এই দিন
ব্রেকিং:
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোর

মঙ্গলবার   ০৭ জুলাই ২০২০   আষাঢ় ২২ ১৪২৭   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beta Version
সর্বশেষ:
এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাইল্যান্ড নেওয়া হলো সাহারা খাতুনকে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বিআরটিসি বাসচাপায় ৫ ভ্যানযাত্রী নিহত হয়েছে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৪৪, শনাক্ত ৩২০১ দেশে পরীক্ষা ছাড়াই স্কুল-কলেজে আসতে পারে পাসের ঘোষণা এবার চীনে বিউবোনিক প্লেগের প্রাদুর্ভাব, জরুরি সতর্কতা জারি চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো এবার কোরবানির চামড়া কিনতে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা এবার ঈদে বেশি বোনাস পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা!
২১

ভাড়া নিয়ে তর্ক, যাত্রীর ছুরিকাঘাতে চালকের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ জুন ২০২০  

যশোরের বাঘারপাড়ায় ভাড়া নিয়ে তর্কের জেরে ছুরিকাঘাতে এক ট্যাক্সিচালকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় ঘাতক বরকতকে পুলিশে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। রোববার (২৮ জুন) দুপুর ২টার দিকে এই ঘটনায় নিহত হন ট্যাক্সিচালক রিপন হোসেন (৩০)। নিহত রিপন যশোরের বাঘারপাড়া পৌরসভার মহিরন এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে।

বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আল মামুন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘাতক বরকতের নামে কোতোয়ালি থানায় আগেই একটি মামলা রয়েছে। সে যশোর শহরের মোল্যাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাঘারপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ট্যাক্সিস্ট্যান্ডের সামনে দুপুর ১টার দিকে বরকত ও তার স্ত্রী ভাড়া নিয়ে তর্ক করে রিপনের সঙ্গে। ওই সময় তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বরকত তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে রিপনের বুকে আঘাত করে। এই সময় রিপনকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন ওষুধ ব্যবসায়ী হিরু। পরে বেলা ২টার দিকে গুরুতর অবস্থায় রিপনকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডা. এনাম উদ্দিন জানান, ওই যুবককে হাসপাতালের আনার আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আহত ওষুধ ব্যবসায়ী হিরু আহমেদ বলেন, ‘ফার্মেসির কাছেই একটি মোটরসাইকেলে বরকত ও ভ্যানে একটি মেয়ে বসে কথা বলছিল। পরে দেখি, স্ট্যান্ডের ড্রাইভার হাসিবুল ও বরকত কী নিয়ে যেন আলাপ করছে। হঠাৎ তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে বরকত। পরে স্ট্যান্ডের অন্য ড্রাইভারদের সঙ্গে রিপনও এগিয়ে যায়। তারা কী কারণে হাসিবুলকে মারধর করছে জানতে চাইলে বরকত ক্ষিপ্ত হয়ে ছুরি বের করে। সেই সময় আমিও দোকান থেকে বের হয়ে যাই তাদের থামাতে। ভীড়ের মধ্যে বরকত আমার বাম হাতে ছুরিকাঘাত করে। পাশে ফিরে দেখি রক্তের মধ্যে কাতরাচ্ছে রিপন। এই সময় উত্তেজিত ড্রাইভাররা বরকতকে ধরে পিটিয়ে পুলিশে দেয়। পুলিশ তাকেসহ স্থানীয় দুই যুবককে ধরে নিয়ে যায়।’

এদিকে, রিপনের মৃত্যুর সংবাদে এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। স্থানীয়রা রিপনের খুনির শাস্তি এবং নিরীহ দুই যুবককে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান।

   এই দিন
এই বিভাগের আরো খবর