এই দিন

বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ১৪ ১৪২৭   ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

Beta Version
   এই দিন
সর্বশেষ:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ল স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৬২

পা হারানো রাসেলকে গ্রিনলাইন দেবে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ 

প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২০  

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গ্রিনলাইন পরিবহনের বাস চাপায় পা হারানো প্রাইভেটকারচালক রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে আরও ২০ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তিন মাসের মধ্যে এ টাকা দিতে বলা হয়েছে।

রায় ঘোষণার নির্ধারিত দিনে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে রায় ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ আজকের দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে ওইদিন রাসেলের পক্ষে ছিলেন খন্দকার সামসুল হক রেজা। গ্রিনলাইন পরিবহনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক।

গত ৫ মার্চ এই মামলায় ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়। এরপর রায় ঘোষণার জন্য যে কোনো দিন অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন আদালত।

২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল মেয়র মো. হানিফ ফ্লাইওভারে গ্রিনলাইন পরিবহনের ধাক্কায় প্রাইভেটকারচালক রাসেল সরকারের (২৩) বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এ ঘটনায় গাইবান্ধার একই এলাকার বাসিন্দা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য (বর্তমানে কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক) অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।


হাইকোর্ট ওই বছরের ১৪ মে এ বিষয়ে রুল জারি করেন। রুলে কেন রাসেলকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়।

পরে আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এক আদেশে রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দেন। প্রতিমাসে পাঁচ লাখ টাকা করে দিতে বলা হয়। এই নির্দেশের পর এ পর্যন্ত সাড়ে ১৩ লাখ টাকা দিয়েছে গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষ।

গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট এক আদেশে দুই সপ্তাহের মধ্যে রাসেলকে ৫০ লাখ টাকা দিতে গ্রিনলাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে প্রয়োজন হলে তার পায়ে অস্ত্রোপচার এবং কাটা পড়া বাঁ পায়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম পা লাগানোর খরচ দিতে ওই পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়।

এর অগ্রগতি হলফনামা আকারে ৩১ মার্চের মধ্যে আদালতে দাখিল করতেও বলা হয়। তবে হাইকোর্টের ১২ মার্চের আদেশের বিরুদ্ধে গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষ আপিল বিভাগ আবেদন করে, যা ৩১ মার্চ খারিজ হয়। ফলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল থাকে।

   এই দিন
এই বিভাগের আরো খবর