এই দিন

শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ১০ ১৪২৭   ০৮ সফর ১৪৪২

Beta Version
   এই দিন
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ১৫ দিন পর হবে এইচএসসি পরীক্ষা কক্সবাজারের ৩৪ পুলিশ পরিদর্শককে বদলি হাসপাতালগুলো ডাকাতির মতো পয়সা নিচ্ছে: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিক জেদ্দা-আবুধাবিতে গোপন বৈঠক হয়, সরকার সব খবর পায়: কাদের ভিপি নূরকে হয়রানি বন্ধ করতে ডা. জাফরুল্লাহর আহ্বান
১৮৪৯

মন্ত্রীর তদারকিতে সফলভাবে চলছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০২০  

করোনা পরিস্থিতিতে দেশের দুস্থ ও নিম্ন-আয়ের মানুষকে সহায়তার লক্ষ্যে ব্যাপক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে দেশজুড়ে পরিচালতি হচ্ছে এসব কর্মকাণ্ড।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় ১১ মে পর্যন্ত ১ লাখ ৯৬ হাজার মানুষকে ত্রাণ হিসেবে খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে। এতে বরাদ্দ ছিল সাড়ে ২৬ কোটি টাকা।

এছাড়া মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরাসরি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৩ কোটি টাকা এবং জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ থেকে ২৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকাসহ মোট ২৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে।

এর বাইরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত অনুদান এবং ৫৬ হাজার নিবন্ধিত স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর অনুদানেও ত্রাণ কাজ পরিচালনা করছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রের তথ্য মতে, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার আওতায় ৮০ লাখ ৯ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে ভাতা বিতরণের কাজ চলছে। আর এর সবগুলো কাজই সার্বক্ষণিক তদারকি করে যাচ্ছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ।

তিনি জানান, গত অর্থবছরে প্রায় ১১ লাখ ভাতাভোগী অনলাইনে জিটুপি পেমেন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভাতা পেয়েছেন, যা বর্তমান অর্থবছরেও চলমান রয়েছে। এছাড়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ সব ভাতাভোগীকে এ পদ্ধতির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলমান সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণগ্রহীতার সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ ৮৩ হাজার জন এবং সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ আদায়ের হার গড়ে ৯০ শতাংশ। সারাদেশে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে মোট ৫২৩টি হাসপাতাল সমাজসেবা ইউনিটের অধীনে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা মহানগরীসহ জেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ১০৪টি ও উপজেলা পর্যায়ে ৪১৯টি উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অন্যদিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সুবিধাবঞ্চিত শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমের অধীনে ৮৫টি সরকারি শিশু পরিবার, এতিম ও প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের ৬টি কারিগরী প্রশিক্ষণকেন্দ্র, মহিলাদের ৩টি আর্থসামাজিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র, ৬টি ছোটমনি নিবাস, ১টি ডে কেয়ার সেন্টার, ১৩টি শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনকেন্দ্র এবং ৩টি দুস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে ১৭ হাজার উপকারভোগী রয়েছে। এর বাইরে ক্যাপিটেশন গ্রান্টপ্রাপ্ত ৩ হাজার ৯২০টি বেসরকারি এতিমখানায় রয়েছে সাড়ে ৯৭ হাজার শিশু।

   এই দিন
এই বিভাগের আরো খবর