• মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন

‘রিপোর্ট রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলেই সরকার পতনের আন্দোলন হতে পারে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
তিন দফা বাস্তবায়ন না হওয়ায় আবার মহাসড়ক অবরোধ ববি শিক্ষার্থীদের

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের অফিস-আদালত সব খোলা থাকলেও সরকার পতনের আন্দোলনের ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে সরকার উল্টে যেতে পারে। শহরের সবকিছু খোলা, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের কারণটা কি? বর্তমানে অফিস-আদালত-মাদ্রাসা-মক্তব সব খোলা থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনও বন্ধ। সরকারের কাছে রিপোর্ট রয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল খুলে দিলেই সরকার পতনের আন্দোলন হতে পারে।

মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন বলেন তিনি। ‘স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ববাংলা ঘোষণা দিবসের ৫১ বছর পূর্তি’ উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থীরা জনগণের কথা বলার লোক উল্লেখ করে বিএনপিসহ সব বিরোধী নেতাকে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানান তিনি।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর পাশে কেউ নেই, তিনি একা। একরকম বন্দি অবস্থায় আছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাবিহীন আওয়ামী লীগ ভুল পথে চলছে। মাঝিবিহীন নৌকা চলছে। একটু ধাক্কা দিলেই নৌকা ডুবে যেতে পারে।

বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সমালোচনা করে জাফরুল্লাহ বলেন, বিএনপির অনেক বড় নেতা থাকলেও তারা বধির ও অন্ধ হয়ে গেছেন। সরকার একের পর এক ভুল করে গেলেও তারা শুধু দেখেই যাচ্ছেন, কিছুই করতে পারছেন না।

২০ দলীয় জোটের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা কী করছেন, ছাত্রদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন না কেন? আপনাদের ঘুম কি ভাঙে না, কেন তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন না? ছাত্রদের আন্দোলন চাঙা হলেই জনগণের অধিকার ফিরে আসবে, মুক্তি পাবেন খালেদা জিয়া।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আজকে জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অপমান করার অপচেষ্টা হচ্ছে। এই অপচেষ্টা শুধু জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে নয়, এটা দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অপচেষ্টা। যারা এ খেতাব কেড়ে নেওয়ার প্রস্তাব করছে, তাদের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এক সময় এসব নেতা-খুনি মুজিব খুন করেছে, বলে বলে স্লোগান করেছিল। এসব নেতাই এখন তাদের আপন হয়ে গেছে।

জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, জাতীয় পার্টি (জাফর) মহাসচিব আহসান হাবীব লিংকন, অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, নওয়াব আলী আব্বাস খান, আইনজীবী মজিবুর রহমান, রুহুল আমীন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :
এ জাতীয় আরও খবর