এই দিন

বুধবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ১৪ ১৪২৭   ১১ সফর ১৪৪২

Beta Version
   এই দিন
সর্বশেষ:
যশোরে ইউসিবিএল ব্যাংকের সামনে দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে ছুরি মেরে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই দেশে করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১৪৮৮ নকল মাস্ক সরবরাহের অভিযোগ জেএমআইয়ের চেয়ারম্যান গ্রেফতার এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আরও তিন আসামির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর দাবিতে সৌদি প্রবাসীদের বিক্ষোভ রিফাত হত্যায় মিন্নির ভূমিকা কী, উত্তর মিলবে কাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও এইচএসসি নিয়ে সিদ্ধান্ত কাল
৪০

‘খিচুড়ি রান্না নয়, অভিজ্ঞতা নিতেই বিদেশ যাওয়ার প্রস্তাব’

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০  

খিচুড়ি রান্না শিখতে নয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলমান মিড-ডে মিল কার্যক্রমকে আরও উন্নত করতে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা অর্জনে কর্মকর্তাদের বিদেশ যাওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সচিব এসব কথা জানান। 

সচিব বলেন, যেকোনো প্রকল্পে দেশে-বিদেশে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের বিধান রয়েছে। স্কুল ফিডিং পলিসির আওতায় প্রস্তাবিত প্রকল্পে বিদেশে প্রশিক্ষণে যে ব্যয় হবে তা অপচয় নয় বরং কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা বাড়াবে।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় স্কুল ফিডিং পলিসি অনুমোদিত হয়েছে। এই পলিসির ভিত্তিতে ১৯ হাজার ২৯৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে দাখিল করেছি।

১০৪ উপজেলায় চলমান প্রকল্পটির মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যায়ক্রমে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু করা হবে। সেই নির্বাচনী ইশতেহারকে সামনে রেখে আমরা ২০২৩ সাল পর্যন্ত একটা প্রকল্প প্রণয়ন করে দাখিল করেছি।

সচিব বলেন, এই প্রকল্পে দুটি বিষয় আছে। বাচ্চাদের আমরা দুপুর বেলা খাবার দেব। খাবারটা হবে দুই ধরনের। তিনদিন বিস্কুট এবং তিনদিন রান্না করা খাবার। বর্তমানে ছয়দিন বিস্কুট দেওয়া হয়। রান্না করা খাবারের মধ্যে খিচুড়িটি সবচেয়ে প্রোটিন সমৃদ্ধ।

তিনি বলেন, কীভাবে বিভিন্ন দেশে মিড-ডে মিল চালু আছে, কীভাবে তারা ব্যবস্থাপনা করছে, সেই বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করার জন্য বিদেশে কর্মকর্তারা গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, আমরা খিচুড়ি রান্না করার জন্য কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে বিদেশি পাঠাচ্ছি না। আমরা টাকাও চাই না এটার জন্য, কোনো একটা পত্রিকা লিখেছে যে ৫-১০ কোটি টাকা চেয়েছি, নো।

গণশিক্ষা সচিব বলেন, এটা একটা বিশাল কর্মযজ্ঞ। ৬৫ হাজার ৬২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য মিড-ডে মিল চালু করতে হবে। কীভাবে ম্যানেজ করব, সেই ম্যানেজমেন্ট দেখার জন্য, যে সমস্ত উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশে এই ব্যবস্থা চালু আছে সেই ব্যবস্থা দেখার জন্য এবং দেশে-বিদেশে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য কম্পোনেন্ট রেখেছি সক্ষমতা অর্জনের জন্য।

   এই দিন
এই বিভাগের আরো খবর