এই দিন
ব্রেকিং:
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী এন্ড্রু কিশোর

মঙ্গলবার   ০৭ জুলাই ২০২০   আষাঢ় ২২ ১৪২৭   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪১

Beta Version
সর্বশেষ:
এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাইল্যান্ড নেওয়া হলো সাহারা খাতুনকে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বিআরটিসি বাসচাপায় ৫ ভ্যানযাত্রী নিহত হয়েছে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট দেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৪৪, শনাক্ত ৩২০১ দেশে পরীক্ষা ছাড়াই স্কুল-কলেজে আসতে পারে পাসের ঘোষণা এবার চীনে বিউবোনিক প্লেগের প্রাদুর্ভাব, জরুরি সতর্কতা জারি চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়ালো এবার কোরবানির চামড়া কিনতে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা এবার ঈদে বেশি বোনাস পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা!
১০৮

করোনা থেকে বাঁচতে কোথায় পালাচ্ছে অ্যামাজনের আদিবাসীরা?

ফিচার ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০২০  

মহামারী করোনাভাইরাসের কবল থেকে রক্ষা পায়নি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বনভূমি অ্যামাজনও। ব্রাজিলের ইনডিজেনাস পিপলস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এখনো পর্যন্ত অ্যামাজনের সাত হাজার সাতশো আদিবাসী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে ৩৫০ জন।

তবে আদিবাসীদের মধ্যে রোগ ছড়ানোর প্রবণতা এই প্রথম নয়। এর আগেও হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগের ভাইরাস হানা দিয়েছে মূল জনপদ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা আদিবাসীদের ভূমিতে। সেসব ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা তৈরি হয়েছিল আদিবাসীদের। তবে করোনা একেবারে আলাদা ধরনের ভাইরাস। আদিবাসীরা তাই এই ভাইরাসের আক্রমণ ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রাণঘাতী ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে তাই তারা নতুন পথ ধরেছে।

ব্রাজিলীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ব্রাজিলের জনপদের কাছাকাছি থাকা আদিবাসী গ্রামগুলো এখন ফাঁকা। সেখানকার হাজার হাজার আদিবাসী গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যাচ্ছে। করোনা থেকে বাঁচলেও গভীর জঙ্গলের অন্য অনেক বিপদ তাদের প্রাণ সংশয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

আমাজনে আদিবাসীদের একটি গ্রাম ক্রুজইরিনহো। সেই গ্রাম এখন ফাঁকা। করোনা মহামারীর হাত থেকে রক্ষা পেতে ওই গ্রামের সবাই অ্যামাজনের গভীরে পালিয়ে চলে গিয়েছে।

আরেকটি গ্রাম উমারিয়াকাও। ক্রুজইরিনহো থেকে সেখানে নৌকায় যেতে সময় লাগে প্রায় এক সপ্তাহ। মিজুরানা উপজাতিদের বাস সেখানে। মোট ৩২টি পরিবারের মধ্যে ২৭টি গভীর জঙ্গলে পালিয়ে গিয়েছে।

করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকে ওইসব অঞ্চলে কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আদিবাসীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকে খেয়াল রাখছিল। কিন্তু এখন ব্রাজিলে ভাইরাসের প্রকোপ বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে সেইসব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের আর দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই গভীর অরণ্যে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় নেই তাদের।

পেরু ও কলম্বিয়া সীমান্তের কাছে থাকা উত্তর ব্রাজিলের পাঁচ হাজার হেক্টর এলাকাজুড়ে ছড়ানো আদিবাসী গ্রামগুলোও প্রায় ফাঁকা। গ্রামে ঢোকার পথে রাস্তার ওপর টাঙিয়ে দেয়া হয়েছে হাতে আঁকা চিহ্ন। সেই চিহ্ন বুঝিয়ে দিচ্ছে, আদিবাসী এলাকা এখন অনির্দিষ্টকালের জন্য ফাঁকা।

   এই দিন
এই বিভাগের আরো খবর