এই দিন

শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ১০ ১৪২৭   ০৮ সফর ১৪৪২

Beta Version
   এই দিন
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ১৫ দিন পর হবে এইচএসসি পরীক্ষা কক্সবাজারের ৩৪ পুলিশ পরিদর্শককে বদলি হাসপাতালগুলো ডাকাতির মতো পয়সা নিচ্ছে: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিক জেদ্দা-আবুধাবিতে গোপন বৈঠক হয়, সরকার সব খবর পায়: কাদের ভিপি নূরকে হয়রানি বন্ধ করতে ডা. জাফরুল্লাহর আহ্বান
১৬৫৮

শ্যামনগরে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের চেষ্টা, মারধরের অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২০  

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় এক মুক্তিযোদ্ধার জমি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই মুক্তিযোদ্ধার নাম আ. বারেক গাজী। তার বাড়ি শ্যামনগর উপজেলার মাছ বাজারের পূর্ব পাশে।

গত ১৫ মে দখলের উদ্দেশ্যে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা হয় বলে দাবি করেছেন মুক্তিযোদ্ধা বারেক গাজীর বড় ছেলে এবং টেলিভিশন এ্যাসিসটেন্ট ডিরেক্টরস অর্গানাইজেশন অব বাংলাদেশের (ট্যাডোব) সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক গাজী।
 স্থানীয় শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি পরিচয় দানকারী শুকুমার চক্রবর্তী ও বারেক গাজীর জমির ভাড়াটিয়া প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছেন রাজ্জাক গাজী।

রাজ্জাক গাজীর অভিযোগ, গত ১৫ মে শুকুমার চক্রবর্তী ও ভাড়াটিয়া মমতাজ বেগম স্থানীয় শ্রমিক লীগ সভাপতি এস এম কামরুল হায়দার নান্টুর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় লকডাউনের এই সময়ে শতাধিক লোক নিয়ে হাজির হন। তারা সিমেন্টের পিলার, কাটা তারের বেড়া, রড, লাঠি, দা, শাবল, কুড়াল ইত্যাদি নিয়ে হাজির হয়ে উক্ত জমিতে জোরপূর্বক ঘেরা দেওয়া ও ঘর বাধার উদ্দেশ্যে গর্ত খুড়তে থাকে।

বারেক গাজী বাড়িতে না থাকায় তার ছেলে-মেয়েসহ ছোটো ভাই ও ছোট ভাইয়ের ছেলে-মেয়েরা বাধা দিতে যান।  রাজ্জাক গাজী তাদেরকে দখল বন্ধ করতে অনুরোধ করেন। তিনি  বলেন, এই জায়গা ও ঘরের কোনো কাগজ-পত্র শুকুমার চক্রবর্তী বা মমতাজ বেগমের কাছে নেই। বিষয়টি  স্থানীয় এমপি এবং চেয়ারম্যান জানেন। থানায় বিষয়টি বিচারাধীন আছে।

তিনি শুকুমার চক্রবর্তীকে ঈদের পরে বসার ব্যাবস্থা করার অনুরোধ জানান। সেই সাথে বলেন,  কাগজ-পত্র অনুযায়ী বিচারে তারা যদি জায়গা পায় তাহলে তিনি জায়গা ছেড়ে দেবেন।

এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি বলে দাবি আব্দুর রাজ্জাক গাজীর।

স্থানীয় থানায় ফোন করা করলে শেখ কামাল নামের একজন পুলিশ কর্মকর্তা অন্য একজন অফিসার ঘটনা স্থলে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের সাথে কথা বলতে থাকেন।

রাজ্জাক গাজী জোরপূর্বক জমি দখল করতে আসার প্রমাণ রাখতে নিজের মোবাইলে ভিডিও করতে শুরু করলে কামরুল হায়দার নান্টুর, শুকুমার চক্রবর্তী, দূর্গ পদ চক্রবর্তী,  মমতাজ বেগম ও আলী হোসেন এর নির্দেশে ১৪-১৫ জন লোক রাজ্জাক গাজীকে ঘিরে চারদিক থেকে মারধোর করতে থেকে। তার মথায়, মুখে ও সমস্ত শরীরে শাবল-লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকে এবং কিল-ঘুষি মারতে থাকে। তার শার্ট ছিড়ে ফেলে। জোরপূর্বক তার মোবাইল ছিনিয়ে নেয়  তার দাঁত ও মুখ দিয়ে ভীষণ রক্তক্ষরণ হতে থাকে।

এই অবস্থা দেখে রাজ্জাক গাজী এর বোন, ছোটো ভাই, ছোট চাচা-চাচি, চাচতো বোন-ভাই, ভাগ্নে ঠেকাতে গেলে তাদেরকেও মারধর করা হয়।

একপর্যায়ে পুলিশ অফিসার শেখ কামাল অবস্থা বেগতিক দেখে লাঠি চার্চ শুরু করে। ঠিক তখনি এসি ল্যান্ড এর নির্দেশে আরও পুলিশ গিয়ে লাঠি চার্চ শুরু করলে উপস্থিত দখলকারীরা পালিয়ে যায়। 

আহত রাজ্জাক গাজী ও তার ভাই-বোনদের মারাত্মক আহত ও জখম অবস্থায় স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

   এই দিন
এই বিভাগের আরো খবর