এই দিন

মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ১৪ ১৪২৭   ১১ সফর ১৪৪২

Beta Version
   এই দিন
সর্বশেষ:
যশোরে ইউসিবিএল ব্যাংকের সামনে দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে ছুরি মেরে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই দেশে করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৪৮৮ নকল মাস্ক সরবরাহের অভিযোগ জেএমআইয়ের চেয়ারম্যান গ্রেফতার এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আরও তিন আসামির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর দাবিতে সৌদি প্রবাসীদের বিক্ষোভ রিফাত হত্যায় মিন্নির ভূমিকা কী, উত্তর মিলবে কাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও এইচএসসি নিয়ে সিদ্ধান্ত কাল
৯০

পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করল ভারত

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০  

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করেছে ভারত। সোমবার কোন ধরনের ঘোষণা ছাড়াই দেশের তিনটি প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল, ভোমরা এবং হিলি দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা বন্ধ হয়। এরপর রাতে ভারত সরকারের রপ্তানি বন্ধের নির্দেশনা দেশটির আমদানিকারকদের হাতে আসে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের এই নির্দেশনা দেয়। 

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার সাইদুল আলম আজ বিকেলে বলেন, গতকাল রোববার পর্যন্ত ভারত থেকে ১২৯টি পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সোমবার সারা দিন পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। 

ভারতের একটি সূত্র জানায়, দেশের সব বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে সকালের দিকে ৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ঢোকার পরপরই দেশের সবগুলো বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারতের পেঁয়াজ  রপ্তানিকারকদের সংগঠন।

ভারতের পেট্রাপোল রপ্তানিকারক সমিতির পক্ষে ব্যবসায়ী কার্তিক ঘোষ বলেন, পেঁয়াজ রপ্তানিকারক সমিতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৭৫০ ডলারের নিচে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করবে না। সে কারণে অনেকগুলো গাড়ি বর্ডারে দাঁড়িয়ে আছে।

বেনাপোলের পেঁয়াজ আমদানিকারক রফিকুল ইসলাম রয়েল জানান, ভারতের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্য শুরুর পর থেকে ২৫০ মার্কিন ডলারে পেঁয়াজ আমদানি হয়ে আসছে। ভারতের নাসিকে বন্যার কারণে সেখানে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এতে রপ্তানিকারকরা স্থানীয় বাজার দর হিসাবে ৭৫০ ডলারের নিচে বাংলাদেশে পেঁয়াজের রপ্তানি করবে না বলে জানিয়েছে। এ কারণে তারা পেঁয়াজের রপ্তানি সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে।

ভারতের বনগাঁ এলাকার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী অনিল মজুমদার টেলিফোনে জানান, বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে তাদের আপত্তি নেই। বাজার দরে এলসি পেলে তারা পুনরায় রপ্তানি শুরু করবে। সে ক্ষেত্রে পুরানো যে সব এলসি দেয়া আছে সেগুলো ২৫০ ডলার সংশোধন করে ৭৫০ ডলার করা হলে পেঁয়াজের আমদানি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, ভারত কোনো ঘোষণা ছাড়াই মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। পারস্পারিক বাণিজ্যে সমঝোতার বিকল্প নেই। তারা রপ্তানি বন্ধ না করে পেঁয়াজের আমদানিকারকদের সময় বেঁধে দিতে পারতেন। হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্তটা নেয়া ঠিক হয়নি।

   এই দিন
এই বিভাগের আরো খবর