শুক্রবার   ০৩ এপ্রিল ২০২০   চৈত্র ১৯ ১৪২৬   ০৯ শা'বান ১৪৪১

Beta Version
৮৭

‘প্রায়ই ডাচ-বাংলা ব্যাংকে এমন হয়, দেখার কেউ নেই’

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২০  

সকাল থেকে এইবার দিয়ে চারবার ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে এলেন জুলকার। কিন্তু কোনবারই তিনি টাকা উত্তোলন করতে পারেননি। অথচ টাকা তার খুবই দরকার। বাসায় বাজার শেষ, কিনতে হবে ওষুধও। কিন্তু বুথে এসে প্রতিবারই তিনি দেখছেন, সার্ভার বিড়ম্বনায় সেবা বন্ধ। 

ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, এই ব্যাংকে একাউন্ট খোলাই পাপ হয়েছে। পাপ হয়েছে টাকা জমা রাখাও। বিপদের সময়ে যদি সঞ্চিত অর্থ ব্যয় করতে না পারি, তবে সেই অর্থের মূল্য কোথায়? প্রায়ই ডাচ-বাংলা ব্যাংকে এমন হয়, সার্ভার সমস্যার অজুহাতে সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকে। কিন্তু এসব যেন দেখার কেউ নেই। 

একই সমস্যায় পড়েছেন নাদিয়াও। তিনি বাচ্চার দুধ কিনবেন। টাকা তুলতে এসেছেন এটিএম বুথে। কিন্তু যতবারই এসেছেন, ততবারই পেয়েছেন অফলাইন। এখন তার কাছেও অতিরিক্ত টাকা নেই। তাই বাচ্চার জন্য দুধ কিনতে পারছেন না।

বিরক্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ তিনি বলেন, দুঃসময় কিংবা প্রয়োজনে যাতে সহজেই টাকা মেলে- সে কারণে মানুষ ব্যাংকে অর্থ জমা রাখে। অথচ ডাচ-বাংলা ব্যাংকে টাকা রাখা মানেই যেন ভোগান্তি। কয়দিন পরপরই তাদের নানান সমস্যা থাকে। কখনো বা আবার তাদের বুথও সার্টারবদ্ধ থাকে। এতে হয়রানির শিকার হন আমাদের মত সাধারণ মানুষ। এই অবস্থা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে হয়তো বা ডাল-ভাত হয়ে গেছে, কিন্তু আমাদের মত সাধারণের কাছে অভিশাপ। আমরা এই অবস্থার আশু পরিত্রাণ চাই। 

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এই গ্রাহক হয়রানির চিত্র নতুন কিছু নয়। প্রায়ই তাদের এমন উদ্ভট সমস্যা হয়। বিষয়টি নিয়ে কথা হয় রাজধানীর কাঁঠালবাগান, পেট্রোবাংলা মোড় ও কারওয়ানবাজারে কর্মরত বুথ কর্মচারীদের সঙ্গে। তারা অভিন্ন সুরে জানান, এ অবস্থার পেছনে তাদের কোন হাত নেই। এটা যান্ত্রিক সমস্যা। অচিরেই এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে তারা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিতও করেছেন।

   এই দিন
এই বিভাগের আরো খবর