রিার দেশটি সমকামিতার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর আইন পাস করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ইউরি মুসাভেনি আইনটি সই করেছেন। পশ্চিমা দেশগুলো এ আইনের সমালোচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে ভিসা নিধেধাজ্ঝা আরোপের হুমকি দিয়েছে। দাতা দেশগুলোর পক্ষ থেকেও উগান্ডার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকির সৃষ্টি হয়েছে। আল-জাজিরা

উগান্ডায় সমকামী সম্পর্ক এমনিতেই অবৈধ। আফ্রিকার আরও ৩০ টির বেশি দেশেও সমকামী সম্পর্ক অবৈধ। কিন্তু উগান্ডার নতুন আইন এক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কেউ সমকামিতায় দোষী সাব্যস্ত হলে এ আইনে তার যাবজ্জীবন জেল হতে পারে।

তাছাড়া, ১৮ বছরের নিচে কারও সঙ্গে সমকামী যৌন সম্পর্ক থাকলে কিংবা সমকামী যৌন সম্পর্ক থেকে কারও মধ্যে এইচআইভি/এইডস এর মতো প্রাণঘাতী রোগ সংক্রমিত হলে নতুন আইনে হতে পারে মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হতে পারে। সমকামিতার প্রচার চালানোর ক্ষেত্রেও ২০ বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে নতুন আইনে।

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রচার চালানোয় বিশ্বের নেতৃস্থানীয় তিনটি গোষ্ঠী- এইডস রিলিফ, ইউএনএইডস এবং গ্লোবাল ফান্ড এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, তারা এমন কঠোর আইনের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে গভীরভাবে শঙ্কিত।

যুুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তার কঠোর আইনের কারণে উগান্ডার কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্জা আরোপের বিষয় বিবেচনা করছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দ্রুত আইনটির নিন্দা করে বরেছেন, এটি সার্বজনীন মানবাধিকারে চরম লংঘন। তিনি পূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে ত্রান ও বিনিয়োগ কমানোর হুমকি দিয়েছেন। আইনটি বাতিল করার জন্য তিনি উগান্ডার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টেনি ব্লিনকেন সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, আইনটি অত্যন্ত বিব্রতকর।

এদিকে উগান্ডার একটি মানবাধিকার গ্রুপ বরেছে, তারা এ আইনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এ জাতীয় আরও খবর