মধ্যরাতে মাঝ নদীতে লঞ্চে ভয়াবহ আগুন, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

মধ্যরাতে মাঝ নদীতে লঞ্চে ভয়াবহ আগুন, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৭৫ জন যাত্রী দগ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আহতদেরকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে রাত তিনটার দিকে সুগন্ধা নদীর দিয়াকুল নামক স্থানে লঞ্চটিতে মাঝ নদীতে থাকা অবস্থায় আগুন লাগে এবং পুরো লঞ্চটি পুড়ে যায়।

শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৮টার দিকে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী জানান, আগুনের ঘটনায় ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে লঞ্চে কীভাবে আগুন লেগেছে বা লঞ্চের অবস্থানের সঠিক কোনো তথ্য জানা যায়নি। লঞ্চে থাকা যাত্রী রুনু বেগম স্বজনদের বলেছেন, জীবন বাঁচাতে পারবো কি-না জানি না। পুরো লঞ্চে আগুন জ্বলছে। ছোট বাচ্চা নিয়ে কি করবো জানি না। আমাদের বাঁচাও। এ বলে তিনি কেঁদে ফেলেন ও ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের ইনচার্জ কামরুল হাসানকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এমভি অভিযান-১০ নামে যাত্রীবাহী লঞ্চটি ঢাকা থেকে বরগুনার দিকে যাচ্ছিল। ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর দিয়াকুল নামক স্থানে হঠাৎ করেই চলন্ত লঞ্চে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে। এ সময় নদীতে লাফ দিয়ে জীবন বাঁচায় অনেকে। সেই সঙ্গে দগ্ধ হয়েছে বহু মানুষ। ঘটনার পর দগ্ধদের উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

19 − 10 =