• মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

নূর হোসাইন কাসেমীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০
নূর হোসাইন কাসেমীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আর বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর তুরাগ এলাকায় আল্লামা কাসেমী প্রতিষ্ঠিত জামিয়া সুবহানিয়া মাহমুদনগর, ধউর, মাদরাসায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

জানাজায় ইমামতি করেছেন তার ছোট ছেলে মুফতি জাবের কাসেমী।

জানাজা উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও রাজনীতিবিদরা জানাজায় অংশ নেন। জানাজায় অংশ নিতে মানুষের ঢল নামে। ভোরেই লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় বায়তুল মোকাররম এলাকা। বিপুল সংখ্যক মুসল্লি ফজরের নামাজে অংশ নেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন অনেকে। আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর জানাজার আগে বায়তুল মোকাররমের আশপাশের রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এর আগে গত ১ ডিসেম্বর অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলেন তাকে। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত শুক্রবার তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। রোববার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ বহু আত্মীয়স্বজনসহ ভক্ত ও ছাত্র রেখে গেছেন।

১৯৪৫ সালের ১০ জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানা চড্ডা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। হেফাজতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পর থেকে নূর হোসাইন কাসেমী সংগঠনটির ঢাকা মহানগর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে নতুন কমিটিতে তিনি মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা জামিয়া মাদানীয়া বারিধারার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ছিলেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব, বেফাকের সহসভাপতি ও আল-হাইয়া বোর্ডেরও কো-চেয়ারম্যান ছিলেন আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী।


আপনার মতামত লিখুন :
এ জাতীয় আরও খবর